ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
গণবার্তা

নির্বাচনী নিরাপত্তায় মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

নির্বাচনী নিরাপত্তায় মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আজ থেকে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে আনসার বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে রয়েছেন। ভোটের আগের দিন, অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে সারাদেশে প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনী ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ ব্যবস্থার আওতায় দায়িত্ব পালন করবে।

মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ, পুলিশের দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর এক লাখ এবং বিজিবির প্রায় ৩৫ হাজার সদস্য যুক্ত থাকবেন।

র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন। উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ দায়িত্বে থাকবে কোস্টগার্ড।

সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬–১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭–১৮ জন করে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। দুর্গম এলাকায়ও একইভাবে ১৬–১৮ জন নিরাপত্তা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে থেকেই তারা দায়িত্বে থাকবে এবং ভোটের দিন পর্যন্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


নির্বাচনী নিরাপত্তায় মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আজ থেকে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে আনসার বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে রয়েছেন। ভোটের আগের দিন, অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে সারাদেশে প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনী ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ ব্যবস্থার আওতায় দায়িত্ব পালন করবে। মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ, পুলিশের দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর এক লাখ এবং বিজিবির প্রায় ৩৫ হাজার সদস্য যুক্ত থাকবেন। র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন। উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ দায়িত্বে থাকবে কোস্টগার্ড। সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬–১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭–১৮ জন করে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। দুর্গম এলাকায়ও একইভাবে ১৬–১৮ জন নিরাপত্তা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে থেকেই তারা দায়িত্বে থাকবে এবং ভোটের দিন পর্যন্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা