গণবার্তা

জ্বালানি সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, পাম্পে দীর্ঘ লাইন অব্যাহত

জ্বালানি সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, পাম্পে দীর্ঘ লাইন অব্যাহত

সরবরাহ সংকটে রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে দিন-রাত গাড়ির দীর্ঘ সারি আরও দীর্ঘ হচ্ছে। তেল না পেয়ে ফিরেও যেতে হচ্ছে অনেক গাড়ি চালককে। সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করলেও সাধারণ গ্রাহকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে সংকট সমাধানে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সভায় দেশের জ্বালানি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে ঈদের ছুটি ঘিরে সরবরাহ ব্যবস্থায় যে সাময়িক বিঘ্ন তৈরি হয়েছে এবং তার প্রভাব মাঠপর্যায়ে কীভাবে পড়ছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

একই সঙ্গে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, গুজব নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা পর্যায়ে আস্থা ফিরিয়ে আনতে করণীয় নির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন

এদিকে, আজও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের চিত্র দেখা যাচ্ছে। ঈদের আগে জ্বালানি তেল দেওয়ার ক্ষেত্রে রেশনিং তুলে দেওয়ার পর পরিস্থিতির একটু উন্নতি হলেও ঈদের দিন রাতে থেকেই তা আরও নাজুক হয়ে পড়েছে।

জ্বালানি সংকটের পটভূমি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নেমেছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশেও জ্বালানি তেলের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। গত ৬ মার্চ থেকে তেল কেনায় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। পরে ১৫ মার্চ থেকে সীমা তুলে নেওয়া হয়।

এরপরেও ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহ সংকট দেখা দিচ্ছে। ঈদের ছুটিতে ফেরার যাত্রীদের চাপ বাড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রধানমন্ত্রীর সভায় জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


জ্বালানি সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, পাম্পে দীর্ঘ লাইন অব্যাহত

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬

featured Image
সরবরাহ সংকটে রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে দিন-রাত গাড়ির দীর্ঘ সারি আরও দীর্ঘ হচ্ছে। তেল না পেয়ে ফিরেও যেতে হচ্ছে অনেক গাড়ি চালককে। সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করলেও সাধারণ গ্রাহকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে সংকট সমাধানে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছেসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সভায় দেশের জ্বালানি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে ঈদের ছুটি ঘিরে সরবরাহ ব্যবস্থায় যে সাময়িক বিঘ্ন তৈরি হয়েছে এবং তার প্রভাব মাঠপর্যায়ে কীভাবে পড়ছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।একই সঙ্গে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, গুজব নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা পর্যায়ে আস্থা ফিরিয়ে আনতে করণীয় নির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়া হয়।ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনএদিকে, আজও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের চিত্র দেখা যাচ্ছে। ঈদের আগে জ্বালানি তেল দেওয়ার ক্ষেত্রে রেশনিং তুলে দেওয়ার পর পরিস্থিতির একটু উন্নতি হলেও ঈদের দিন রাতে থেকেই তা আরও নাজুক হয়ে পড়েছে।জ্বালানি সংকটের পটভূমিমধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নেমেছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশেও জ্বালানি তেলের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। গত ৬ মার্চ থেকে তেল কেনায় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। পরে ১৫ মার্চ থেকে সীমা তুলে নেওয়া হয়।এরপরেও ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহ সংকট দেখা দিচ্ছে। ঈদের ছুটিতে ফেরার যাত্রীদের চাপ বাড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।প্রধানমন্ত্রীর সভায় জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা