ঢাকা    শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা    শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
গণবার্তা
সর্বশেষ

শিশুদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশেই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

খুলনা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিশু-কিশোরদের মেধা, প্রতিভা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও বিদেশি ভাষা শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-২৭’ (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বাংলাদেশ তোমাদের গড়তে হবে, তোমাদের তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে শক্তিশালী হিসেবে দাঁড় করাতে হবে। তোমরা প্রত্যেকে একেকজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর এবং এই দেশের মালিক।”শিশু-কিশোরদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তারেক রহমান বলেন, শুধু পড়ালেখা করলেই চলবে না। এর পাশাপাশি প্রত্যেক শিশুকে খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিচর্চায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কারণ, শুধু শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্ব জয় করা সম্ভব নয়। বিশ্বে এগিয়ে যেতে হলে জ্ঞান, খেলাধুলা, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রেই পারদর্শী হতে হবে।তিনি বলেন, “তোমরা পড়ালেখা করে কেউ ডাক্তার হবে, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট কিংবা আইনজীবী হবে। কিন্তু এর পাশাপাশি তোমাদের খেলাধুলা, আর্ট ও কালচারও জানতে হবে।”প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) শিক্ষার্থীরা খেলাধুলার পাশাপাশি নাচ, গানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে, তারা সব ক্ষেত্রেই পারদর্শী হতে পারে। দেশের অন্যান্য শিশু-কিশোরদেরও একইভাবে নিজেদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশে এগিয়ে আসতে হবে।শিশু-কিশোরদের উৎসাহিত করে তিনি বলেন, “তোমরা পারো, ইউ ক্যান ডু ইট। তোমরা পড়ালেখা করতে পারো, খেলাধুলা করতে পারো, একইভাবে শিল্প ও সংস্কৃতিতেও দক্ষতা অর্জন করতে পারো।”নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরে ইতোমধ্যে ১৬ লাখের বেশি শিশু-কিশোর অংশ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী জুন মাসে এ আয়োজনের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। দেশের ৫০০টিরও বেশি উপজেলা, পৌরসভা, জেলা ও বিভিন্ন ইউনিটের শিশু-কিশোররা অনলাইনে এ প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।তিনি বলেন, ১৬ লাখ শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে, দেশের শিশুদের মধ্যে প্রতিভার কোনো অভাব নেই। এখন তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ ও পরিবেশ সৃষ্টি করা সরকারের দায়িত্ব।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শিশুরা নির্বিঘ্নে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবে। এ লক্ষ্যে ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হবে।শিশুদের তৃতীয় একটি বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরও ছয়-সাতটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে প্রত্যেক শিশুকে একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।তিনি বলেন, “তোমরা যদি পড়ালেখায় ভালো হও, খেলাধুলা ও শিল্প-সংস্কৃতিতে দক্ষ হও এবং তৃতীয় একটি বিদেশি ভাষা শিখতে পারো, তাহলে পৃথিবীর কোনো জাতিই তোমাদের আটকে রাখতে পারবে না।”তারেক রহমান বলেন, একদিন বাংলাদেশ এমন একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে, যাকে বিশ্বের সামনে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হবে। তখন অন্য কোনো দেশের উদাহরণ দিতে হবে না; বরং বিশ্ববাসী বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে।শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এই দেশ তোমাদের। তোমাদেরই এই দেশকে গড়ে তুলতে হবে। তোমাদের প্রত্যেককে একেকজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।”উদ্বোধনের বিবরণএর আগে বিকেল পৌনে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।একই সঙ্গে অনলাইনে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিকেএসপির শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরিবেশনা উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া চীনের শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত দেশটির ঐতিহ্যবাহী ড্রাগন ড্যান্স ও লায়ন ড্যান্সও উপভোগ করেন তিনি।স্টেডিয়ামে প্রবেশের পর প্রধানমন্ত্রী গ্যালারিতে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াবিদদের কাছে এগিয়ে যান। তাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে হাজারো শিশু-কিশোর। তারা করতালি ও হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানায়। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। এ সময় স্টেডিয়ামজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।অনুষ্ঠান শেষে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে যান। সেখানে পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করে সমবেত সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও হাত মেলান। বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।প্রতিযোগিতার বিস্তারিতএবারের নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সারা দেশ থেকে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন প্রতিযোগী অনলাইনে নিবন্ধন করেছে। আগের আটটি ইভেন্টের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভলিবল ও টেবিল টেনিস। ফলে মোট ১০টি ক্রীড়া ইভেন্টে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা।‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার প্রথম আসর গত ২ মে সিলেটে উদ্বোধন করা হয়েছিল।চীনা সাংস্কৃতিক পরিবেশনাউদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল চীনের ঐতিহ্যবাহী ড্রাগন ড্যান্স ও লায়ন ড্যান্স পরিবেশনা। চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরের ইউনান মিনজু ইউনিভার্সিটি থেকে আসা একদল শিক্ষার্থী এ পরিবেশনা করেন।বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে চীনা শিক্ষার্থীরা তাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী এই নৃত্য পরিবেশন করেন। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) এবং ইউনান মিনজু ইউনিভার্সিটির মধ্যে ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিনিময় কার্যক্রম চালু রয়েছে। এর আওতায় বিকেএসপির প্রশিক্ষকেরা চীনা বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের ক্রিকেট প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। অন্যদিকে ইউনান মিনজু ইউনিভার্সিটির প্রশিক্ষকেরা বিকেএসপির শিক্ষার্থীদের চীনের ঐতিহ্যবাহী মার্শাল আর্ট উশু প্রশিক্ষণ দেন। পাশাপাশি চীনা প্রশিক্ষকদের কাছ থেকে টেবিল টেনিস, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও ডাইভিংয়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন বিকেএসপির ক্রীড়াবিদেরা।
১১ ঘন্টা আগে

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত শুরু বাংলাদেশের, ভুটানকে ১-০ গোলে হারাল

ঢাকা: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ইব্রাহীম।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই গোলের সুযোগ তৈরি করে বাংলাদেশ। ষষ্ঠ মিনিটে ডান দিক থেকে রাকিব ক্রস বাড়ান বক্সে থাকা বিশ্বনাথের দিকে। তবে বিশ্বনাথের কাছে যাওয়ার আগেই বল ক্লিয়ার করেন ভুটানের ডিফেন্ডার। যদিও বক্সের বাইরে পেয়ে জোরাল শট নেন জামাল ভূঁইয়া। তবে সেই চেষ্টাও রুখে যায় ভুটান রক্ষণে।এরপর ম্যাচের ১৮ মিনিটে আবারও ভালো সুযোগ পায় বাংলাদেশ। রাকিবের ক্রস বিশ্বনাথের নেওয়া হেড পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ২৫ মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন বিশ্বনাথ। ফাঁকায় থাকা জটলার ভেতর বল পেয়ে তা পোস্টের বাইরে মারেন।ম্যাচের ৩৯ মিনিটে আরও একবার বাংলাদেশকে হতাশ করেন বিশ্বনাথ। সামনে ছিলেন শুধু ভুটান গোলকিপার। একটু কোনাকুনি শট, সেটিই লক্ষ্য রাখতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশ।বিরতি থেকে ফিরেও আক্রমণের ধারা অব্যাহত রাখে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পায় স্বাগতিকরা। ডি বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে জড়ান ইব্রাহীম। এতেই লিড পেয়েছে বাংলাদেশ।এরপর ম্যাচে সমতা আনার চেষ্টা করে ভুটান। তবে গোলের দেখা পায়নি তারা। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ দল।উল্লেখ্য, শুরুর একাদশে ছিলেন না ইব্রাহীম। ডিফেন্ডার থেকে স্ট্রাইকার বনে যাওয়া বিশ্বনাথের বদলি হিসেবে ম্যাচের ৬৫ মিনিটে ফর্টিস এফসির এই ফুটবলারকে মাঠে নামান কোচ থমাস ডুলি। এর তিন মিনিট পরই বাংলাদেশকে লিড এনে দেন ইব্রাহীম।ম্যাচ শেষে ডুলি বলেন, “ম্যাচের এক পর্যায়ে দৌড়াতে দৌড়াতে বিশ্বনাথ হাপিয়ে উঠেছিল। বক্সের ওখানে বল ধরে রাখতে পারে এ রকম একজন দরকার ছিল। তাই আমি বিশ্বনাথকে তুলে ইব্রাহিমকে দশ নম্বর পজিশনে এবং সামিতকে একদম ওপরে খেলানোর পরিকল্পনা করি। এতে সামিত গোলের সামনে কিছুটা শক্তি বাঁচিয়ে হেড দিয়ে গোল করার চেষ্টা করবে। আমি ভাবিনি যে ইব্রাহিম নিজেই গোল করে বসবে, ভেবেছিলাম সে হয়তো কাউকে দিয়ে গোল করাবে। তবে ভালো ফুটবলাররা এমন মুহূর্ত তৈরি করতে পারে।”অন্যদিকে, দিক পরীক্ষিত ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ। তবুও তাকে খেলতে হচ্ছে স্ট্রাইকার পজিশনে। বিশ্বনাথকে এমন পজিশনে খেলানো প্রসঙ্গে বাংলাদেশ কোচ বলেন, “বিশ্বনাথ খেলার ক্ষেত্রে খুবই তীব্র। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে তাকে খেলালে পেনাল্টি কিংবা কার্ডের ঝুঁকি থেকে যায়। আমি ভেবেছিলাম তার বিকল্প হতে পারে রাইট ব্যাক। সেখানেও তাকে মাঝে মধ্যে বক্সে আসতে হয়। ফরোয়ার্ড নম্বর নাইন পজিশনে আঘাত পাওয়ার ভয় থাকে কিন্তু বিশ্বনাথ ভয় পায় না। আশা করছিলাম সে গোল পায় যেন, দুর্ভাগ্যবশত পায়নি। তবে তার খেলায় আমি সন্তুষ্ট।”অধিনায়ক তপু বর্মণের শেষ মুহূর্তে ছিটকে যাওয়া নিয়ে ডুলি বলেন, “ওয়ার্ম আপে নামার পর সে অস্বস্তি বোধ করে। তার ফিটনেস ফিফটি ফিফটি ছিল। খেলতে হলে শতভাগ ফিট কিংবা অন্তত ৮০ ভাগ হতে হবে।”
১১ ঘন্টা আগে

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ গড়তে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

মোংলা (বাগেরহাট): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বর্তমান সরকার কাজ করছে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মোংলা বন্দরে জেটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে রূপান্তর করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, রফতানি বহুমুখীকরণ, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং দক্ষ মানবসম্পদকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ব্যবস্থায় জ্বালানি ও খাদ্য সরবরাহ চেইন কার্যকর রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দর জ্বালানি, খাদ্য, কাঁচামাল আমদানি এবং দেশীয় পণ্য রফতানিতে দেশের একটি পরিপূরক হিসেবে জাতীয় অর্থনীতিতে নিরাপত্তা আরও সমৃদ্ধ করবে।এর আগে সকালে মোংলায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।এ উপলক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।এদিকে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ৩০তম ইউএস ট্রেড শো'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ যে নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়েছে, তার আলোকেই ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের শক্তিশালী অর্থনীতি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার ভোগনির্ভর অর্থনীতির পরিবর্তে টেকসই বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে চায়। বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যিক স্বার্থ ও সুবিধা সুসংহত করতে অর্থনৈতিক কূটনীতি আরও জোরদার করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক অঙ্গনে দেশের জন্য নতুন নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বাজার উন্মুক্ত হবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, দেশে মার্কিন ব্যবসায়ী ও কোম্পানিগুলোর স্বাচ্ছন্দ্যময় উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনায় বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করছে সরকার। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত হবে।অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি (গেস্ট অব অনার) হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি উল্লেখ করেন, শ্রমিকদের সার্বিক অধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী শ্রম আইন বাস্তবায়ন জোরদার করা গেলে বাংলাদেশে মার্কিনসহ অন্যান্য বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের বিপুল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিকাশে নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটাবে।উল্লেখ্য, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) এবং ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ বাণিজ্য প্রদর্শনী চলবে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।
০৫ নভেম্বর ২০২৬
হাসান মাহমুদের ইতিহাস: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকারি পেসার

হাসান মাহমুদের ইতিহাস: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকারি পেসার

সিলেট: বাংলাদেশের পেস বোলিং ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের জন্ম দিলেন হাসান মাহমুদ। সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যে দেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকারি পেসার হিসেবে নিজের নাম লিখলেন তিনি। হাসান পেছনে ফেললেন সাবেক গতি তারকা শাহাদাত হোসেনকে।মাত্র ১৯ টেস্টের সংক্ষিপ্ত ক্যারিয়ারেই হাসান গড়েছেন এই অনবদ্য কীর্তি। ৩৮ টেস্টে চারবার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড ছিল শাহাদাতের। আর সেখানে মাত্র অর্ধেক টেস্ট খেলেই পূর্বসূরিকে ছাড়িয়ে গেলেন হাসান।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের প্রথম দিনে জোড়া শিকার ধরেন এ ডানহাতি পেসার। দ্বিতীয় দিনের সকালে আরও তিন উইকেট তুলে নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে পঞ্চমবারের মতো ফাইফারের স্বাদ পান হাসান। ইনিংসে পরে আরও এক উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো ছয় উইকেট শিকারের মাইলফলকও স্পর্শ করেন তিনি, যা দেশের আর কোনো পেসারের নেই।হাসানের এই রেকর্ডের মুকুটে সবচেয়ে উজ্জ্বল রত্ন হলো দেশের বাইরে তার অনন্য ধারাবাহিকতা। তার এই পাঁচটি ফাইফার এসেছে পাঁচটি ভিন্ন দেশে—যা বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে এক বিরল দৃষ্টান্ত। পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি (২০২৪) থেকে শুরু করে ভারতের চেন্নাই, গত আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার ডারউইন, অক্টোবরে আবুধাবিতে হ্যাটট্রিকসহ ফাইফার এবং সবশেষ দেশের মাঠে সিলেটের উইকেটে—বিশ্বের নানা প্রান্তে নিজের বোলিং পসরা প্রসারিত করেছেন তিনি। দীর্ঘ ফরম্যাটে ঘরের মাঠে এটিই তার প্রথম পাঁচ উইকেটের অর্জন।সিলেটের সকালের সেশনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যখন শক্ত অবস্থানে, ঠিক তখনই হাসান দলের ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হন। নতুন বল হাতে নিয়ে পরপর আঘাত হানেন ক্যারিবিয়ান শিবিরে। নতুন বলে নিজের প্রথম ওভারেই আমির জাঙ্গুকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন তিনি। পরের বলে সাজঘরে ফেরান রোস্টন চেজকেও। অল্পের জন্য হ্যাটট্রিকের সুযোগ হাতছাড়া হয় তার। তবুও উইকেটের পেছনে লিটন দাসের অবিশ্বাস্য স্টাম্পিংয়ে জাস্টিন গড়েভসকে ফিরিয়ে নিজের পঞ্চম উইকেট পূর্ণ করেন হাসান।এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে হাসান মাহমুদ বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছেন। তার এই ধারাবাহিকতা যদি চলমান থাকে, তবে ভবিষ্যতে দেশের হয়ে আরও বড় মাইলফলক গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৩ ঘন্টা আগে
ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ গড়তে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ গড়তে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

মোংলা (বাগেরহাট): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বর্তমান সরকার কাজ করছে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মোংলা বন্দরে জেটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে রূপান্তর করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, রফতানি বহুমুখীকরণ, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং দক্ষ মানবসম্পদকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ব্যবস্থায় জ্বালানি ও খাদ্য সরবরাহ চেইন কার্যকর রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দর জ্বালানি, খাদ্য, কাঁচামাল আমদানি এবং দেশীয় পণ্য রফতানিতে দেশের একটি পরিপূরক হিসেবে জাতীয় অর্থনীতিতে নিরাপত্তা আরও সমৃদ্ধ করবে।এর আগে সকালে মোংলায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।এ উপলক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।এদিকে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ৩০তম ইউএস ট্রেড শো'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ যে নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়েছে, তার আলোকেই ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের শক্তিশালী অর্থনীতি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার ভোগনির্ভর অর্থনীতির পরিবর্তে টেকসই বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে চায়। বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যিক স্বার্থ ও সুবিধা সুসংহত করতে অর্থনৈতিক কূটনীতি আরও জোরদার করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক অঙ্গনে দেশের জন্য নতুন নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বাজার উন্মুক্ত হবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, দেশে মার্কিন ব্যবসায়ী ও কোম্পানিগুলোর স্বাচ্ছন্দ্যময় উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনায় বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করছে সরকার। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত হবে।অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি (গেস্ট অব অনার) হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি উল্লেখ করেন, শ্রমিকদের সার্বিক অধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী শ্রম আইন বাস্তবায়ন জোরদার করা গেলে বাংলাদেশে মার্কিনসহ অন্যান্য বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের বিপুল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিকাশে নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটাবে।উল্লেখ্য, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) এবং ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ বাণিজ্য প্রদর্শনী চলবে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।
০৫ নভেম্বর ২০২৬
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে রোমাঞ্চকর জয় ভারতের, শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানের দুঃসাহসিক লড়াই

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে রোমাঞ্চকর জয় ভারতের, শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানের দুঃসাহসিক লড়াই

ঢাকা: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে হয়েছে রোমাঞ্চকর লড়াই। যেখানে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে শেষ হাসি হেসেছে ভারত। শেষ ৩ মিনিটে ২ গোল করেও হার এড়াতে পারেনি পাকিস্তান। ৩-২ গোলের জয়ে টুর্নামেন্টে শুভসূচনা করেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ভারত। তৃতীয় মিনিটেই সুযোগ তৈরি করেন দুই সুহাইল। চতুর্থ মিনিটে প্রথম কর্নারও আদায় করে নেয় দলটি। ১৩ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। উইং থেকে মুহাম্মদ সুহাইলের নিচু ক্রস বক্সে পেয়ে হেডে বল জালে পাঠান সুহাইল আহমেদ ভাট।এর ছয় মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভাট। রিকির দারুণ থ্রু পাস ধরে পাকিস্তানের রক্ষণভাগ ভেঙে বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে গোল করেন মোহনবাগানের এই ফরোয়ার্ড।এরপর ম্যাচের ৩২ মিনিটে ভারতের তৃতীয় গোলটি আসে। নুফালের বাড়ানো বল ধরে এগিয়ে যান পাঞ্জাব এফসির মিডফিল্ডার এম. কিপগেন। এতে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ভারত।বিরতির পরও আক্রমণে এগিয়ে ছিল ভারত। তবে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর কোনো গোলের দেখা পায়নি তারা। কিন্তু যোগ করা সময়ে ম্যাচে নাটকীয়তা ফিরিয়ে আনে পাকিস্তান।৯০ মিনিটে জুনাইদের ক্রস থেকে দারুণ হেডে ব্যবধান কমান নাজিব উল্লাহ। এর মাত্র কয়েক মিনিট পর ৯০ মিনিটের বেশি সময়ে দুর্দান্ত ভলিতে ভারতের জালে বল পাঠান এ. গাজী।মুহূর্তেই স্কোরলাইন ৩-২। শেষ কয়েক মিনিটে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে পাকিস্তানের। তবে শেষ পর্যন্ত আর সমতাসূচক গোল পায়নি তারা। ৩-২ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ভারত।এই জয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ বি-তে তিন পয়েন্ট নিয়ে অভিযান শুরু করল ভারত। ভারতের পরবর্তী প্রতিপক্ষ মালদ্বীপ। সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করতে সেই ম্যাচে হার এড়ানোর লক্ষ্য থাকবে নওশাদ মুসার দলের।
১১ ঘন্টা আগে
১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১ এএম
আপনি কি মনে করেন বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর ও শব্দ বাস্তবায়ন করবে?

আপনি কি মনে করেন বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর ও শব্দ বাস্তবায়ন করবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ আয়ুর্বেদ গবেষণা কেন্দ্র গড়ার প্রস্তাব ভারতীয় হাইকমিশনারের

ভারত-বাংলাদেশ যৌথ আয়ুর্বেদ গবেষণা কেন্দ্র গড়ার প্রস্তাব ভারতীয় হাইকমিশনারের

ঢাকা: আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার একাডেমিক ও পেশাগত জ্ঞান বিনিময়ের জন্য ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বুধবার ঢাকায় ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (আইজিসিসি) আয়োজিত একাদশ আয়ুর্বেদ দিবস পালন অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রস্তাব দেন। বৃহস্পতিবার ভারতীয় হাইকমিশনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বক্তৃতায় সামগ্রিক সুস্থতা ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে চিরায়ত জ্ঞান ব্যবস্থার স্থায়ী প্রাসঙ্গিকতার কথা তুলে ধরেন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ আয়ুর্বেদ গবেষণা কেন্দ্র গড়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ আরও বেশি একাডেমিক ও পেশাদার জ্ঞান বিনিময়ের পথ তৈরি করতে পারে। যার ফলশ্রুতিতে ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে থাকা দীর্ঘমেয়াদি বন্ধন আরও জোরদার হবে।অনুষ্ঠানে আইজিসিসি পরিচালক অ্যান মেরি জর্জ আয়ুর্বেদ দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ আগামীর জন্য আয়ুর্বেদ’ এর ওপর আলোকপাত করেন। আয়ুর্বেদ, যোগ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা (ন্যাচারোপ্যাথি), ইউনানি, সিদ্ধ এবং হোমিওপ্যাথি পদ্ধতির প্রসারে ভারতের আয়ুষ মন্ত্রণালয়ের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি।অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে ছিলেন সরকারি আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি কলেজের অধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান খান, প্রাচী (পিআরএসিএইচআই) সদস্যদের প্রতিনিধি ড. মুখলেসুর রহমান, নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ মামুন মিয়া এবং নারায়ণগঞ্জ আর্টস কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল আলম আজাদ।একাডেমিক সেশনে নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ুর্বেদ চিকিৎসা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. বাবুল আক্তার এবং নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ মামুন মিয়া একটি কর্মশালা পরিচালনা করেন।অনুষ্ঠানে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও। বাংলাদেশি শিল্পী শাহিন সোবহানা সুরভীর তৈরি পশমের ‘গণপতি ট্যাপেস্ট্রির’ প্রতীকী উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক আয়োজনের সূচনা হয়। এ পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন প্রখ্যাত শাস্ত্রীয় ও বাংলা খেয়ালশিল্পী রঞ্জন চন্দ্র সরকার। পরিবেশনা শেষে শিল্পীকে সম্মাননা প্রদান এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নতুন বেতনকাঠামোয় পে ফিক্সেশন শুরু সোমবার, শেষ করতে হবে ২০ অক্টোবরের মধ্যে

নতুন বেতনকাঠামোয় পে ফিক্সেশন শুরু সোমবার, শেষ করতে হবে ২০ অক্টোবরের মধ্যে

ঢাকা: নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের (পে ফিক্সেশন) কাজ শুরু হচ্ছে আগামীকাল সোমবার (৫ অক্টোবর)। আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউলে অনলাইনে এ কাজ করতে হবে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ২০ অক্টোবরের মধ্যে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর পে ফিক্সেশন শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে অনলাইনে শুধু কয়েকটি তথ্য পূরণ করলেই হবে না; আগের বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও উচ্চতর গ্রেডসহ চাকরির বিভিন্ন তথ্যও সঠিকভাবে দিতে হবে।কারণ পে ফিক্সেশনে কোনো তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ থাকলে নতুন মূল বেতন নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে বকেয়া বা এরিয়ার পাওনার হিসাবেও প্রভাব পড়তে পারে।আইবাস প্লাস প্লাসে পে ফিক্সেশন করার আগে চাকরিজীবীদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর, জন্মতারিখ, বর্তমান পদবি ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে থাকা মূল বেতনের তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে।এর পাশাপাশি আগের বেতন নির্ধারণের তথ্য, পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার তথ্য এবং এসবের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি হাতের কাছে রাখতে হবে। আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরও সচল থাকতে হবে।ভুল তথ্য দিলে যা হতে পারেপে ফিক্সেশনের সময় কোনো তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ দিলে বেতন নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নাম, এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও মূল বেতনের তথ্যে ভুল থাকলে তা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেডের তথ্য বাদ পড়লেও নতুন বেতন নির্ধারণের হিসাবে সমস্যা হতে পারে। তাই এসবের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও নথি আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা জরুরি।শুধু অনলাইনে তথ্য পূরণ করলেই পে ফিক্সেশন শেষ হবে না। সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় অনলাইনে দেওয়া তথ্য ও চাকরির নথি যাচাই করবে। তথ্যের সঙ্গে নথির অসংগতি পাওয়া গেলে সংশোধন করতে হতে পারে। তথ্য দিতে কোনো সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়া যাবে।তথ্য দেওয়ার পরও থাকবে যাচাইঅনলাইনে তথ্য পূরণ করে আবেদন জমা দিলেই পে ফিক্সেশন শেষ হবে না। সংশ্লিষ্ট বেতন ও হিসাব পরিশোধ কর্মকর্তার কার্যালয় চাকরির নথির সঙ্গে অনলাইনে দেওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখবে। তথ্য সঠিক থাকলে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।অনুমোদনের পর আইবাস প্লাস প্লাস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বিশেষ যাচাই নম্বর তৈরি হবে। এরপর চাকরির নথিতে যাচাই নম্বর ও নতুন নির্ধারিত বেতন লিপিবদ্ধ করা হবে।অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে মিলতে পারে বকেয়াপে ফিক্সেশন শেষ হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে অক্টোবর মাসের বেতন বিল তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে নতুন ও পুরোনো বেতনের পার্থক্য হিসাব করে প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার নির্ধারণ করা হবে।তবে কে কত টাকা বকেয়া পাবেন, তা সবার ক্ষেত্রে এক হবে না। গ্রেড, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন, নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বেতন এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে।এ কারণে পে ফিক্সেশনের সময় বর্তমান বেতনের পাশাপাশি চাকরির আগের ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট সব নথির তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
২৬ জুলাই ২০২৬
যেসব কর্মচারীরা নতুন বেতনস্কেলের সুবিধা পাবেন না

যেসব কর্মচারীরা নতুন বেতনস্কেলের সুবিধা পাবেন না

২৬ জুলাই ২০২৬
৬৫ বছরের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর এআই দিয়ে ২৯ বছরের ডাক্তার সেজে প্রতারণা

৬৫ বছরের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর এআই দিয়ে ২৯ বছরের ডাক্তার সেজে প্রতারণা

সাংহাই: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছর বয়সী এক চীনা নারীর বিরুদ্ধে। জানা যায়, এআই ব্যবহার করে তৈরি ভিডিও এবং ছবি দিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছে নিজেকে ২৯ বছর বয়সী ডাক্তার হিসেবে উপস্থাপন করেন ওই নারী। আদতে তিনি একজন হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এভাবে পাঁচ মাসে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ইউয়ান হাতিয়ে নেন তিনি।পুলিশ জানিয়েছে, ৬৫ বছর বয়সী ওই নারীর নাম ইউ শিউঝেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভুয়া পরিচয় তৈরি করেছিলেন। এরপর ফেস চেঞ্জিং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেকে সাংহাইয়ের একটি বড় হাসপাতালের চিকিৎসক হিসেবে উপস্থাপন করতেন।প্রায় পাঁচ বছর ধরে ইউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার এআই নির্মিত ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। তার ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার।সাংহাইভিত্তিক একজন নির্মাণ ঠিকাদার লিউ হুই ২০২১ সালে তার ভুয়া অ্যাকাউন্টটি দেখতে পান। ইউ তাকে জানান যে, হাসপাতালে তার পদমর্যাদার কারণে তিনি বড় নির্মাণকাজের চুক্তি পাইয়ে দিতে সাহায্য করতে পারবেন।ব্যবসায়িক সুবিধা পাওয়ার আশায় লিউ ইউয়ের সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ বাড়াতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে লিউ বারবার দেখা করা বা ভিডিও কলে কথা বলার অনুরোধ করলেও ইউ প্রতিবারই ভিন্ন ভিন্ন অজুহাতে তা প্রত্যাখ্যান করতেন।পরে ইউ আরও একটি ভুয়া পরিচয় তৈরি করেন। এবার তিনি নিজেকে লিউয়ের কথিত প্রেমিকার মা হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি লিউকে জানান যে, তার মা এই সম্পর্কের বিরোধিতা করছেন। এরপর ভুয়া মা সেজে তিনি লিউয়ের কাছে তিন লাখ ইউয়ান বিয়ের যৌতুক দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় এলাকায় একটি বাড়ি কেনার দাবি করেন।লিউ তার কথা বিশ্বাস করে পাঁচ মাসে মোট ১ লাখ ৭০ হাজার ইউয়ান তাকে পাঠান। কিন্তু কোনো ব্যবসায়িক চুক্তি না আসায় তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তদন্তের সময় পুলিশ ইউকে শনাক্ত করে জানতে পারে যে তিনি আসলে ৬৫ বছর বয়সী একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পুলিশ আরও জানতে পারে, এর আগে তিনি একটি প্রতারণার মামলাতেও জড়িত ছিলেন।পুলিশ জানিয়েছে, ইউয়ের আসল মা কয়েক বছর আগেই মারা গেছেন। প্রতারণার মাধ্যমে পাওয়া অর্থ তিনি কসমেটিক সার্জারি, দামি ত্বকের যত্নের পণ্য এবং নতুন পোশাক কেনার পেছনে খরচ করেন। পরে পুলিশ ইউয়ের ভিডিওগুলো পরীক্ষা করে দেখতে পায়, ভিডিওগুলোর মধ্যে ছোট একটি সতর্কবার্তা দেওয়া ছিল। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, ভিডিওগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।পুলিশ যখন লিউকে ওই সতর্কবার্তাটি দেখায়, তখন তিনি জানান যে আধুনিক এআই প্রযুক্তি সম্পর্কে তিনি খুব বেশি জানতেন না। ফলে ভিডিওতে থাকা সতর্কবার্তাটি তার নজরে পড়েনি।
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
ভঙ্গুর এভিয়েশন খাত পেয়েছে বর্তমান সরকার: বিমানমন্ত্রী

ভঙ্গুর এভিয়েশন খাত পেয়েছে বর্তমান সরকার: বিমানমন্ত্রী

বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর একটি ভঙ্গুর ও বিশৃঙ্খল এভিয়েশন খাত পেয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, ‘অতীতে এভিয়েশন খাতে যাত্রী হয়রানির তিক্ত অভিজ্ঞতা ছিল, এসব সমাধানই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।’শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কুর্মিটোলার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে দৈনিক বণিক বার্তার ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বমানের এভিয়েশন’ শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে এসব কথা বলেন তিনি।মন্ত্রী জানান, বিমানবন্দরের সেবার মানোন্নয়ন ও যাত্রী ভোগান্তি কমাতে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের মতো প্রযুক্তিগত সংস্কার আনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ পেতে একসময় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো। আমি পরিদর্শনে গিয়ে নির্দেশনা দিয়েছি—যাত্রীরা নামার সঙ্গে সঙ্গেই কার্গোর দরজাও খুলতে হবে, যাতে ২০ মিনিটের মধ্যে সব লাগেজ বেল্টে চলে আসে। খোঁজ নিয়ে দেখেছি, এখন ৪০ মিনিটের বেশি সময় লাগছে না।’রশিদুজ্জামান আরও জানান, আগের সরকার জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে প্রকল্প বাতিল করে ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বর্তমান সরকার জাপানের সঙ্গে পাঁচবার বৈঠক করে সেই প্রকল্প পুনর্বহাল করেছে। ভবিষ্যতে কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু এবং পিপিপি মডেলের মাধ্যমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ‘বাজেট এয়ারক্রাফট’ বা সাশ্রয়ী উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে বলেও তিনি জানান।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘গত ১৫-১৬ বছরে দেশে গণতন্ত্র না থাকায় এভিয়েশন খাতে কোনো উপযুক্ত নীতি-পরিবেশ তৈরি হয়নি। তবে সরকার আগামী পাঁচ বছরে এ খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।’তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে অবকাঠামোর আধুনিকায়ন ও জাতীয় এয়ারলাইনকে শক্তিশালী করতে হবে।শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরে এর ‘সফট ওপেনিং’ এবং আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। টার্মিনালটি চালু হলে বছরে ১ কোটি ২০ লাখ যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা তৈরি হবে।তিনি বলেন, ‘আগের সরকারের তুলনায় এবার আমরা এমন একটি “উইন-উইন” চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছি, যেখানে বাংলাদেশের রাজস্বের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।’কনক্লেভে ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বমানের এভিয়েশন’ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হোসেন। এ ছাড়া উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বেবিচকের সদস্য এয়ার কমডোর মো. নূর-ই-আলম, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের এমডি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, টাস গ্রুপের চেয়ারম্যান কে. এম. মুজিবুল হক এবং ঢাকা ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।দৈনিক বণিক বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এভিয়েশন খাতের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের রূপরেখা নিয়ে দেশি-বিদেশি চার শতাধিক প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।
২৬ জুলাই ২০২৬
শেখ নূর কুতুব আলম: বাংলার আধ্যাত্মিক নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

শেখ নূর কুতুব আলম: বাংলার আধ্যাত্মিক নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

বাংলার মধ্যযুগীয় ইতিহাসে পান্ডুয়া ছিল জ্ঞান, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক সাধনার অন্যতম কেন্দ্র। এই শহরের খানকাগুলোতে যেমন ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার লাভ করত, তেমনি এখান থেকেই সমাজজীবনে নৈতিক নেতৃত্বও গড়ে উঠত। ১৩৫০ সালের কিছু আগে তৎকালীন বাংলার রাজধানী পান্ডুয়ায় তার জন্ম। তার প্রকৃত নাম নূরুদ্দীন নূরুল হক। ‘নূর কুতুবুল আলম’ তার উপাধি।তার পিতা ছিলেন বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলেম ও সুফি শায়খ আলাউল হক। বংশপরিচয়ও ছিল সম্মানজনক—তিনি লাহোরের প্রসিদ্ধ সাধক শেখ আসাদের পৌত্র। পিতার মতো তিনি ছিলেন চিশতিয়া তরিকার একজন বিশিষ্ট পীর। ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ ছিলেন তার সহপাঠী ও বন্ধু। কিন্তু বংশগৌরবের চেয়েও বড় ছিল তার ব্যক্তিত্ব, জ্ঞান, দূরদর্শিতা এবং মানুষের জন্য আত্মনিবেদিত জীবন।ব্যক্তিগত জীবন ও আধ্যাত্মিক সাধনানূর কুতুব আলম তাঁর পিতার আমল থেকে সব ধরনের কায়িক শ্রমের অভ্যাস করতেন। দরগায় আগত ফকিরদের কাপড় ধোয়া, লাকড়ি ও পানি বহন, শীতকালে পীরের অজু করার জন্য সর্বদা পানি গরম রাখা, এমনকি খানকাহসংলগ্ন শৌচাগার পরিষ্কার করা প্রভৃতি কাজে তিনি নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন।আজকের সময়ে নেতৃত্বকে আমরা প্রায়ই ক্ষমতা, প্রভাব কিংবা সামাজিক মর্যাদার সঙ্গে মিলিয়ে দেখি। অথচ নূর কুতুব আলমের জীবন আমাদের শেখায়, প্রকৃত নেতৃত্ব শুরু হয় সেবার মাধ্যমে। যে মানুষ নিজের হাতে মানুষের কষ্ট লাঘব করতে পারে, তিনিই প্রকৃত অর্থে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারেন।রাজনৈতিক সংকটে নূর কুতুব আলমের ভূমিকানূর কুতুব আলমের জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় রচিত হয় এক ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকটের সময়। ১৪১৫ খ্রিস্টাব্দে রাজা গণেশ নামক একজন হিন্দু শাসক ইলিয়াস শাহি বংশ উত্খাত করে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। তিনি মুসলমানের ওপর নজিরবিহীন জুলুম-নির্যাতন শুরু করেন। এমনকি শায়খ ও আলেমদের ওপর অবর্ণনীয় অত্যাচার শুরু করেন।বিশেষ করে ধর্মীয় নেতৃত্ব, আলেম-ওলামা এবং সাধারণ মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ বিভিন্ন ঐতিহাসিক গ্রন্থে উল্লেখিত হয়েছে। বাংলার মুসলিম সমাজ গভীর অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে পড়ে।এই পরিস্থিতিতে শেখ নূর কুতুব আলম নীরব থাকেননি। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, কেবল খানকায় বসে ইবাদত করাই একজন আধ্যাত্মিক নেতার একমাত্র দায়িত্ব নয়; মানুষের জীবন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্যও এগিয়ে আসতে হয়। তার এই অবস্থান প্রমাণ করে, ইসলামী আধ্যাত্মিকতার প্রকৃত শিক্ষা সমাজবিমুখতা নয়; বরং মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন।কূটনৈতিক পদক্ষেপ ও রাজা গণেশের সাথে সমঝোতাবাংলার মুসলমানদের রক্ষার জন্য তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি জৌনপুরের সুলতান ইবরাহিম শর্কিকে বাংলা আক্রমণ করে বাংলাকে গণেশের হাত থেকে রক্ষা করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লেখেন। একই সঙ্গে তিনি প্রসিদ্ধ সুফি ব্যক্তিত্ব মীর সৈয়দ আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানিকেও অনুরোধ করেন, যেন তিনিও ইবরাহিম শর্কিকে বাংলার মুসলমানদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করেন।সুলতান ইবরাহিম শর্কি এই অনুরোধ রক্ষা করে বাংলা আক্রমণের উদ্দেশ্যে পিরোজপুর এসে শিবির স্থাপন করেন। রাজা গণেশ এতে ভয় পেয়ে নূর কুতুব আলমের কাছে আত্মসমর্পণ করেন এবং তাঁকে ক্ষমা করে ইবরাহিম শর্কিকে জৌনপুরে ফিরে যেতে বলার অনুরোধ জানান।কিন্তু নূর কুতুব আলম এতে সম্মত হননি। তিনি জানিয়ে দেন, একজন মুসলিম শাসককে কোনো অমুসলিম শাসকের পক্ষ নিয়ে তিনি ফিরিয়ে দিতে পারেন না। বরং পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি রাজা গণেশকে ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানান। গণেশ তাতে সম্মত হন, কিন্তু বিস্তারিত শুনে তাঁর রানি এতে বাধা দেন। গণেশ তখন তার ১২ বছরের ছেলে যদুকে নিয়ে শায়খের কাছে আসেন। যদুকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করে 'জালালুদ্দীন' নাম দেওয়া হয় এবং গণেশ তার পক্ষে সিংহাসন ত্যাগ করেন।এই ঘটনার মধ্য দিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয় এবং বাংলার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অন্তত সাময়িকভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।পরবর্তী পরিস্থিতি ও নূর কুতুব আলমের দূরদর্শিতাশায়খের মৃত্যুর পর গণেশ অবশ্য যদুকে হিন্দু ধর্মে পুনরায় দীক্ষিত করে নিজে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন। কিন্তু রাজা গণেশের মৃত্যু হলে যদু জালালুদ্দীন মুহাম্মদ শাহ উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং বাংলার মুসলিম শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।এই ঘটনাপ্রবাহে নূর কুতুব আলমের দূরদর্শিতার প্রতিফলন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি হয়তো জানতেন, একটি সংকটময় সময়ে আপসের মধ্য দিয়েও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার পথ তৈরি করা যায়।রচিত গ্রন্থসমূহ ও আধ্যাত্মিক উত্তরসূরিতিনি শুধু নিজের আধ্যাত্মিক সাধনায় সীমাবদ্ধ থাকেননি; পরবর্তী প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রতিও ছিলেন সমান মনোযোগী। তাঁর রচিত গ্রন্থ সংখ্যা ১২১টি। সেগুলো তার প্রধান মুরিদ ও খলিফা হুসামুদ্দিন মানিকপুরী সম্পাদনা করেন। তন্মধ্যে বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ হলো মুগিসুল ফুকারা ও আনিসুল গুরাবা।মুগিসুল ফুকারার একটি পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে বিহারের ভাগলপুরের খলিফাবাগ একটি প্রাইভেট লাইব্রেরিতে। আরেকটি অসম্পূর্ণ কপি সংরক্ষিত আছে এশিয়াটিক সোসাইটি অব বেঙ্গল কলিকাতার লাইব্রেরিতে (সংগ্রহ নং- ৪৬৬)। সেখানে আনিসুল গুরাবা বইটির ২টি কপি সংরক্ষিত আছে (সংগ্রহ নং: ১২১২ ও ১২১৩)।তিনি তাঁর দুই পুত্র শেখ রাফকাতউদ্দীন এবং শেখ আনোয়ারকে আধ্যাত্মিক শিক্ষা দেন। সম্ভবত পিতার জীবদ্দশায় শেখ আনোয়ার রাজা গণেশের হাতে সোনারগাঁয়ে শহীদ হন। শেখ নূর কুতুব আলমের অন্য আর একজন প্রধান মুরিদ ছিলেন শেখ হুসামুদ্দীন মানিকপুরী।পত্র সংকলন ও ঐতিহাসিক দলিলনূর কুতুব আলমের ১৩টি পত্রের একটি গ্রন্থ সম্পাদনা করেন মুহাদ্দিস আব্দুল হক দেহলভী। যে গ্রন্থের নাম মাকতুবাত ই নূর কুতুবুল আলম। এটি দিল্লির ইন্ডিয়ান আর্কাইভে সংরক্ষিত আছে। এই পত্রগুলো থেকে সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।সুলতানদের শ্রদ্ধা ও দরগাহের গুরুত্বশেখ নূর কুতুব আলমের প্রতি পরবর্তী সুলতানদের শ্রদ্ধাও ছিল অসাধারণ। তার দরগাহ সংলগ্ন সরাইখানা ও মাদরাসার ব্যয় নির্বাহের জন্য সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ কয়েকটি গ্রাম দান করেন। দরবেশের মাজার জিয়ারতের জন্য সুলতান বছরে একবার রাজধানী শহর একডালা থেকে পান্ডুয়ায় আসতেন।শায়খ নূর কুতুব আলম পান্ডুয়ার পীর-আউলিয়ার মধ্যে শীর্ষ মর্যাদার অধিকারীদের অন্যতম। পিতা-পুত্র দুজনই পান্ডুয়ার বিখ্যাত শাশ হাজারি দরগায় শায়িত আছেন। পিতার মতো তিনি চিশতিয়া মতাদর্শের পীর ছিলেন। তাঁর অনুসারী শিষ্যকুল ও দরবেশরা কয়েক শতক ধরে বাংলায় মুসলিম সমাজজীবনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।ঐতিহাসিক দৃষ্টিতে শায়খ নূর কুতুব আলমের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান বাংলার মুসলিম শাসন রাজা গণেশের হাত থেকে রক্ষা করা।মৃত্যুশেখ নূর কুতুব আলম ৮১৮ হিজরি বা ১৪১৫ খ্রিস্টাব্দে (বাংলাপিডিয়া ও উইকিপিডিয়া মতে) ইন্তেকাল করেন। তবে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৪৪৭ সালের ৭ জানুয়ারি তার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। তার ইন্তেকালের সঙ্গে একটি সুন্দর ফারসি অভিব্যক্তি যুক্ত হয়েছে—"নূর বানূর-শুদ", অর্থাৎ "আলো আলোতে বিলীন হয়ে গেল।"এই বাক্যটি যেন তার সমগ্র জীবনেরই প্রতীক। তিনি এমন এক আলোকবর্তিকা ছিলেন, যিনি নিজের জন্য নয়, মানুষের পথ আলোকিত করার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।ইতিহাসে বহু রাজা এসেছেন, বহু সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে এবং বিলীন হয়েছে। কিন্তু যারা মানুষের হৃদয়ে নৈতিকতার আলো জ্বালিয়ে দেন, তাদের স্মৃতি যুগের পর যুগ অম্লান থাকে। শেখ নূর কুতুব আলম সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন, যার জীবন বাংলার ইতিহাসে আধ্যাত্মিক নেতৃত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নৈতিক সাহসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আজও আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, শায়েখ আব্দুল হক দেহলভী, আকবারুল উখিয়া ফি আসরারুল আবরার, সোস্যাল হিস্টোরি অফ দ্যা মুসলিম ইন ব্যাঙ্গাল।
ফিরোজ আল মামুন