অর্থাভাবে বিচার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন না অনেক ধর্ষিতা


অর্থাভাবে বিচার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন না অনেক ধর্ষিতা


গণবার্তা প্রতিবেদন

‘নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ’ শীর্ষক’ ১৬দিন ব্যাপী কর্মসূচির আজ (২৬ নভেম্বর) প্রথম দিনে বেসরকারী গবেষণা সংগঠন ‘ভয়েস’ নিজস্ব সেন্টারে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ। কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ভয়েসের প্রকল্প সমন্বয়কারী জায়েদ সিদ্দিকী এবং গবেষণা সহযোগী আফতাব খান শাওন, গুলশান আরা এবং ইশরাত জাহান।

আলোচনায় বলা হয়, পরিসংখ্যান বিবেচনায় ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে ধর্ষণের হার বাড়ার পরিমাণ প্রায় প্রতি লাখে ১ দশমিক ৩৫ জন। আর ২০১৯ সালে শিশু নির্‍্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১০ হাজার ১৫৯ টি যা আগের হারের প্রায় দ্বিগুণ। পুলিশ স্টাফ কলেজের(২০১৮) গবেষণা অনুয়ায়ী, ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুদের ৭০ দশমিক ৯ শতাংশের মাসিক কোন আয় নেই এবং ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ নারী ও শিশুর মাসিক আয় ১০ হাজার টাকারও নিচে। এদের গড় মাসিক আয় মাত্র ২ হাজার ৮৪১ টাকা যায় কারণে এসব নারী ও শিশুর মামলা, বিচারের প্রক্রিয়ায় সমান অংশগ্রহণের সুযোগ থাকেনা এমনকি ন্যায় বিচার ও তারা পায় না।

বক্তারা বলেন যে, ২০১৯ সালে ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরণের নির্যাতনের শিকার হয় ৪ হাজার ৬২২ জন নারী ও শিশু। এর মধ্যে ১ হাজার ৭০৩ জন নারী ও শিশু ধর্ষনের শিকার হয়। বাংলাদেশে ধর্ষণের শাস্তির পরিমাণ ১ শতাংশের নিচে।

উল্লেখ্য, করোনাকালে গত এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৬৩২ টি। অর্থাত প্রতিদিন ৪ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়। বক্তারা নিারীর প্রতি সহিংসতা রোধে আইনের সঠিক বাস্তবায়ন ও সামাজিক সচেতনতার উপর গুরুত্বারোপ করেন।



>