অল্প স্বল্প গল্প


আমার চুল ও নরসুন্দর প্যাচাল

আমার চুল ও নরসুন্দর প্যাচাল


গাজী ওয়াজদে আলম লাবু : কশৈোরে মাথায় কানবাবড়ি চুল থাকায় সে চুলগুলো তাদরে সীমানা প্রাচীর ডঙ্গিয়িে কানকে ঢকেে দতি।বয়স কম থাকায় শক্তরি দুরন্তপনায় এক-আধটু অনয়িম করলওে মাথার প্রতবিশেী কান তা নয়িে উচ্চবাচ্য করতে সাহসী হত না। আমাদরে প্রতবিশেীর বাড়তিে ফলদ গাছরে ডালপালা গলেে তারা কোন প্রতবিাদ না করলওে কাঠ গাছরে


নবাব সিরাজউদ্দৌলার নবম বংশধর বলছি…

নবাব সিরাজউদ্দৌলার নবম বংশধর বলছি…


ঐতিহ্যের আলোয় আলোকিত, ঐতিহ্যের তারকা প্রোফাইল অথবা ঐতিহ্যের নতুন সৌরভ।   বিশেষ কারো সম্পর্কে বিশেষভাবে জানতে সবাই আগ্রহী হন। তারা কীভাবে খান, কী করে ঘুমান, কী করে আনন্দ পান আরো কতকিছু, তাইনা বন্ধুরা? বাংলার ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে আস্থা, বিশ্বাস, ভালোবাসায় বীর নবাব সিরাজউদ্দৌলা আর তাঁর প্রিয়


অনেক দিনের পরে যেন বৃষ্টি এলো

অনেক দিনের পরে যেন বৃষ্টি এলো


মনে পড়েছে ?  আমি সেই মেয়েটি। ১৯৭৯ সালের এস.এস.সি পরীক্ষায়  ঘিওর দুর্গা নারায়ণ  উচ্চ বিদ্যালয়ের দোতালায় ৭ নম্বর বেঞ্চের পরীক্ষার্থী। যার রোল ঘিওর, নম্বর ম ৫০০৮০, বিভাগ বিজ্ঞান। দৌলতপুর প্রমোদা  সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের বরাবর সব শ্রেণিতে প্রথম হওয়া মেয়েটি ভোলেনি তার সহপাঠী ফারুক, শফিক, শওকত আওয়াল,মমতাজ, নার্গিস, বুলবুলি আরো অনেক কে


হারাধন মাইতির ডাকবাক্স

হারাধন মাইতির ডাকবাক্স


চিঠি-১   সু, রাতভর পেঁচার মত দুচোখ ভরে পৃথিবী সব খুজে দেখেছি কোথায় হারিয়ে গেল ফেলে অাসা অামার দুরন্ত কৈশোর, রগরগে যৌবন, পাওয়া না পাওয়ার সালতামামি। হিসেবের খাতায় অসংখ্যবার কাটাকুটি। যেন অানাড়ি তেলেপোকার ইচ্ছের রাজত্ব। স্বর্ণালী ধানের ক্ষেত বিরান। কোথায় উর্বরতা নেই নতুন করে অাবার বীজতলা দিয়ে মাঠের পর মাঠ ঢেকে দেবো সবুজে।


হঠাৎ ঘুঘু ডাকা গ্রামে-

হঠাৎ ঘুঘু ডাকা গ্রামে-


পরিমল মজুমদার।। রাস্তা ভুল করে ঘুঘু ডাকা গ্রামে ঢুকে পড়ছেলিাম। পৌষে গ্রামের চেহারাটায় চিতোই পিঠা কিংবা পুষনা পুষনা ভাব আ‌ছ। গাঁদা ফুলরে গন্ধ মাখা রোদে ক্ষেতের নাড়ায় খর বিছিয়ে আড্ডা, চট গায়ে গরুদের  রোদে অলস জাবর কাটা - সবি পেলাম। কার্তিকের সাথে দখো। পুরোনো রাজনতৈকি সহকর্মী।চেহারাটা আগের মতই আছ। ওর গ্রামের মানুষগুলো



>