ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
গণবার্তা

নেতানিয়াহুর কার্যালয় ও বিমানবাহিনী সদর দফতরে হামলার দাবি আইআরজিসির

নেতানিয়াহুর কার্যালয় ও বিমানবাহিনী সদর দফতরে হামলার দাবি আইআরজিসির
ছবিঃ গণবার্তা/এআই

পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ইরান। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের জবাবে ইরান এখন সরাসরি ইসরাইলের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বিমানবাহিনীর কমান্ডারের অবস্থানে 'খাইবার' ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানানো হয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, আইআরজিসি লক্ষ্যভিত্তিক ও আকস্মিক এই হামলার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছে। হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথাও বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার পর ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পরিণতি এখন 'অনিশ্চয়তার মেঘে আচ্ছন্ন'।

তবে ইসরাইলি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই হামলার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। স্বাধীন সূত্রেও হামলার সত্যতা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তাসনিম নিউজ আরও জানিয়েছে, গত শনিবার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভূখণ্ডে সামরিক আগ্রাসন চালানোর পর থেকেই প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান অধিকৃত ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে শুরু করে। ইরানের দাবি, তারা এ পর্যন্ত ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ১০টি ধাপ সম্পন্ন করেছে।

এই হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে ইরানের দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে এটি ইরান-ইসরাইল সংঘাতে এক ভয়াবহ মোড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি ইসরাইলি ভূখণ্ডে ইরানের এমন হামলা এই অঞ্চলে বৃহত্তর যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে।

মার্কিন প্রশাসন এখনও এই ঘটনায় কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের এই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে আরও বেশি সামরিক সহায়তা দিতে পারে অথবা আঞ্চলিক জোটকে শক্তিশালী করতে উদ্যোগী হতে পারে।

ইরানের এই হামলার দাবি এবং ইসরাইলের নীরবতা—উভয়ই এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করছে। ইরানের দাবি কতটা সত্য, এবং ইসরাইল এর জবাব দেবে কি না, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। এই সংকটময় মুহূর্তে আন্তর্জাতিক সম্প্রদাশের ভূমিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির পরবর্তী অধ্যায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


নেতানিয়াহুর কার্যালয় ও বিমানবাহিনী সদর দফতরে হামলার দাবি আইআরজিসির

প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬

featured Image
পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ইরান। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের জবাবে ইরান এখন সরাসরি ইসরাইলের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বিমানবাহিনীর কমান্ডারের অবস্থানে 'খাইবার' ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানানো হয়েছে।ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, আইআরজিসি লক্ষ্যভিত্তিক ও আকস্মিক এই হামলার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছে। হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথাও বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার পর ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পরিণতি এখন 'অনিশ্চয়তার মেঘে আচ্ছন্ন'।তবে ইসরাইলি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই হামলার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। স্বাধীন সূত্রেও হামলার সত্যতা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।তাসনিম নিউজ আরও জানিয়েছে, গত শনিবার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভূখণ্ডে সামরিক আগ্রাসন চালানোর পর থেকেই প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান অধিকৃত ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে শুরু করে। ইরানের দাবি, তারা এ পর্যন্ত ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ১০টি ধাপ সম্পন্ন করেছে।এই হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে ইরানের দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে এটি ইরান-ইসরাইল সংঘাতে এক ভয়াবহ মোড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি ইসরাইলি ভূখণ্ডে ইরানের এমন হামলা এই অঞ্চলে বৃহত্তর যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে।মার্কিন প্রশাসন এখনও এই ঘটনায় কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের এই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে আরও বেশি সামরিক সহায়তা দিতে পারে অথবা আঞ্চলিক জোটকে শক্তিশালী করতে উদ্যোগী হতে পারে।ইরানের এই হামলার দাবি এবং ইসরাইলের নীরবতা—উভয়ই এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করছে। ইরানের দাবি কতটা সত্য, এবং ইসরাইল এর জবাব দেবে কি না, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। এই সংকটময় মুহূর্তে আন্তর্জাতিক সম্প্রদাশের ভূমিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির পরবর্তী অধ্যায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা