ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
গণবার্তা

আকাশ যুদ্ধে ইরানি শাসকদের পতন নাও হতে পারে: নেতানিয়াহু

আকাশ যুদ্ধে ইরানি শাসকদের পতন নাও হতে পারে: নেতানিয়াহু

 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে চালানো আকাশ যুদ্ধে ইরানের শাসনব্যবস্থার ‘পতন নাও হতে পারে’। ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি তেহরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনিকে হত্যার প্রচ্ছন্ন হুমকিও দেন।

প্রায় দুই সপ্তাহের টানা বোমাবর্ষণে ইরান ‘আর আগের মত নেই’ দাবি করে নেতানিয়াহু বলেন, তাদের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর ও বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীর মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তার বাহিনী লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধেও আক্রমণ অব্যাহত রাখবে।

মুজতবা খামেনি ও হিজবুল্লাহপ্রধান নাইম কাশেমের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের পদক্ষেপ কী হতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে নেতানিয়াহু বলেন, “সন্ত্রাসী সংগঠনের কোনো নেতার জন্য জীবন বীমা নীতি নিতে পারছি না আমি। আমরা কী পরিকল্পনা করছি বা কী করতে যাচ্ছি সে বিষয়ে এখানে নির্ভুল প্রতিবেদন দেওয়ার ইচ্ছা নেই আমার।”

নেতানিয়াহু যখন কথা বলছিলেন তখনও ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলাজনিত সাইরেন শোনা যাচ্ছিল।

ইসরায়েল বলছে, তেহরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি; সেই হুমকি দূর করতেই ইরানের ওপর হামলা চলছে। তেল আবিব ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন দেখতেও ইচ্ছুক। তারা চায়, ইরানের সরকারবিরোধীরা সামনে এগিয়ে এসে দায়িত্ব নিক।

কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র হামলা শুরু করার পর প্রায় দুই সপ্তাহ হতে চলল, ইরানে সরকারবিরোধী তেমন কোনো বিক্ষোভের লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে রয়টার্স। উল্টো প্রায় প্রতিদিনই অসংখ্য শহরে সরকারপন্থিরা বড় বড় মিছিল সমাবেশ করছে।

ইসরায়েল ইরানের শাসকগোষ্ঠীর বিরোধীদের অস্ত্রশস্ত্র দিচ্ছে কিনা, দেশটিতে সরকার ফেলে দেওয়ার যে লক্ষ্য তারা নিয়েছে তা ব্যর্থ হতে পারে কিনা—এমন সব প্রশ্নের জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের ক্ষমতাসীনদের পতন যদি নাও হয়, এবারের হামলার পর তারা ভয়ানক দুর্বল থাকবে।

“কী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি তার বিস্তারিত বলব না। আমরা সেখানকার শাসকগোষ্ঠীকে উৎখাতে সর্বোত্তম পরিস্থিতি সৃষ্টি করছি, তবে অস্বীকার করবো না—দেশটির জনগণ ওই শাসকদের উৎখাত করতে পারবেই এমনটা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না; শাসনব্যবস্থার পতন ভেতর থেকেই হয়। তবে আমরা সহায়তা করতে পারি, এবং করছিও,” বলেছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


আকাশ যুদ্ধে ইরানি শাসকদের পতন নাও হতে পারে: নেতানিয়াহু

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬

featured Image
 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে চালানো আকাশ যুদ্ধে ইরানের শাসনব্যবস্থার ‘পতন নাও হতে পারে’। ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি তেহরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনিকে হত্যার প্রচ্ছন্ন হুমকিও দেন।প্রায় দুই সপ্তাহের টানা বোমাবর্ষণে ইরান ‘আর আগের মত নেই’ দাবি করে নেতানিয়াহু বলেন, তাদের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর ও বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীর মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তার বাহিনী লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধেও আক্রমণ অব্যাহত রাখবে।মুজতবা খামেনি ও হিজবুল্লাহপ্রধান নাইম কাশেমের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের পদক্ষেপ কী হতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে নেতানিয়াহু বলেন, “সন্ত্রাসী সংগঠনের কোনো নেতার জন্য জীবন বীমা নীতি নিতে পারছি না আমি। আমরা কী পরিকল্পনা করছি বা কী করতে যাচ্ছি সে বিষয়ে এখানে নির্ভুল প্রতিবেদন দেওয়ার ইচ্ছা নেই আমার।”নেতানিয়াহু যখন কথা বলছিলেন তখনও ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলাজনিত সাইরেন শোনা যাচ্ছিল।ইসরায়েল বলছে, তেহরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি; সেই হুমকি দূর করতেই ইরানের ওপর হামলা চলছে। তেল আবিব ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন দেখতেও ইচ্ছুক। তারা চায়, ইরানের সরকারবিরোধীরা সামনে এগিয়ে এসে দায়িত্ব নিক।কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র হামলা শুরু করার পর প্রায় দুই সপ্তাহ হতে চলল, ইরানে সরকারবিরোধী তেমন কোনো বিক্ষোভের লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে রয়টার্স। উল্টো প্রায় প্রতিদিনই অসংখ্য শহরে সরকারপন্থিরা বড় বড় মিছিল সমাবেশ করছে।ইসরায়েল ইরানের শাসকগোষ্ঠীর বিরোধীদের অস্ত্রশস্ত্র দিচ্ছে কিনা, দেশটিতে সরকার ফেলে দেওয়ার যে লক্ষ্য তারা নিয়েছে তা ব্যর্থ হতে পারে কিনা—এমন সব প্রশ্নের জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের ক্ষমতাসীনদের পতন যদি নাও হয়, এবারের হামলার পর তারা ভয়ানক দুর্বল থাকবে।“কী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি তার বিস্তারিত বলব না। আমরা সেখানকার শাসকগোষ্ঠীকে উৎখাতে সর্বোত্তম পরিস্থিতি সৃষ্টি করছি, তবে অস্বীকার করবো না—দেশটির জনগণ ওই শাসকদের উৎখাত করতে পারবেই এমনটা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না; শাসনব্যবস্থার পতন ভেতর থেকেই হয়। তবে আমরা সহায়তা করতে পারি, এবং করছিও,” বলেছেন তিনি।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা