গণবার্তা

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: আসছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: আসছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে সাবেক ফুটবলারদের প্রীতি ম্যাচ শেষে ক্রীড়া খাতে বড় ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে স্কুলশিশুদের মধ্যে খেলাধুলার কম্পিটিশন আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

আজ বিকেলে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে এ ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই স্টেডিয়ামে হাজির হন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তার কন্যা জাইমা রহমান, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ সরকারের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।

ডাগআউটে বসে খেলা উপভোগ

মাঠে প্রবেশ করেই প্রধানমন্ত্রী ফুটবলারদের সঙ্গে পরিচিত হন। এরপর ডাগআউটে বসেই খেলা উপভোগ করেন। কোনো দেশের কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের এভাবে ডাগআউটে বসে খেলা উপভোগ করার ঘটনা হয়তো এটাই প্রথম।

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা

লাল ও সবুজ দলের মধ্যে প্রীতি ম্যাচ শেষে অংশগ্রহণকারী ফুটবলারদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা দেন। কীভাবে এই কর্মসূচি চালু করবেন, তার একটি রূপরেখাও তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “কিছুদিন আগে যে নির্বাচন হয়েছে, সেই নির্বাচনের সময় আমাদের দলীয় মেনিফেস্টোতে বলেছি যে আমরা বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতে বিভিন্ন খেলায় নতুন প্লেয়ার তৈরি করতে চাই। সেই সঙ্গে ক্রীড়াকে পেশাদার রূপ আমরা দিতে চাই। সে জন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নতুন কুঁড়ি নামে যে অনুষ্ঠানটি ছিল, এখানে আমরা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসকে চালু করতে চাই।”

জেলা-উপজেলা-ইউনিয়নে খেলার পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “শুধু নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসই নয়, আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলা, উপজেলায় এবং প্রত্যেকটি ইউনিয়নে স্কুলগুলোর বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে খেলাধুলার কম্পিটিশন শুরু করতে চাই।”

“আমাদের একটি লক্ষ্য আছে, আমরা চেষ্টা করতে চাই যেন ভবিষ্যতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে যে খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, সেখানে কীভাবে আরও বেশি আমরা দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারি এবং সে জন্য আমরা সুন্দরভাবে ভালো খেলোয়াড় তৈরি করতে পারি। সেটিও আমাদের পরিকল্পনা আছে, চেষ্টায় আছে।”

সবাইকে আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী দেশের ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আজকের এই স্বাধীনতা দিবসে, আসুন আমরা সকলে সিদ্ধান্ত নিই, আমরা সকলেই চেষ্টা করি, যারা বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের বহু মানুষ আছেন, যারা ক্রীড়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন, তাদের সবার কাছে অনুরোধ থাকবে, আসুন আমরা দলমত নির্বিশেষে বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতটিকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলি।”

“এই ক্রীড়া দেশের জন্য যেমন সম্মান বয়ে আনতে পারে। এই ক্রীড়া আমাদের মধ্যে সুন্দরভাবে বন্ধুত্বের এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধনও তৈরি করতে সক্ষম বলে আমি বিশ্বাস করি।”

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী দিনে তৃণমূল পর্যায় থেকে মেধাবী ক্রীড়াবিদ তৈরি করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: আসছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬

featured Image
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে সাবেক ফুটবলারদের প্রীতি ম্যাচ শেষে ক্রীড়া খাতে বড় ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে স্কুলশিশুদের মধ্যে খেলাধুলার কম্পিটিশন আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।আজ বিকেলে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে এ ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই স্টেডিয়ামে হাজির হন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তার কন্যা জাইমা রহমান, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ সরকারের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।ডাগআউটে বসে খেলা উপভোগমাঠে প্রবেশ করেই প্রধানমন্ত্রী ফুটবলারদের সঙ্গে পরিচিত হন। এরপর ডাগআউটে বসেই খেলা উপভোগ করেন। কোনো দেশের কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের এভাবে ডাগআউটে বসে খেলা উপভোগ করার ঘটনা হয়তো এটাই প্রথম।‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণালাল ও সবুজ দলের মধ্যে প্রীতি ম্যাচ শেষে অংশগ্রহণকারী ফুটবলারদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা দেন। কীভাবে এই কর্মসূচি চালু করবেন, তার একটি রূপরেখাও তুলে ধরেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “কিছুদিন আগে যে নির্বাচন হয়েছে, সেই নির্বাচনের সময় আমাদের দলীয় মেনিফেস্টোতে বলেছি যে আমরা বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতে বিভিন্ন খেলায় নতুন প্লেয়ার তৈরি করতে চাই। সেই সঙ্গে ক্রীড়াকে পেশাদার রূপ আমরা দিতে চাই। সে জন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নতুন কুঁড়ি নামে যে অনুষ্ঠানটি ছিল, এখানে আমরা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসকে চালু করতে চাই।”জেলা-উপজেলা-ইউনিয়নে খেলার পরিকল্পনাপ্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “শুধু নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসই নয়, আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলা, উপজেলায় এবং প্রত্যেকটি ইউনিয়নে স্কুলগুলোর বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে খেলাধুলার কম্পিটিশন শুরু করতে চাই।”“আমাদের একটি লক্ষ্য আছে, আমরা চেষ্টা করতে চাই যেন ভবিষ্যতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে যে খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, সেখানে কীভাবে আরও বেশি আমরা দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারি এবং সে জন্য আমরা সুন্দরভাবে ভালো খেলোয়াড় তৈরি করতে পারি। সেটিও আমাদের পরিকল্পনা আছে, চেষ্টায় আছে।”সবাইকে আহ্বানপ্রধানমন্ত্রী দেশের ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আজকের এই স্বাধীনতা দিবসে, আসুন আমরা সকলে সিদ্ধান্ত নিই, আমরা সকলেই চেষ্টা করি, যারা বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের বহু মানুষ আছেন, যারা ক্রীড়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন, তাদের সবার কাছে অনুরোধ থাকবে, আসুন আমরা দলমত নির্বিশেষে বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতটিকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলি।”“এই ক্রীড়া দেশের জন্য যেমন সম্মান বয়ে আনতে পারে। এই ক্রীড়া আমাদের মধ্যে সুন্দরভাবে বন্ধুত্বের এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধনও তৈরি করতে সক্ষম বলে আমি বিশ্বাস করি।”প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী দিনে তৃণমূল পর্যায় থেকে মেধাবী ক্রীড়াবিদ তৈরি করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা