ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
গণবার্তা

গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া

গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ)-এ যোগ দিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল মারুলি সিমানজুনতাক এ ঘোষণা দেন। এর ফলে নির্দিষ্ট সংখ্যক সেনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া প্রথম দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া এগিয়ে এল।

ইসরায়েলের সরকারি বেতার জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজায় রাফাহ ও খান ইউনিসের মাঝামাঝি এলাকায় ইন্দোনেশীয় বাহিনীর জন্য একটি ব্যারাকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম কোনো বিদেশি বাহিনী গাজায় মোতায়েন হতে যাচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম দেশ সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যের জটিল সংঘাতে যুক্ত হতে যাচ্ছে বলে এটিকে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেনারেল মারুলি জানিয়েছেন, একটি ব্রিগেড—অর্থাৎ প্রায় ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার সেনা পাঠানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনো পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে, চূড়ান্ত হয়নি। সেনারা মূলত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ইতোমধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং ও স্বাস্থ্য ইউনিট প্রস্তুত করা হচ্ছে।

ট্রাম্প গত বছর যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাহিনীর কথা তুলেছিলেন। তবে তাদের ভূমিকা এখনো স্পষ্ট নয়। অনেক দেশ হামাসকে নিরস্ত্র করার দায়িত্ব নিতে অনীহা প্রকাশ করেছে। যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে এবং ৫০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন বোর্ড অব পিস-এ যোগ দিতে সম্মত হয়েছেন। এই বোর্ড গাজা ও অন্যান্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রক্রিয়া তদারকি করবে। বোর্ডের প্রথম পূর্ণ বৈঠক আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

এর আগে গত সেপ্টেম্বর প্রাবোও প্রাথমিকভাবে ২০ হাজার সেনা দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া

প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ)-এ যোগ দিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল মারুলি সিমানজুনতাক এ ঘোষণা দেন। এর ফলে নির্দিষ্ট সংখ্যক সেনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া প্রথম দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া এগিয়ে এল।ইসরায়েলের সরকারি বেতার জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজায় রাফাহ ও খান ইউনিসের মাঝামাঝি এলাকায় ইন্দোনেশীয় বাহিনীর জন্য একটি ব্যারাকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম কোনো বিদেশি বাহিনী গাজায় মোতায়েন হতে যাচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম দেশ সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যের জটিল সংঘাতে যুক্ত হতে যাচ্ছে বলে এটিকে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।জেনারেল মারুলি জানিয়েছেন, একটি ব্রিগেড—অর্থাৎ প্রায় ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার সেনা পাঠানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনো পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে, চূড়ান্ত হয়নি। সেনারা মূলত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ইতোমধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং ও স্বাস্থ্য ইউনিট প্রস্তুত করা হচ্ছে।ট্রাম্প গত বছর যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাহিনীর কথা তুলেছিলেন। তবে তাদের ভূমিকা এখনো স্পষ্ট নয়। অনেক দেশ হামাসকে নিরস্ত্র করার দায়িত্ব নিতে অনীহা প্রকাশ করেছে। যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে এবং ৫০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন বোর্ড অব পিস-এ যোগ দিতে সম্মত হয়েছেন। এই বোর্ড গাজা ও অন্যান্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রক্রিয়া তদারকি করবে। বোর্ডের প্রথম পূর্ণ বৈঠক আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।এর আগে গত সেপ্টেম্বর প্রাবোও প্রাথমিকভাবে ২০ হাজার সেনা দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা