ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
গণবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

মধ্য ইরানের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ফার্স নিউজ এজেন্সির টেলিগ্রাম পোস্টে বলা হয়েছে, মার্কিন এই যুদ্ধবিমানটি ধ্বংস হয়ে মাটিতে আছড়ে পড়েছে। বিমানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে পাইলটের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সময় অত্যন্ত ‘প্রচণ্ড বিস্ফোরণ’ ঘটায় পাইলটের পক্ষে নিরাপদে বেরিয়ে আসা বা ইজেক্ট করা প্রায় অসম্ভব ছিল। ইরানের সামরিক সূত্রের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

ঘটনার পরপরই মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এর আগে আইআরজিসি যখন প্রথমবার একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছিল, তখন সেন্টকম সেই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছিল।

যুদ্ধক্ষেত্রে পাল্টাপাল্টি দাবির এই চিত্র বর্তমানে বেশ নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরান যখন তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে এই সাফল্যের কথা প্রচার করছে, তখন যুক্তরাষ্ট্র অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অস্বীকার বা গোপন রাখার চেষ্টা করছে। এফ-৩৫-এর মতো বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল এবং উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার খবরটি পেন্টাগনের জন্য একটি বড় সামরিক ও কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে মার্কিন বিমান বাহিনীর মহড়া এবং নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র জোটের মধ্যে তীব্র আকাশযুদ্ধ চলছে। ইরান দাবি করছে যে, তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম যেকোনো আধুনিক যুদ্ধবিমান শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম। অন্যদিকে, মার্কিন প্রশাসন এই যুদ্ধকে তাদের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ‘প্রতিরক্ষামূলক’ হিসেবে বর্ণনা করলেও নিজ দেশে এই ব্যয়বহুল সংঘাত নিয়ে ক্রমবর্ধমান জনরোষের মুখে রয়েছে। দ্বিতীয় এফ-৩৫ ভূপাতিত করার এই খবর যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তবে তা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেবে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
মধ্য ইরানের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ফার্স নিউজ এজেন্সির টেলিগ্রাম পোস্টে বলা হয়েছে, মার্কিন এই যুদ্ধবিমানটি ধ্বংস হয়ে মাটিতে আছড়ে পড়েছে। বিমানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে পাইলটের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সময় অত্যন্ত ‘প্রচণ্ড বিস্ফোরণ’ ঘটায় পাইলটের পক্ষে নিরাপদে বেরিয়ে আসা বা ইজেক্ট করা প্রায় অসম্ভব ছিল। ইরানের সামরিক সূত্রের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।ঘটনার পরপরই মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এর আগে আইআরজিসি যখন প্রথমবার একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছিল, তখন সেন্টকম সেই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছিল।যুদ্ধক্ষেত্রে পাল্টাপাল্টি দাবির এই চিত্র বর্তমানে বেশ নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরান যখন তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে এই সাফল্যের কথা প্রচার করছে, তখন যুক্তরাষ্ট্র অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অস্বীকার বা গোপন রাখার চেষ্টা করছে। এফ-৩৫-এর মতো বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল এবং উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার খবরটি পেন্টাগনের জন্য একটি বড় সামরিক ও কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে মার্কিন বিমান বাহিনীর মহড়া এবং নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র জোটের মধ্যে তীব্র আকাশযুদ্ধ চলছে। ইরান দাবি করছে যে, তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম যেকোনো আধুনিক যুদ্ধবিমান শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম। অন্যদিকে, মার্কিন প্রশাসন এই যুদ্ধকে তাদের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ‘প্রতিরক্ষামূলক’ হিসেবে বর্ণনা করলেও নিজ দেশে এই ব্যয়বহুল সংঘাত নিয়ে ক্রমবর্ধমান জনরোষের মুখে রয়েছে। দ্বিতীয় এফ-৩৫ ভূপাতিত করার এই খবর যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তবে তা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেবে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা