ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
গণবার্তা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়ানোর আশঙ্কা: কাতারে যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য, ইরানে নিহত বেড়ে ১২৩০

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়ানোর আশঙ্কা: কাতারে যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য, ইরানে নিহত বেড়ে ১২৩০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, গণবার্তা: মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। এরই মধ্যে কাতারে চারটি টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বৃহস্পতিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

স্টারমার জানিয়েছেন, ড্রোন-বিরোধী ক্ষমতা সম্পন্ন ওয়াইল্ডক্যাট হেলিকপ্টার শুক্রবার সাইপ্রাসে পৌঁছাবে এবং এইচএমএস ড্রাগন যুদ্ধজাহাজ ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘প্রতিরক্ষামূলক অভিযান পরিচালনার জন্য’ ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে।

ব্রিটেনের বাড়তি সামরিক উপস্থিতি

প্রধানমন্ত্রী জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিজুড়ে সাইপ্রাস এবং কাতারে প্রতিরক্ষা সম্পদ স্থানান্তর করছিল ব্রিটেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধবিমান, বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র এবং উন্নত রাডার সিস্টেম। যুক্তরাজ্য যাতে যেকোনো সংঘাতের আগে ‘উচ্চতর প্রস্তুতির অবস্থায়’ থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য এগুলো মোতায়েন করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে ব্রিটিশ জনগণ এবং আমাদের মিত্রদের উপর এই ঢাল বজায় রাখব। ব্রিটিশ জনগণকে রক্ষা করা আমার অগ্রাধিকার, যে কারণে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার অনেক আগে আমাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এই অঞ্চলে প্রতিরক্ষা সম্পদ বৃদ্ধি করা শুরু হয়েছিল।”

ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৩০

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৩০ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটিতে নিহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২৩০ জনে পৌঁছেছে এবং আরও অনেক মানুষ আহত হয়েছেন।

এর আগে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৯২৬ জনেরও বেশি ছিল এবং ৬ হাজারের বেশি মানুষ আহতের তথ্য ছিল।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলায় দুই ভারতীয় নাবিক নিহত

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলায় দুই ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। বুধবার এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।

কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে ইরান

ইরানি বাহিনী তাদের আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে প্রতিবেশী ইরাকে কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তারা ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর’ পোস্টগুলোতে আক্রমণ করেছে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ইরানি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানি বাহিনী ‘ইসরায়েলি-আমেরিকান’ ইরানি ভূমিতে আক্রমণের পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে ‘সম্ভ্রান্ত কুর্দিদের’ সাথে সহযোগিতা করছে।

উল্লেখ্য, বুধবার সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে স্থল অভিযান শুরু করতে কুর্দিদের অস্ত্র দেওয়ার কথা ভাবছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ও ইরাকের কুর্দি নেতাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলেছেন।

ইরানের বিখ্যাত আজাদি স্টেডিয়াম ধ্বংস

ইরানের রাজধানী তেহরানের বিখ্যাত ফুটবল স্টেডিয়াম আজাদি স্টেডিয়াম সাম্প্রতিক হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি জানিয়েছে, হামলার পর স্টেডিয়ামটির বড় অংশ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, স্টেডিয়ামের গ্যালারি ও অন্যান্য অংশে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং সেখান থেকে ঘন ধোঁয়া উঠছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের আজাদি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা প্রায় ১২ হাজার আসনের একটি ইনডোর স্টেডিয়াম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংস হয়েছে। এই ক্রীড়া কমপ্লেক্সটি বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য পরিচিত।

বেসামরিক এলাকায় হামলার অভিযোগ

ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সচেতনভাবেই এমন জায়গায় হামলা চালাচ্ছে, যেখানে বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “আমাদের জনগণকে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে, কারণ হামলাকারীরা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকা এবং এমন সব স্থানে আঘাত করছে, যেখানে সবচেয়ে বেশি কষ্ট ও প্রাণহানি ঘটানো সম্ভব।”

আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংকট আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশ যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানালেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাজ্যের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো এবং ইরানের পাল্টা পদক্ষেপ এই সংকটকে আরও বিস্তৃত আকার দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়ানোর আশঙ্কা: কাতারে যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য, ইরানে নিহত বেড়ে ১২৩০

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬

featured Image
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, গণবার্তা: মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। এরই মধ্যে কাতারে চারটি টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বৃহস্পতিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।স্টারমার জানিয়েছেন, ড্রোন-বিরোধী ক্ষমতা সম্পন্ন ওয়াইল্ডক্যাট হেলিকপ্টার শুক্রবার সাইপ্রাসে পৌঁছাবে এবং এইচএমএস ড্রাগন যুদ্ধজাহাজ ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘প্রতিরক্ষামূলক অভিযান পরিচালনার জন্য’ ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে।ব্রিটেনের বাড়তি সামরিক উপস্থিতিপ্রধানমন্ত্রী জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিজুড়ে সাইপ্রাস এবং কাতারে প্রতিরক্ষা সম্পদ স্থানান্তর করছিল ব্রিটেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধবিমান, বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র এবং উন্নত রাডার সিস্টেম। যুক্তরাজ্য যাতে যেকোনো সংঘাতের আগে ‘উচ্চতর প্রস্তুতির অবস্থায়’ থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য এগুলো মোতায়েন করা হয়েছিল।তিনি বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে ব্রিটিশ জনগণ এবং আমাদের মিত্রদের উপর এই ঢাল বজায় রাখব। ব্রিটিশ জনগণকে রক্ষা করা আমার অগ্রাধিকার, যে কারণে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার অনেক আগে আমাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এই অঞ্চলে প্রতিরক্ষা সম্পদ বৃদ্ধি করা শুরু হয়েছিল।”ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৩০মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৩০ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ।সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটিতে নিহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২৩০ জনে পৌঁছেছে এবং আরও অনেক মানুষ আহত হয়েছেন।এর আগে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৯২৬ জনেরও বেশি ছিল এবং ৬ হাজারের বেশি মানুষ আহতের তথ্য ছিল।হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলায় দুই ভারতীয় নাবিক নিহতহরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলায় দুই ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। বুধবার এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে ইরানইরানি বাহিনী তাদের আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে প্রতিবেশী ইরাকে কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তারা ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর’ পোস্টগুলোতে আক্রমণ করেছে।রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ইরানি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানি বাহিনী ‘ইসরায়েলি-আমেরিকান’ ইরানি ভূমিতে আক্রমণের পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে ‘সম্ভ্রান্ত কুর্দিদের’ সাথে সহযোগিতা করছে।উল্লেখ্য, বুধবার সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে স্থল অভিযান শুরু করতে কুর্দিদের অস্ত্র দেওয়ার কথা ভাবছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ও ইরাকের কুর্দি নেতাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলেছেন।ইরানের বিখ্যাত আজাদি স্টেডিয়াম ধ্বংসইরানের রাজধানী তেহরানের বিখ্যাত ফুটবল স্টেডিয়াম আজাদি স্টেডিয়াম সাম্প্রতিক হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি জানিয়েছে, হামলার পর স্টেডিয়ামটির বড় অংশ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, স্টেডিয়ামের গ্যালারি ও অন্যান্য অংশে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং সেখান থেকে ঘন ধোঁয়া উঠছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের আজাদি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা প্রায় ১২ হাজার আসনের একটি ইনডোর স্টেডিয়াম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংস হয়েছে। এই ক্রীড়া কমপ্লেক্সটি বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য পরিচিত।বেসামরিক এলাকায় হামলার অভিযোগইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সচেতনভাবেই এমন জায়গায় হামলা চালাচ্ছে, যেখানে বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে।তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “আমাদের জনগণকে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে, কারণ হামলাকারীরা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকা এবং এমন সব স্থানে আঘাত করছে, যেখানে সবচেয়ে বেশি কষ্ট ও প্রাণহানি ঘটানো সম্ভব।”আন্তর্জাতিক উদ্বেগমধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংকট আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশ যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানালেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাজ্যের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো এবং ইরানের পাল্টা পদক্ষেপ এই সংকটকে আরও বিস্তৃত আকার দিতে পারে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা