প্রিন্ট এর তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ায় গৃহবধূকে আটকে রেখে গণধর্ষণ, নারীসহ গ্রেফতার ৪া
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
বগুড়ার আদমদীঘিতে এক গৃহবধূকে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে ভুক্তভোগী পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করলে নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে গত বুধবার রাতে উপজেলার সান্তাহার লোকো কলোনি এলাকায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।গ্রেফতারকৃতরা হলেন সান্তাহার পোস্ট অফিসপাড়ার নূর ইসলাম বাবুর ছেলে সাহেদুল ইসলাম সাহেদ, শেখ আবদুল বারেকের মেয়ে রুনা বেগম, সান্তাহার পূর্ব লোকো কলোনির তহিদুল ইসলামের ছেলে মিঠু হোসেন ও আইয়ুব আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন। ওসি কামরুজ্জামান মিয়া জানান, ওই গৃহবধূ সকালে থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এরপর অভিযান চালিয়ে নারীসহ চার আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই গৃহবধূ তার স্বামীসহ আদমদীঘির সান্তাহার পূর্ব লোকো কলোনির কবিরের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। গত ২২ এপ্রিল পাশের বাসার আইয়ুব আলীর মেয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন দিবাগত রাত ১১টার দিকে আইয়ুব আলী ওই গৃহবধূ ও তার স্বামীকে সান্তাহার রেলগেটে ছিদ্দিকের দোকানে ডেকে নিয়ে তার মেয়েকে বের করে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মামলার আসামি মিঠু হোসেন ও হৃদয় হোসেন ওই গৃহবধূ ও তার স্বামীকে মারধর করতে থাকলে স্বামী ভয়ে পালিয়ে যান।এ সময় আসামি রুনা বেগম ভিকটিমকে মারধর করে তার বাসায় নিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখেন। রাত দুইটার দিকে আটক রাখা ঘরে আসামি সাহেদুল ইসলাম সাহেদ ও আজান আলী নামের দুইজন প্রবেশ করে ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। নির্যাতিত ওই গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়ায় প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা