প্রিন্ট এর তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ডিম খাওয়ার সীমাবদ্ধতা: কারা সতর্ক থাকবেনা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
ডিমকে বলা হয় “সুপারফুড”—এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন ও নয়টি অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড। একটি ৫০ গ্রাম ওজনের ডিমে থাকে প্রায় ৬–৭ গ্রাম প্রোটিন। সাদা অংশে অ্যালবুমিন থাকে, যা পেশী ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। অন্যদিকে কুসুমে থাকে চর্বি, ভিটামিন A, D, E, K এবং কোলিন, যা মস্তিষ্ক ও লিভারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সবার জন্য নিয়মিত ডিম খাওয়া উপযুক্ত নয়।
অ্যালার্জি আক্রান্তরা: শিশুদের মধ্যে ডিম অ্যালার্জি বেশি দেখা যায়, যা ত্বকে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট এমনকি অ্যানাফাইল্যাক্সিস ঘটাতে পারে।
উচ্চ কোলেস্টেরল রোগীরা: কুসুমে কোলেস্টেরল থাকায় তাদের সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। যদিও সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ১–২টি ডিম রক্তের লিপিডে বড় প্রভাব ফেলে না।
লিভার রোগীরা: সিরোসিস বা লিভার ফেইলিউরে আক্রান্তদের খাদ্যে চর্বি কমাতে হয়। ফ্যাটি লিভার রোগীদের অতিরিক্ত কুসুম এড়িয়ে চলা উচিত।
কিডনি রোগীরা: তাদের প্রোটিন গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। তবে ডিমের সাদা অংশ খাওয়া নিরাপদ, যদি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দৈনিক প্রোটিন নির্ধারিত হয়।
উপসংহার:
চিকিৎসক ড. দিন ট্রান নগক মাই জানিয়েছেন, সঠিক পরিমাণে খেলে ডিম অধিকাংশ মানুষের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্করা প্রতিদিন ১–২টি ডিম খেতে পারেন। ক্রীড়াবিদ বা যাদের প্রোটিনের চাহিদা বেশি তারা ৩–৪টি ডিম খেতে পারেন, তবে চর্বি ও কোলেস্টেরলের চিন্তা থাকলে সাদা অংশে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা