প্রিন্ট এর তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ভাইরাল তাজুর পাশে নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসন, দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা ও জমির আশ্বাসা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাইজুল ইসলাম ওরফে তাজুর পাশে দাঁড়িয়েছে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদরুজ্জামান রিশাদ তাজুর হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন। এ সময় তিনি তাজুকে বাসযোগ্য খাস জমি ও কৃষিজমি দেওয়ার আশ্বাসও দেন।এছাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পথশিশু’ তাজুর জন্য ঘর নির্মাণে দুই বান্ডিল টিন ও নগদ ৫ হাজার টাকা সহায়তা করে। সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাজু। কৃতজ্ঞতা জানাতে গিয়ে তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম রসুল রাজা, নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ইউপি সদস্য কবিরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।তাইজুল ইসলাম তাজু নাগেশ্বরী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত নারায়ণপুর ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি বড়। জীবিকার তাগিদে ঢাকায় রাজমিস্ত্রির সহকারী (হেলপার) হিসেবে কাজ করেন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে মোবাইল ফোনে মজার ভিডিও বানাতেন তিনি।সম্প্রতি ‘তাজু ভাই ২.০’ ফেসবুক পেজ থেকে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নারায়ণপুর বাজারের জিলাপির দাম নিয়ে একটি ভিডিও করেন তিনি। ভিডিওতে দোকানদারকে তিনি জিজ্ঞেস করেন, জিলাপি কি সরকারি নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে। সরল ভাষা ও ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার কারণে ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয় এবং তিনি দেশজুড়ে আলোচনায় চলে আসেন।এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদরুজ্জামান রিশাদ বলেন, ‘তাজু ভাই তার এলাকার সমস্যাগুলো তুলে ধরেছেন, এটা খুব ভালো দিক। আমরা সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, তিনি খুব অসহায় ও ভূমিহীন। আজ আমরা তাকে ডেকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি। তাকে খাসজমিসহ আবাদি জমির বন্দোবস্ত করে দেওয়া হবে।’
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা