ঢাকা    রোববার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
গণবার্তা

ফেব্রুয়ারিতে শবেবরাত ও জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ৬ দিনের ছুটি

ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য থাকছে টানা ছুটির সুখবর। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, মাসের প্রথমার্ধেই এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই দফায় টানা তিন দিন করে মোট ছয় দিনের ছুটি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। শবেবরাত ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন—এই দুই উপলক্ষেই মিলছে দীর্ঘ অবকাশ।প্রথম দফার ছুটি আসছে পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে। সম্ভাব্য হিসেবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) শবেবরাত পালিত হতে পারে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ওই দিন শবেবরাত অনুষ্ঠিত হলে পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও শনিবার (৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি)। ফলে মাসের শুরুতেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা তিন দিনের ছুটি ভোগ করার সুযোগ পাবেন।এর ঠিক এক সপ্তাহ পর দ্বিতীয় দফার টানা ছুটি মিলবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। নির্বাচন দিবস সাধারণ ছুটি হওয়ায় এর পরের দুই দিন—১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি—সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে আবারও টানা তিন দিনের অবকাশ কাটাতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই দুই দফায় টানা ছয় দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
১৬ জানুয়ারি ২০২৬

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ অনুমোদন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীদের ফৌজদারি দায় থেকে সুরক্ষা দিতে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। গতকাল অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়।রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই অধ্যাদেশের আওতায় জুলাই ও আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন এবং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যাবে না। ওই সময়ের এমন কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে আগে দায়ের হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে সরকার।তবে দায়মুক্তির বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরে আইন উপদেষ্টা বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ, লোভ, প্রতিশোধ বা পারিবারিক বিরোধ থেকে সংঘটিত অপরাধ—বিশেষ করে হত্যাকাণ্ড—এই অধ্যাদেশের আওতায় পড়বে না। এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা ফৌজদারি দায় থেকে কোনোভাবেই রেহাই পাবেন না।ড. আসিফ নজরুল জানান, কোনো ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিরোধ আন্দোলনের অংশ ছিল কি না—সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার দায়িত্ব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার যদি মনে করে কোনো হত্যাকাণ্ড বা সহিংসতা রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাহলে তারা মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানাতে পারবেন। কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের সমমর্যাদা পাবে।অধ্যাদেশে ক্ষতিপূরণের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি। মানবাধিকার কমিশন প্রয়োজন মনে করলে ভুক্তভোগী পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ করতে পারবে। জানুয়ারির মধ্যেই একটি শক্তিশালী ও কার্যকর মানবাধিকার কমিশন গঠনের কথাও জানান আইন উপদেষ্টা।সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের আত্মত্যাগের ফলেই দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরে এসেছে। ভবিষ্যতে যেন তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা হয়রানির শিকার না হন—সে নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকেই এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে।
১৬ জানুয়ারি ২০২৬

১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোট জাতীয় সংসদের ২৫৩টি আসনে প্রার্থী তালিকার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে (দ্বিতীয় তলা) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে আসনভিত্তিক প্রার্থী তালিকা ও আসন বণ্টনের বিস্তারিত তুলে ধরেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে আসন বণ্টন হয়েছে এভাবে—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ১৭৯টি আসন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৩০টি আসন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২০টি আসন।এ ছাড়া খেলাফত মজলিস (অপর অংশ) পেয়েছে ১০টি আসন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি আসন, এবি পার্টি ৩টি আসন, নেজামে ইসলামি পার্টি ২টি আসন এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) পেয়েছে ২টি আসন।জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাকি ৪৭টি আসন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।জোট নেতারা জানান, দীর্ঘ আলোচনার পর এই আসন সমঝোতায় পৌঁছানো হয়েছে এবং আসন্ন নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে এই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
১৫ জানুয়ারি ২০২৬
চলতি মাসেই আংশিক নতুন পে-স্কেল চালুর ইঙ্গিত

চলতি মাসেই আংশিক নতুন পে-স্কেল চালুর ইঙ্গিত

চলতি মাস থেকেই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আংশিকভাবে নতুন বেতন কাঠামো চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় ও পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন পে-স্কেল কার্যকরের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গভাবে এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন হবে আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে, অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতে। জানুয়ারি থেকেই আংশিক বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দও নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের বরাদ্দ প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৬ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষে নির্বাচিত সরকার যেন দ্রুত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে—সে লক্ষ্যেই আগাম এই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এদিকে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত পে-কমিশনের প্রতিবেদন এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর নতুন পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কমিশনের প্রতিবেদন সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে।
১০ ঘন্টা আগে
ফেব্রুয়ারিতে শবেবরাত ও জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ৬ দিনের ছুটি

ফেব্রুয়ারিতে শবেবরাত ও জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ৬ দিনের ছুটি

ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য থাকছে টানা ছুটির সুখবর। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, মাসের প্রথমার্ধেই এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই দফায় টানা তিন দিন করে মোট ছয় দিনের ছুটি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। শবেবরাত ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন—এই দুই উপলক্ষেই মিলছে দীর্ঘ অবকাশ।প্রথম দফার ছুটি আসছে পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে। সম্ভাব্য হিসেবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) শবেবরাত পালিত হতে পারে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ওই দিন শবেবরাত অনুষ্ঠিত হলে পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও শনিবার (৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি)। ফলে মাসের শুরুতেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা তিন দিনের ছুটি ভোগ করার সুযোগ পাবেন।এর ঠিক এক সপ্তাহ পর দ্বিতীয় দফার টানা ছুটি মিলবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। নির্বাচন দিবস সাধারণ ছুটি হওয়ায় এর পরের দুই দিন—১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি—সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে আবারও টানা তিন দিনের অবকাশ কাটাতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই দুই দফায় টানা ছয় দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
১৬ জানুয়ারি ২০২৬
বিক্ষোভে ‘হাজারো মানুষ হত্যার’ পেছনে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হাত: খামেনি

বিক্ষোভে ‘হাজারো মানুষ হত্যার’ পেছনে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হাত: খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, দেশটিতে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সংঘটিত সহিংসতায় “হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে” এবং এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলো দায়ী। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন।খামেনির ভাষ্য অনুযায়ী, দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা ওই বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীগুলো ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং বহু মানুষকে হত্যা করেছে। তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে “অপরাধী” আখ্যা দিয়ে বলেন, এবারের ঘটনাটি আগের বিক্ষোভগুলোর চেয়ে আলাদা, কারণ এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই সরাসরি জড়িত ছিলেন।ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়, খামেনি অভিযোগ করেন—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে এবং মাঠপর্যায়ে সহিংসতা পরিচালনা করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান সীমান্তের বাইরে সংঘাতে জড়াবে না, তবে দেশীয় বা আন্তর্জাতিক অপরাধীদের শাস্তির আওতার বাইরে রাখা হবে না।আল জাজিরার তেহরানভিত্তিক প্রতিবেদক রেসুল সারদার আতাস জানান, খামেনির বক্তব্যে প্রথমবারের মতো নিহতের সংখ্যা “হাজারে” পৌঁছানোর দাবি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। তিনি আরও বলেন, খামেনি দাবি করেছেন—আগের বিক্ষোভে মার্কিন হস্তক্ষেপ তুলনামূলক কম ছিল, কিন্তু এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে কেন্দ্রীয় ভূমিকার অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।যদিও সরকারিভাবে এখনো সুনির্দিষ্ট মৃত্যুসংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ দাবি করেছে, বিক্ষোভে অন্তত ৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। এর আগে ইরানি কর্মকর্তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ শতাধিক মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছিলেন। খামেনি আরও অভিযোগ করেন, বিক্ষোভকারীরা ২৫০টির বেশি মসজিদ ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দিয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, শুরুতে মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু হলেও পরে তা বিদেশি শক্তির মদদে সহিংসতায় রূপ নেয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ইরান।
১০ ঘন্টা আগে
১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
আগামী নির্বাচনে আপনি হ্যা ভোট দিবেন নাকি না ভোট দিবেন?

আগামী নির্বাচনে আপনি হ্যা ভোট দিবেন নাকি না ভোট দিবেন?

  হ্যা ভোট
  না ভোট
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
শীত পড়তেই অসুস্থ হচ্ছেন বাড়ির বয়স্কেরা? দুর্বল হার্ট, শ্বাসকষ্ট থাকলে কী কী খাওয়াবেন

শীত পড়তেই অসুস্থ হচ্ছেন বাড়ির বয়স্কেরা? দুর্বল হার্ট, শ্বাসকষ্ট থাকলে কী কী খাওয়াবেন

শীত এলেই বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের অসুস্থতা যেন বাড়তি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা কমে যায়। বাংলাদেশে শীতকালে তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ার কারণে প্রবীণদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, হার্টের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস ও সর্দি-কাশির প্রকোপ বেড়ে যায়—এমন তথ্য চিকিৎসকরাও নিয়মিত উল্লেখ করে থাকেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স ৬০ পেরোলেই শরীরের ইমিউন সিস্টেম ধীরে ধীরে দুর্বল হতে শুরু করে। এই অবস্থায় শীতকালীন সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, হাঁপানি অ্যাটাক কিংবা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে। তাই শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।শীতকালে বয়স্করা কেন বেশি অসুস্থ হনবাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী— ঠান্ডায় রক্তনালি সংকুচিত হয়, ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায় শীতকালে পানি কম খাওয়ার কারণে ডিহাইড্রেশন ও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয় ঠান্ডা বাতাসে হাঁপানি ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় শরীর কম নড়াচড়া করায় রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয় বিশেষ করে যাঁদের আগে থেকেই হার্ট দুর্বল, হাঁপানি বা ডায়াবিটিস আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি দ্বিগুণ।‘ইটিং ডিজঅর্ডার’ বেশি হয় বয়স্কদেরইচিকিৎসকদের ভাষায়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণদের মধ্যে Eating Disorder বা অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়। বাংলাদেশে এটি বেশ সাধারণ একটি চিত্র— অনেক প্রবীণ নারী সংসারের কাজ সামলাতে গিয়ে নিজের খাবার বাদ দেন ওষুধ খাওয়ার সময় খাবার না খেয়ে ফেলেন আবার কেউ কেউ লুকিয়ে মিষ্টি, পিঠা, ভাজাপোড়া খেয়ে ফেলেন এর ফলেই দেখা দেয়— কোষ্ঠকাঠিন্য ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS) গাঁটের ব্যথা হঠাৎ দুর্বল হয়ে পড়া বারবার সংক্রমণ শীতকালে বয়স্কদের জন্য উপযোগী খাবার (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে)১. হার্ট দুর্বল হলে গরম দুধ (চিনি ছাড়া) ওটস বা লাল চালের ভাত (পরিমিত) সামুদ্রিক মাছ (রুই, কাতলা, ইলিশ নয়—চর্বি বেশি) বাদাম (ভেজানো চিনাবাদাম বা কাজু অল্প) ২. শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি থাকলে আদা ও তুলসী দিয়ে হালকা গরম পানি মধু (১ চা চামচ) সবজি স্যুপ (লাউ, কুমড়া, গাজর) হলুদ মেশানো গরম দুধ (রাতে) চিকিৎসকেরা বলেন, ঠান্ডা দই, সফট ড্রিংক ও বরফ দেওয়া খাবার হাঁপানির রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। ৩. ডায়াবিটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে লাল আটা বা আটার রুটি শাকসবজি (পালং, লাল শাক, ডাটা শাক) পেঁপে, পেয়ারা, আপেল (পরিমিত) পর্যাপ্ত পানি (গরম বা কুসুম গরম) যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত অতিরিক্ত মিষ্টি ও পিঠা ভাজাপোড়া (শিঙাড়া, কচুরি) অতিরিক্ত লবণ ঠান্ডা পানীয় শীতকালে বয়স্কদের জন্য বাড়তি যত্ন নিয়মিত গরম কাপড় ব্যবহার সকালে হালকা রোদ পোহানো দিনে অন্তত ২০–৩০ মিনিট হাঁটা নির্দিষ্ট সময়ে খাবার ও ওষুধ খাওয়া উপসংহারশীতকালে বয়স্কদের সুস্থ রাখা শুধু ওষুধের বিষয় নয়—সঠিক খাবার, নিয়মিত রুটিন ও পরিবারের যত্নই সবচেয়ে বড় চিকিৎসা। সময়মতো খাওয়াদাওয়া ও সচেতন জীবনযাপন করলে হার্ট, শ্বাসকষ্ট বা ডায়াবিটিস থাকলেও ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাদ্য বা ওষুধে বড় পরিবর্তন না করাই উত্তম।
১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
চলতি মাসেই আংশিক নতুন পে-স্কেল চালুর ইঙ্গিত

চলতি মাসেই আংশিক নতুন পে-স্কেল চালুর ইঙ্গিত

চলতি মাস থেকেই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আংশিকভাবে নতুন বেতন কাঠামো চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় ও পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন পে-স্কেল কার্যকরের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গভাবে এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন হবে আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে, অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতে। জানুয়ারি থেকেই আংশিক বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দও নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের বরাদ্দ প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৬ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষে নির্বাচিত সরকার যেন দ্রুত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে—সে লক্ষ্যেই আগাম এই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এদিকে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত পে-কমিশনের প্রতিবেদন এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর নতুন পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কমিশনের প্রতিবেদন সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে।
২৫ নভেম্বর ২০২৫
এক বছরে প্রবাসী আয় ৩২ বিলিয়ন ডলার

এক বছরে প্রবাসী আয় ৩২ বিলিয়ন ডলার

২৫ নভেম্বর ২০২৫
ঘরেই বানান পুরান ঢাকার হাজির বিরিয়ানিঃ শতবর্ষের ঐতিহ্যের স্বাদ

ঘরেই বানান পুরান ঢাকার হাজির বিরিয়ানিঃ শতবর্ষের ঐতিহ্যের স্বাদ

পুরান ঢাকার হাজির বিরিয়ানি—নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সুগন্ধি চাল, নরম গরুর মাংস, আলুর মোটা টুকরো আর ঘি-আতরের অনন্য সুবাস। শত বছরের ঐতিহ্যে গড়া এই বিরিয়ানির স্বাদ অন্য যেকোনো বিরিয়ানি থেকে একেবারেই আলাদা। আজ গণবার্তার পাঠকদের জন্য রইল ঘরে বসেই হাজির বিরিয়ানির কাছাকাছি স্বাদের সহজ ও অথেন্টিক রেসিপি।কেন হাজির বিরিয়ানি আলাদা?✔️ টমেটো একেবারেই ব্যবহার হয় না ✔️ ঝাল কম, সুগন্ধ বেশি ✔️ দই ও ঘি-নির্ভর রান্না ✔️ চাল ও কাঁচা মাংস একসঙ্গে দমে রান্নাপ্রয়োজনীয় উপকরণ (৪–৫ জনের জন্য)গরুর মাংস ও মেরিনেশন গরুর মাংস (হাড়সহ, মাঝারি টুকরো) – ১ কেজি টক দই – ১ কাপ পেঁয়াজ বাটা – ১ কাপ আদা বাটা – ২ টেবিল চামচ রসুন বাটা – ২ টেবিল চামচ লবণ – স্বাদমতো লাল মরিচ গুঁড়া – ১ চা চামচ (হালকা ঝাল) গোলমরিচ গুঁড়া – ১ চা চামচ জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ ধনে গুঁড়া – ১ চা চামচ জয়ত্রী গুঁড়া – ¼ চা চামচ জায়ফল গুঁড়া – ¼ চা চামচ ঘি – ½ কাপ কাঁচা মরিচ – ৬–৮টি (লম্বালম্বি ফাটা) মেরিনেট করার সহজ নিয়মসব উপকরণ একসঙ্গে একটি বড় বাটিতে নিয়ে ভালো করে হাত দিয়ে মাখিয়ে নিন। ঢেকে রেখে দিন কমপক্ষে ২–৩ ঘণ্টা, সময় পেলে রাতভর রাখলে স্বাদ আরও ভালো হবে। আলু বড় আলু – ৫–৬টি লবণ – সামান্য হলুদ – এক চিমটি তেল – ভাজার জন্য আলু অর্ধেক করে কেটে লবণ ও হলুদ মেখে হালকা বাদামি করে ভেজে আলাদা রাখুন।চাল বাসমতি বা চিনিগুঁড়া চাল – ৭৫০ গ্রাম লবণ – পরিমিত তেজপাতা – ৩টি দারুচিনি – ২ টুকরো এলাচ – ৫–৬টি লবঙ্গ – ৬–৭টি চাল ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।বড় হাঁড়িতে পানি ফুটিয়ে সব মসলা ও লবণ দিয়ে চাল ৭০% সেদ্ধ করুন।চাল ভেঙে গেলে নামিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।দম দেওয়ার প্রস্তুতি (সুগন্ধের আসল রহস্য) পেঁয়াজ বেরেস্তা – ১ কাপ ঘি – ৩–৪ টেবিল চামচ কেওড়া জল – ১ চা চামচ গোলাপ জল – ১ চা চামচ জাফরান বা মিঠা আতর – সামান্য (ঐচ্ছিক) রান্নার ধাপ (একদম সহজ করে)ধাপ–১চুলায় একটি ভারী তলার পাতিল বসান। পাতিলের তলায় মেরিনেট করা কাঁচা মাংস সমান করে বিছিয়ে দিন।ধাপ–২মাংসের ওপর ভাজা আলু সুন্দর করে সাজান।ধাপ–৩এর ওপর আধা সেদ্ধ চাল ঢেলে সমান করে দিন।ধাপ–৪চালের ওপর ছড়িয়ে দিন— ✔️ বেরেস্তা ✔️ ঘি ✔️ কেওড়া জল ✔️ গোলাপ জল ✔️ আতর বা জাফরান (যদি ব্যবহার করেন)ধাপ–৫পাতিলের মুখ শক্ত করে ঢেকে দিন। (ইচ্ছা করলে ঢাকনার চারপাশে আটার লেই দিয়ে সিল করতে পারেন)দম দেওয়ার নিয়ম (হাজির স্টাইল)- প্রথম ১০ মিনিট – মাঝারি আঁচ- পরের ৪৫–৫০ মিনিট – একদম অল্প আঁচ- এই সময় ঢাকনা খুলবেন নাচুলা বন্ধ করে আরও ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর ধীরে ধীরে নিচ থেকে ওপরে তুলে মেশান।পরিবেশন করুন যেভাবে ঠান্ডা বোরহানি কাঁচা পেঁয়াজ শসা লেবু হালকা মিন্ট-চাটনি হাজিরের স্বাদ পেতে জরুরি টিপস✔️ টমেটো কখনোই দেবেন না ✔️ বেশি ঝাল নয়, সুগন্ধই আসল ✔️ মসলা কম, কিন্তু ব্যালান্স জরুরি ✔️ গরুর মাংস অবশ্যই ফ্রেশ ও হাড়সহউপসংহার পুরান ঢাকার হাজির বিরিয়ানি শুধু একটি খাবার নয়—এটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আবেগের নাম। সঠিক উপকরণ, ধৈর্য আর দমের যত্ন নিলে ঘরেই তৈরি করা সম্ভব হাজির বিরিয়ানির সেই কিংবদন্তি স্বাদ।
১০ জানুয়ারি ২০২৬
কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় ট্রেন চলাচলে ১৪ নির্দেশনা জারি করল রেলওয়ে

কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় ট্রেন চলাচলে ১৪ নির্দেশনা জারি করল রেলওয়ে

আসন্ন শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশার ফলে ট্রেন পরিচালনায় ঝুঁকি বাড়তে পারে জানিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে ১৪টি বিশেষ সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করেছে। ঘন কুয়াশায় সিগন্যাল, লেভেল ক্রসিং বা রেললাইনের প্রতিবন্ধকতা দৃশ্যমান না হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বিবেচনায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি রেলওয়ের ডেপুটি চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পশ্চিম) মোছা. আরফিন নাহার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নির্দেশনাগুলো পাকশী ও লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারদের কাছে পাঠানো হয়।চিঠিতে বলা হয়, শীতকালে বিশেষ করে রাতে কুয়াশার ঘনত্ব বৃদ্ধির কারণে স্টেশন মাস্টার থেকে শুরু করে ট্রেন পরিচালনা–সংশ্লিষ্ট কর্মীরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করবেন। জিআর-৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪ এবং এসআর-২৯, ৩১, ৩২, ৩৫–এর বিধি কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়।কুয়াশায় ট্রেন চলাচলে রেলের ১৪ নির্দেশনা১. সেকশনভিত্তিক কুয়াশার পরিস্থিতি জেনে টিএনএলের ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রয়োজনে লোকোমাস্টারকে কশন অর্ডার (ওপিটি-৮০) পাঠানো। ২. স্টেশন মাস্টাররা লেভেল ক্রসিং চিহ্নিত করে কুয়াশাচ্ছন্ন এলাকায় কশন অর্ডার ইস্যু করবেন। ৩. নিজ স্টেশনে কুয়াশা থাকলে পাশের স্টেশন ও কন্ট্রোল অফিসকে তাৎক্ষণিক জানাতে হবে। ৪. ঘন কুয়াশায় বিধি অনুযায়ী ফগ সিগন্যাল ব্যবহার এবং লেভেল ক্রসিং বন্ধ আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে ট্রেন পার করানো। ৫. লোকোমাস্টার ও গার্ডরা কুয়াশাচ্ছন্ন এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতায় ট্রেন চালাবেন। ৬. রাতে ট্রেন ছাড়ার আগে এলএম ও গার্ডের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে চার্টে লিপিবদ্ধ করতে হবে। ৭. স্টেশন মাস্টার ব্যতীত অন্য কেউ যেন লাইন ক্লিয়ার না দেন—টিএনএলদের এ বিষয়টি যাচাইয়ের নির্দেশ। ৮. পার্শ্ববর্তী স্টেশন মাস্টার ছাড়া কারও সাথে লাইন ক্লিয়ার আদান–প্রদান করা যাবে না। ৯. টেইল ল্যাম্প/বোর্ড ঠিকমতো যুক্ত না থাকলে বা গার্ডের প্রত্যয়ন ছাড়া ট্রেন ইনরিপোর্ট দেওয়া যাবে না। ১০. নন-ইন্টারলকড স্টেশনে দুটি ট্রেনের ক্রসিংয়ে সঠিক পয়েন্ট সেটিং নিশ্চিত করতে হবে। ১১. বিরতিহীন স্টেশনে ক্রসিংয়ের সময় উভয় ট্রেনকে আউটার সিগন্যালে থামিয়ে গুরুত্ব অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া। ১২. শীত মৌসুমে রাতের নৈশ সংকেত পরিদর্শন ঘন ঘন করতে হবে। ১৩. দীর্ঘমেয়াদি কুয়াশার সময়ে জরুরি সেল খোলা ও ঢাকা কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ বাধ্যতামূলক। ১৪. স্টেশনে পর্যাপ্ত ফগ সিগন্যালের মজুত রাখতে হবে এবং ব্যবহারের নিয়ম কঠোরভাবে মানতে হবে।দুর্ঘটনা প্রতিরোধই মূল লক্ষ্য রেলওয়ে বলছে, কুয়াশায় সিগন্যালের আলো ঝাপসা হয়ে যাওয়া বা লেভেল ক্রসিং দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। তাই সুষ্ঠু ও নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে সমস্ত কর্মকর্তা–কর্মচারীকে নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।
২৫ নভেম্বর ২০২৫
অ্যামাজন–আলিবাবায় সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা

অ্যামাজন–আলিবাবায় সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা

বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য বৈশ্বিক ই–কমার্স বাজারে বড় সুযোগ উন্মুক্ত হলো। অনলাইনভিত্তিক রপ্তানি বাড়াতে বিজনেস-টু-বিজনেস-টু-কনজিউমার (বি২বি২সি) মডেলের মাধ্যমে পণ্য রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে উদ্যোক্তারা এখন অ্যামাজন, আলিবাবা, ফ্লিপকার্টসহ আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত ই–কমার্স প্ল্যাটফর্মে সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।কী বলা হয়েছে নতুন প্রজ্ঞাপনে?নতুন নিয়ম অনুযায়ী— দেশের যেকোনো রপ্তানিকারক এখন সুপরিচিত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস, সাবসিডিয়ারি বা তৃতীয় পক্ষের ওয়্যারহাউসের মাধ্যমে পণ্য পাঠাতে পারবেন। বিদেশি কনসাইনি চূড়ান্ত ক্রেতা না হয়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবেও কাজ করতে পারবে। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা আন্তর্জাতিক ওয়্যারহাউসে রেজিস্ট্রেশনের প্রমাণপত্র এডি ব্যাংকে জমা দিতে হবে। বি২বি২সি মডেলে স্বাভাবিক বিক্রয়চুক্তি না থাকায় প্রফর্মা ইনভয়েসের ভিত্তিতে ন্যায্যমূল্য ঘোষণা করা যাবে। ওয়্যারহাউজিং বা অন্যান্য সেবা প্রদানকারী কনসাইনির নামে শিপিং ডকুমেন্ট গ্রহণ করতে পারবে এডি ব্যাংক। রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে নতুন সুবিধাবাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে— রপ্তানি আয় স্বাভাবিক ব্যাংকিং চ্যানেলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সার্ভিস অপারেটর (যেমন PayPal, Payoneer ইত্যাদি) মাধ্যমে পাওয়া যাবে। অনলাইনভিত্তিক রপ্তানিতে একাধিক চালানের অর্থ একত্রে আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে এডি ব্যাংক ফার্স্ট-ইন, ফার্স্ট-আউট (FIFO) নীতিতে রপ্তানি আয় সমন্বয় করবে। কীভাবে উপকৃত হবেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা?নতুন প্রজ্ঞাপনের ফলে— আন্তর্জাতিক বাজারে সরাসরি বিক্রির সুযোগ তৈরি হলো। ব্র্যান্ডিং, মূল্য নির্ধারণ, প্রোডাক্ট ক্যাটালগ—এসব উদ্যোক্তারা নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে রপ্তানির প্রয়োজন কমবে, লাভ বাড়বে। অ্যামাজন–আলিবাবা–ফ্লিপকার্টে নিজস্ব স্টোর খুলে রপ্তানির পথ সহজ হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞদের মতামতখাত–সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তে— আন্তসীমান্ত ই–কমার্স আরও সহজ হবে, বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের উপস্থিতি বাড়বে, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণে বড় ভূমিকা রাখবে, আন্তর্জাতিক ডিজিটাল খুচরা বিক্রিতে বাংলাদেশি পণ্যের অংশগ্রহণ বাড়বে। তাদের মতে, সঠিক প্রস্তুতি, মানসম্মত পণ্য, আধুনিক লজিস্টিকস এবং সময়মতো ডেলিভারি নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ দ্রুতই অনলাইন রপ্তানির বড় খেলোয়াড় হতে পারে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নীতিগত সমর্থন বাংলাদেশের উদ্যোক্তা, বিশেষ করে এসএমই খাতের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে। সরাসরি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল রপ্তানি খাতে নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে।
অর্থনীতি প্রতিবেদক