প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চারটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংকা
অর্থনীতি প্রতিবেদন ||
ঢাকা: দেশে চারটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের প্রাথমিক অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এসব ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়া হবে। এরপরই প্রক্রিয়া শেষে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে ব্যাংক চারটি।আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া চারটি ব্যাংক হলো—ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, যার উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংকবিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, যার উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরানোভা ডিজিটাল ব্যাংক, যার উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপবুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক, যার উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেডপাশাপাশি আগেই প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আবেদনপত্র গ্রহণ করে। তখন ১৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানার সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থা, মোবাইল অপারেটর, মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি।বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন গ্রহণ করে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভসহ নানা কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সেই অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তখন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন আহসান এইচ মনসুর। বিএনপি সরকার গঠনের পর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে মোস্তাকুর রহমানকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে নতুন করে আর কোনো আবেদন নেওয়া হয়নি। আগের আবেদন থেকেই চারটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে সম্মত হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।জানা গেছে, আবেদন করা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জাপান-বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক (ডিবিএল গ্রুপ), ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, আমার ডিজিটাল ব্যাংক (২২টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগ), থার্টি সিক্স ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক (আকিজ রিসোর্স), অ্যাপ ব্যাংক (যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারী), মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি (ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান আসা) এবং উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক (আইটি সলিউশনস লিমিটেড)।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা