গণবার্তা

সন্ধ্যা ৬টায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি ব্যবসায়ীদের

সন্ধ্যা ৬টায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি ব্যবসায়ীদের

সরকারের নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব দোকান-মার্কেট বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি হয়েছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জরুরি বৈঠক করে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি সময়সূচি পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে। তারা চাচ্ছেন, সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকান খোলা হোক এবং রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হোক।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারা দেশে প্রায় ৭০ লাখ দোকান ও আড়াই কোটি কর্মচারীর জীবিকা এই খাতের সঙ্গে জড়িত। হঠাৎ করে দোকান বন্ধের সময় আগিয়ে দেওয়ায় ব্যবসা ও বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সংগঠনের সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তালতলা, মৌচাক ও মিরপুরের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অনেক দোকান খোলা আছে। নিউমার্কেট এলাকায় রাত সাড়ে ৮টায়ও দোকান খোলা ছিল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ক্রেতা থাকায় দোকান বন্ধ করতে পারছেন না।

তবে দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, শনিবার (৪ এপ্রিল) সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ব্যবসায়ীরা। সেখানে দোকান খোলার যৌক্তিক সময় নিয়ে আলোচনা করবেন। অপর সংগঠনের নেতা নাজমুল হাসান মাহমুদ বলেন, তারা সরকারের সিদ্ধান্ত মানতে চান, তবে বাস্তবতার আলোকে কিছুটা সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দেবেন।

জ্বালানি সংকটের কারণে সরকার গত বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অফিস ও দোকানপাটের সময়সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আর দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ রাখতে হবে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে। শুক্রবার থেকেই এই নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে।

তবে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্রেতারা সাধারণত অফিস শেষে কেনাকাটা করতে আসেন। সন্ধ্যা ৬টায় দোকান বন্ধ করলে বিক্রি ব্যাপক কমে যাবে, যা ব্যবসার জন্য হুমকি। তারা সরকারের কাছে দোকান খোলা রাখার সময় রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। আগামীকালের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


সন্ধ্যা ৬টায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি ব্যবসায়ীদের

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
সরকারের নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব দোকান-মার্কেট বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি হয়েছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জরুরি বৈঠক করে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি সময়সূচি পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে। তারা চাচ্ছেন, সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকান খোলা হোক এবং রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হোক।সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারা দেশে প্রায় ৭০ লাখ দোকান ও আড়াই কোটি কর্মচারীর জীবিকা এই খাতের সঙ্গে জড়িত। হঠাৎ করে দোকান বন্ধের সময় আগিয়ে দেওয়ায় ব্যবসা ও বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সংগঠনের সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন।অন্যদিকে, শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তালতলা, মৌচাক ও মিরপুরের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অনেক দোকান খোলা আছে। নিউমার্কেট এলাকায় রাত সাড়ে ৮টায়ও দোকান খোলা ছিল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ক্রেতা থাকায় দোকান বন্ধ করতে পারছেন না।তবে দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, শনিবার (৪ এপ্রিল) সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ব্যবসায়ীরা। সেখানে দোকান খোলার যৌক্তিক সময় নিয়ে আলোচনা করবেন। অপর সংগঠনের নেতা নাজমুল হাসান মাহমুদ বলেন, তারা সরকারের সিদ্ধান্ত মানতে চান, তবে বাস্তবতার আলোকে কিছুটা সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দেবেন।জ্বালানি সংকটের কারণে সরকার গত বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অফিস ও দোকানপাটের সময়সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আর দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ রাখতে হবে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে। শুক্রবার থেকেই এই নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে।তবে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্রেতারা সাধারণত অফিস শেষে কেনাকাটা করতে আসেন। সন্ধ্যা ৬টায় দোকান বন্ধ করলে বিক্রি ব্যাপক কমে যাবে, যা ব্যবসার জন্য হুমকি। তারা সরকারের কাছে দোকান খোলা রাখার সময় রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। আগামীকালের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা