দেশের মানুষকে বাক স্বাধীনতার জন্য লড়তে হচ্ছে, সেমিনারে অভিমত


দেশের মানুষকে বাক স্বাধীনতার জন্য লড়তে হচ্ছে, সেমিনারে অভিমত


গণবার্তা প্রতিবেদন

জনগণের মৌলিক অধিকার ও বাক স্বাধীনতার নিশ্চয়তার পাশাপাশি মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত আইনের প্রয়োগ ঘটানোর দাবি জানিয়েছেন বক্তারা। ‘মানবাধিকার সংরক্ষণ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা জোরদারকরণ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানান তারা।

ইউএনডিপি-হিউম্যান রাইটস প্রোগ্রামের সহায়তায় বেসরকারি গবেষণা সংগঠন ‘ভয়েস’ এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। রাজধানীর শ্যামলীতে সংগঠনের সেমিনার কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা সঞ্চালনা করেন ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভয়েসের প্রকল্প সমন্বয়ক জায়েদ সিদ্দিকী ও গবেষণা সহযোগী আফতাব খান শাওন। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক সালিম সামাদ। প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সেলিম রেজা নিউটন, একলাব এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ তারিকুল ইসলাম, নারী অধিকার নেত্রী মুশফিকা লাইজু এবং সংগঠক ও বাচিক  শিল্পী সজল কোরায়শী। সংলাপটি একইসঙ্গে অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয় যাতে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

মূল বক্তব্যে বলা হয়, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই আজ বাক স্বাধীনতা ও তাদের মৌলিক অধিকারের জন্য লড়াই করছে। বিশেষ করে সাংবাদিক, যোগাযোগ কর্মী ও সমাজকর্মীদের বাক স্বাধীনতার জন্য মূল্য দিতে হচ্ছে। তারা  পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন। সরকারের সমালোচনার কারণে গ্রেফতার হতে হচ্ছে।

তারা বলেন, করোনার সময়ে সাংবাদিক হয়রানির সংখ্যা বেড়েছে। করোনাকালীন দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ ও সরকারের সমালোচনা বন্ধ করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে।

এ সময় ধর্মীয় উন্মাদনা, নারী নির্যাতন ও নারীর প্রতি বিষোদগারের কথাও উল্লেখ করেন বক্তারা। বক্তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলসহ আইনের শাসন কায়েম ও গণতন্ত্র সংহতকরণে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।



>