প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
জেএফ-১৭ ক্রয় নিয়ে ইসলামাবাদ-ঢাকা আলোচনা: ভারতের প্রতিক্রিয়াা
অনলাইন ডেস্ক ||
বাংলাদেশের জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সম্ভাব্য ক্রয় নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে চলমান আলোচনাকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করছে ভারত। এ বিষয়ে নিবিড়ভাবে নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানের সাম্প্রতিক ইসলামাবাদ সফর এবং সেখানে পাকিস্তানের সঙ্গে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জয়সওয়াল বলেন,
‘জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে—এমন সব পরিস্থিতির ওপর ভারত গভীর নজর রাখছে।’এদিকে ঢাকা ও করাচির মধ্যে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত এবং এসব ফ্লাইটে ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঢাকাকে নয়াদিল্লির অনুমতি নিতে হবে কি না—এ বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
‘এ ধরনের বিষয় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান এয়ার সার্ভিসেস চুক্তির আওতায় নিষ্পত্তি করা হবে।’সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার বিষয়ে ভারতের অবস্থানও তুলে ধরেন রণধীর জয়সওয়াল। তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদীদের দ্বারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বারবার হামলার একটি ‘উদ্বেগজনক ধারাবাহিকতা’ ভারত লক্ষ্য করছে।তিনি বলেন,
“এ ধরনের সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলো দ্রুত ও কঠোরভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।”জয়সওয়াল আরও বলেন, ভারত লক্ষ্য করেছে যে এসব ঘটনাকে অনেক সময় ব্যক্তিগত শত্রুতা, ব্যক্তিগত প্রতিশোধ, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কিংবা অন্যান্য বাহ্যিক কারণে দায়ী করার একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা রয়েছে।তার ভাষায়,
‘এ ধরনের অবহেলা উগ্রবাদী ও অপরাধীদের আরও সাহসী করে তোলে এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়।’বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ভারত বরাবরের মতোই অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে।
তিনি বলেন,
‘ভারত অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের সমর্থন ও আহ্বান অব্যাহত রেখেছে, যাতে একটি বিশ্বাসযোগ্য জনমত বা গণম্যান্ডেট প্রতিষ্ঠিত হয়।’
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা