ঢাকা    সোমবার, ১১ মে ২০২৬
ঢাকা    সোমবার, ১১ মে ২০২৬
গণবার্তা

ফরিদপুরে খালাকে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম, ভাগিনা গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে খালাকে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম, ভাগিনা গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় টাকা ধার না দেওয়ায় খালাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ সেপটিক ট্যাংকে গুম করার অভিযোগে ভাগিনা মো. আলমগীর হোসেন (৪১)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। দুপুরে নগরকান্দা থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত জামেলা বেগম (৬৫) রাধানগর পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই বসবাস করতেন। গত ২৭ মার্চ রাত থেকে ২৮ মার্চ ভোরের মধ্যে তাকে হত্যা করে লাশ বাড়ির পাশের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়।

পুলিশ জানায়, নিহতের ভাই শেখ মোতালেব বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় সূত্রের ভিত্তিতে আলমগীরের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর দেশে ফিরে আলমগীর আর্থিক সংকটে পড়েন। দেনার দায়ে জর্জরিত হয়ে তিনি খালার কাছে টাকা ধার চান। কিন্তু অস্বীকৃতি জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে রাতে খালার বাড়িতে গিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন এবং লাশ গোপন করতে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে পালিয়ে যান।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


ফরিদপুরে খালাকে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম, ভাগিনা গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬

featured Image
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় টাকা ধার না দেওয়ায় খালাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ সেপটিক ট্যাংকে গুম করার অভিযোগে ভাগিনা মো. আলমগীর হোসেন (৪১)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। দুপুরে নগরকান্দা থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।নিহত জামেলা বেগম (৬৫) রাধানগর পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই বসবাস করতেন। গত ২৭ মার্চ রাত থেকে ২৮ মার্চ ভোরের মধ্যে তাকে হত্যা করে লাশ বাড়ির পাশের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়।পুলিশ জানায়, নিহতের ভাই শেখ মোতালেব বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় সূত্রের ভিত্তিতে আলমগীরের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর দেশে ফিরে আলমগীর আর্থিক সংকটে পড়েন। দেনার দায়ে জর্জরিত হয়ে তিনি খালার কাছে টাকা ধার চান। কিন্তু অস্বীকৃতি জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে রাতে খালার বাড়িতে গিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন এবং লাশ গোপন করতে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে পালিয়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা