প্রিন্ট এর তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
তিনদিনের সফরে ঢাকায় আসছেন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরা
অনলাইন ডেস্ক ||
দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন কূটনীতির নতুন অধ্যায় রচিত হতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস পল কাপুর আগামীকাল তিনদিনের সফরে ঢাকায় আসছেন। এই সফরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাইয়ের পাঠানো এক বিবৃতিতে এই সফরের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এস পল কাপুরের এই সফরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হবে।মার্কিন এই শীর্ষ কূটনীতিকের সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, "বৈঠকের পরে বলব।" অর্থাৎ আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।প্রসঙ্গত, এস পল কাপুরকে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই পদে মনোনীত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে একই বছরের অক্টোবরে মার্কিন সেনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটিতে তার মনোনয়ন অনুমোদিত হয়। সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার আগে কাপুর দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে নেভাল পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্কুলে অধ্যাপনা করেছেন।পল কাপুর সম্পর্কে বিশেষ তথ্য হলো, তিনি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কূটনৈতিক পদে আসীন ভারতীয় বংশোদ্ভূত দ্বিতীয় ব্যক্তি। তার এই সফর বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের মতো কৌশলগত অবস্থানে থাকা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী। পল কাপুরের এই সফরকে তারই একটি অংশ হিসেবে দেখছেন অনেকে।এদিকে এই সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকার ডিপ্লোমেটিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া এই তিনদিনের সফরে পল কাপুর সরকারের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হওয়ার আশা করা হচ্ছে। এই সফরের ফলাফল ও আলোচনার বিস্তারিত বিষয় সম্পর্কে আমরা পরবর্তী আপডেটে জানাব।
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা