প্রিন্ট এর তারিখ : ০৯ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
ইরান অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ ফিরলা
বিশ্ব ডেস্ক ||
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধকালীন অভিযানে অংশ নেওয়া বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ ফেরত গেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) রণতরিটি গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের একটি নৌঘাঁটিতে ফিরেছে।বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, রণতরিটি গত ফেব্রুয়ারি মাসে সৌদা বে থেকে খাবার, জ্বালানি ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করেছিল। তবে ১২ মার্চ জাহাজটির একটি লন্ড্রি রুমে অগ্নিকাণ্ডে ক্রু দলের দুই সদস্য আহত হন।জাহাজে অগ্নিকাণ্ড ও ক্ষয়ক্ষতিমার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গত ১২ মার্চ রণতরিটির লন্ড্রি রুমে লাগা আগুনে দুজন নাবিক আহত হওয়ার পাশাপাশি জাহাজের অন্তত ১০০টি শয্যা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।টয়লেট নিয়ে জটিলতাশুধু আগুনই নয়, মাঝসমুদ্রে রণতরিটির টয়লেট নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা দেখা দিয়েছিল বলে জানা গেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন বলছে, টয়লেটে জট লেগে যাওয়ায় নৌবাহিনীর কর্মীদের এটি ব্যবহারের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়েছে।এ ছাড়া আরও নানা কারণেই এ রণতরিতে থাকা মার্কিন নৌসেনাদের মনোবলে বড় ধস নেমেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়।ইরান অভিযানে ভূমিকাএএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিমান অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই অভিযানে ‘ফোর্ড’ ছাড়াও ‘আব্রাহাম লিংকন’ নামে আরেকটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি অংশ নেয়।কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান নিয়ে গঠিত ‘এয়ার উইং’ সমৃদ্ধ দুই রণতরিই ইরান অভিযানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ফলে এখন ফোর্ডকে সরিয়ে নেওয়ায় ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিতে একটি বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হবে।ভবিষ্যৎ পরিকল্পনামার্কিন নৌবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, মেরামতের পর রণতরিটি পুনরায় মোতায়েন করা হতে পারে। তবে কবে নাগাদ এটি পুনরায় অভিযানে অংশ নিতে পারবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি। ইরান যুদ্ধের এই সময়ে বিশ্বের বৃহত্তম এই রণতরি ফিরিয়ে নেওয়া মার্কিন সামরিক কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা