প্রিন্ট এর তারিখ : ২৬ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিদেশ থেকে রুপার বার আনার নিয়ম ও শুল্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
সোনার বাজারে অস্থিরতাদেশে সোনার দাম এখন আকাশছোঁয়া। প্রতি ভরির দাম আড়াই লাখ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য সোনার গয়না কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই বিদেশ থেকে ফেরার সময় আত্মীয়স্বজনের জন্য সোনা বা রুপার গয়না নিয়ে আসেন।নতুন ব্যাগেজ বিধিমালা ২০২৫জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলতি অর্থবছরে অপর্যটক যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালা ২০২৫ জারি করেছে। এতে বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্য সোনা ও রুপা আনার ক্ষেত্রে নতুন সীমা ও শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।শুল্কমুক্ত সীমা
সোনার অলংকার: সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম (প্রায় ৮ ভরি ১০ আনা), বছরে একবার
রুপার অলংকার: সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম, বছরে একবার
শুল্ক দিয়ে আনার সুযোগ
সোনার বার: সর্বোচ্চ ১০ তোলা (১১৭ গ্রাম), শুল্ক প্রতি তোলায় ৫,০০০ টাকা
রুপার বার: সর্বোচ্চ ২০ তোলা (২৩৪ গ্রাম), শুল্ক প্রতি তোলায় ৬ টাকা
প্রক্রিয়া
বিমানবন্দরে নামার পর যাত্রীদের ব্যাগেজ ঘোষণা ফরম পূরণ করতে হয়।
শুল্ক দিতে হবে এমন পণ্যের বিস্তারিত উল্লেখ করতে হয়।
শুল্কমুক্ত সীমার মধ্যে থাকলে ফরম পূরণের প্রয়োজন নেই; সরাসরি গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বের হওয়া যায়।
তুলনামূলক টেবিল
ধরণ
শুল্ক ছাড়া সীমা
শুল্ক দিয়ে সীমা
শুল্ক হার
শর্তাবলী
সোনার গয়না
১০০ গ্রাম
প্রযোজ্য নয়
শুল্কমুক্ত
বছরে একবার
রুপার গয়না
২০০ গ্রাম
প্রযোজ্য নয়
শুল্কমুক্ত
বছরে একবার
সোনার বার
প্রযোজ্য নয়
১০ তোলা (১১৭ গ্রাম)
প্রতি তোলা ৫,০০০ টাকা
বছরে একবার
রুপার বার
প্রযোজ্য নয়
২০ তোলা (২৩৪ গ্রাম)
প্রতি তোলা ৬ টাকা
বছরে একবার
উপসংহারবিদেশ থেকে ফেরার সময় সোনা ও রুপা আনার ক্ষেত্রে নতুন ব্যাগেজ বিধিমালা স্পষ্ট নিয়ম দিয়েছে। রুপার বার আনার ক্ষেত্রে প্রতি তোলায় ৬ টাকা শুল্ক সত্যিই কার্যকর আছে। তবে শর্ত হলো, বছরে একবারই এই সুবিধা নেওয়া যাবে। ফলে বিদেশফেরত যাত্রীদের এখন নিয়ম মেনে সোনা ও রুপা আনার সুযোগ রয়েছে, যা একদিকে রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করছে, অন্যদিকে যাত্রীদের জন্য স্বচ্ছতা তৈরি করছে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা