প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
নড়াইলে মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা, অ্যাম্বুলেন্সচালক আটকা
গণবার্তা প্রতিবেদনঃ ||
নড়াইলের লোহাগড়ায় এক গৃহবধূর মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক অ্যাম্বুলেন্সচালকের বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করার সময় ওই চালককে হাতেনাতে ধরে ফেলেন মৃত গৃহবধূর মা। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। সাগর শেখ উপজেলার লক্ষ্মীপাশা তেলপাম্প এলাকার মৃত কামরুল শেখের ছেলে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে লোহাগড়া ইউনিয়নের ছাগলছিড়া গ্রামে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন সাদিয়া আক্তার লামিয়া (২২) নামের এক গৃহবধূ। পরে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়ার জন্য রাতে মরদেহটি থানায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্সে রাখা হয়।পরিবারের অভিযোগ, ওই দিন গভীর রাতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে একা ছিলেন চালক সাগর শেখ। এ সময় তিনি সাদিয়ার মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে সাদিয়ার মা সেখানে গিয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে দাবি পরিবারের।সাদিয়ার মা অভিযোগ করে বলেন, অ্যাম্বুলেন্সচালক সাগর শেখ তার মেয়ের শরীরের কাপড় সরিয়ে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করছিলেন। বাইরে থেকে যাতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরের ঘটনা দেখা না যায়, সে জন্য জানালাগুলো গামছা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন সাগর শেখকে আটক করে গণধোলাই দেওয়ার পর পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় সোমবার (৩১ আগস্ট) বলেন, ‘অভিযুক্ত সাগর শেখকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অ্যাম্বুলেন্সচালকের এমন নৃশংস কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মৃতার পরিবারও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি বিচার চেয়ে আবেদন জানিয়েছে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা