হঠাৎ ঘুঘু ডাকা গ্রামে-


হঠাৎ ঘুঘু ডাকা গ্রামে-


পরিমল মজুমদার।।

রাস্তা ভুল করে ঘুঘু ডাকা গ্রামে ঢুকে পড়ছেলিাম।

পৌষে গ্রামের চেহারাটায় চিতোই পিঠা কিংবা পুষনা পুষনা ভাব আ‌ছ। গাঁদা ফুলরে গন্ধ মাখা রোদে ক্ষেতের নাড়ায় খর বিছিয়ে আড্ডা, চট গায়ে গরুদের  রোদে অলস জাবর কাটা – সবি পেলাম। কার্তিকের সাথে দখো। পুরোনো রাজনতৈকি সহকর্মী।চেহারাটা আগের মতই আছ। ওর গ্রামের মানুষগুলো সরল আছে এখনো।
ওখান থকেে ইউনয়িন পরিষদের সামনে যেতেই গ্রামের চেহারাটা আর গ্রাম থাকলো না।

পরিষদের পাশে দাইরকা মাছের দোকান। চায়রে দোকান থেকে পরোটা খেয়ে বাইরে এসে দাঁত খিলান করছে একজন। বেঞ্চিতে বসা – ‍লুঙ্গি, দামি জ্যাকেট আর পামসু পড়া এক লোক। চেহারাটায় টাউট টাউট ভাব। ‘অ্যাটে ভিজিটি কাট নিয়া ভ্যাজাল আছে ‘ জানালো সে।বুঝলাম ভাগ-বাটোয়ারার ঝামমেলা আছে।
কাজ সেরে প্রধান সড়কে উঠ।

চতিুই পঠিা
মাইল পোস্ট
গাঁদা ফুল
নাড়া পোড়ার ধোঁয়া
বাসরে সহকাররি চৎিকার –
সাইডে সাইড।

গ্রাম হারয়িে যায় ক্রমশঃ ।
– – –

ছবি: সুব্রত মজুমদার



>