প্রিন্ট এর তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোস্টগার্ডকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে সমুদ্র উপকূল ও নদী তীরবর্তী এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বাহিনীটির দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। মঙ্গলবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কোস্টগার্ডের মহাপরিচালকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী কোস্টগার্ডের দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।প্রধানমন্ত্রী বাহিনীর সদস্যদের নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতি দিয়ে বলেন, সমুদ্র উপকূল ও নদী তীরবর্তী এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে কোস্টগার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে জনগণের স্বার্থে দুর্যোগ মোকাবিলায় তাদের জনসেবামূলক কাজগুলো অব্যাহত রাখার জন্য তিনি বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।সাক্ষাৎকালে মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীকে কোস্টগার্ডের চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বাহিনীর আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী এই উন্নয়নের গতিপ্রকৃতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আশ্বস্ত করেন যে, বাহিনীর এই আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোস্টগার্ডকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এই বাহিনী দেশের সমুদ্রসীমার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করবে।বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশের সমুদ্রসীমা ও জলসীমা রক্ষায় কোস্টগার্ডের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এছাড়া জলদস্যুতা, চোরাচালান, মাদক পাচার ও সমুদ্রদূষণ রোধেও কোস্টগার্ডকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বাহিনীটির আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাংলাদেশের জলসীমা রক্ষায় কোস্টগার্ডের প্রতি সরকারের আস্থার প্রতিফলন। সমুদ্র ও নদী তীরবর্তী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোস্টগার্ডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করা যায়, প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বান বাহিনীটির পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা আরও বাড়াতে সহায়ক হবে।
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা