গণবার্তা – সর্বশেষ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্লেষণ ও রিয়েল টাইম আপডেট
সর্বশেষ

ইরানের ড্রোন হেডকোয়ার্টারে হামলার দাবি ইসরায়েলের

 ইরানের ড্রোন হেডকোয়ার্টার লক্ষ্য করে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার (৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এ তথ্য জানিয়েছে।আইডিএফের দাবি অনুযায়ী, তাদের বিমানবাহিনী ইরানের বিভিন্ন স্থানে সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন ডজনখানেক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) একটি ড্রোন হেডকোয়ার্টারও ছিল। ওই স্থাপনাটি থেকে আগে ইসরায়েলের দিকে ড্রোন পাঠানো হয়েছিল এবং আরও কিছু ড্রোন সেখান থেকে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা ছিল বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।হামলায় একাধিক ড্রোন সংরক্ষণাগার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইডিএফ।টানা ১০ দিনের হামলায় ধ্বংসস্তূপ তেহরানইরানে ইসরায়েলের টানা ১০ দিনের হামলায় বহু স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে, যার মধ্যে বেসামরিক স্থাপনাও রয়েছে। তেহরানজুড়ে এখন শুধু ধ্বংসের চিহ্ন। তবে পাল্টা জবাব দিয়ে যাচ্ছে ইরান। ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনা ও ঘাঁটিতে হামলার পাশাপাশি উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান।উপসাগরীয় দেশগুলো যুদ্ধের ঘেরাটোপেএই যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও লেবানন। এসব দেশ ইরানে হামলা না করলেও ইরান থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করতে হচ্ছে তাদের। পরিস্থিতি ক্রমেই আরও বিপর্যয়কর হয়ে উঠছে।মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের আঁচ লাগতে শুরু করেছে পুরো ইউরোপে। বাড়ছে জ্বালানির দাম, সেই সঙ্গে মূল্যস্ফীতিও লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ইতিমধ্যে ২৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ২০২২ সালের মাঝামাঝির পর সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগতে পারে এবং ইউরোপ জ্বালানি সঙ্কটের মুখে পড়তে পারে।
১৬ ঘন্টা আগে

জাকাত বণ্টনে পরামর্শ নিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শায়খ আহমাদুল্লাহর বৈঠক

জাকাত কার্যকরভাবে বণ্টনের বিষয়ে পরামর্শ নিতে জনপ্রিয় ইসলামিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজকর্মী শায়খ আহমাদুল্লাহকে সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে ডেকেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। এসময় তার পাশে ছিলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।বৈঠকের উদ্দেশ্যশায়খ আহমাদুল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে জাকাতকে আরও কার্যকরভাবে বণ্টনের উপায় নিয়ে পরামর্শ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে জাকাত সংগ্রহের যে অপার সম্ভাবনা আছে, সেই সম্ভাবনা ব্যবহার করে দারিদ্র্য বিচ্ছিন্নতায় জাকাতকে প্রত্যক্ষভাবে কীভাবে যুক্ত করা যায় এবং আরও সফলভাবে জাকাত ব্যবস্থাপনা করা যায়, সে বিষয়ে পরামর্শ এবং মতবিনিময়ের জন্য তিনি আমাকে ডেকেছেন।”আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের অভিজ্ঞতাশায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, তারা আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে জাকাত নিয়ে কাজ করছেন গত ছয়-সাত বছর ধরে। শুধু গত এক বছরের হিসাব অনুযায়ী, তারা ১৩ কোটি টাকা ব্যয় করে দুই হাজার ১০০ বেকার তরুণ-তরুণীকে পৃথকভাবে দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এখন সেই বেকার তরুণরা গত এক বছরে ৪২ কোটি টাকা আয় করেছেন। প্রতি বছর এটি ধীরে ধীরে বাড়বে।“জাকাতের অর্থে দক্ষতা উন্নয়ন করে বা স্বাবলম্বী করে স্থায়ী দারিদ্র্য বিচ্ছিন্নতার পথে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের কিছু অভিজ্ঞতার জায়গা আছে। সেই জায়গা থেকে আমরা কিছু পরামর্শ, কিছু মত দেওয়ার চেষ্টা করেছি প্রধানমন্ত্রীকে এবং সেই মতগুলো তিনি শুনে খুবই খুশি হয়েছেন,” যোগ করেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠনতিনি জানান, সরকারের জায়গা থেকে কীভাবে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খলভাবে জাকাত বণ্টন করা যায়, সেই সম্ভাবনাগুলো খুঁজে বের করার জন্য ধর্মমন্ত্রী এবং অন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “একটি কমিটির প্রস্তাব করেছেন তিনি। সেখানে আমাকেও থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন। আমি উনাকে সবিনয়ে বলেছি যে এখানে বায়তুল মোকাররমের খতিব আছেন, আরও অনেকে আছেন, তারপরও তার একান্ত অনুরোধে ইনশাআল্লাহ আমি হয়তো থাকার চেষ্টা করবো।”প্রস্তাবিত কমিটিতে কতজন থাকবে সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি জানিয়ে এই ইসলামি বক্তা বলেন, “পাঁচ-সাতজনের কমিটি হবে। ধর্মমন্ত্রীর সভাপতিত্বে কমিটি হবে এবং বায়তুল মোকাররমের খতিব থাকবেন। আর আমাকে যেহেতু তিনি (প্রধানমন্ত্রী) অনুরোধ করেছেন, আমি হয়তো থাকার চেষ্টা করবো। সেই সঙ্গে ইসলামি অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমরা দেশ থেকে, দেশের বাইরে থেকে এক-দুজনের নাম প্রস্তাব করেছি। তাদের সবাইকে নিয়ে হয়তো কমিটি গঠন হবে। কমিটি সুপারিশ করবে।”নীতি নির্ধারণ ও বিদেশি জাকাত সংগ্রহনিজের প্রস্তাব তুলে ধরে তিনি জানান, এখন মানুষ যার যার মতো জাকাত দিচ্ছে। এটা তো আছেই। পাশাপাশি দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো জাকাত সংগ্রহ করছে। নিয়ন্ত্রণের জায়গা থেকে তাদের জন্য সরকারের উচিত কিছু নীতি তৈরি করে দেওয়া। সেই সঙ্গে কে কত কার্যকরভাবে কাজ করছে এর একটি প্রতিযোগিতা দেখা দরকার।বিদেশ থেকে জাকাত সংগ্রহের বিষয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “শুধু ওআইসিভুক্ত (ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা) দেশগুলোতে যে পরিমাণ জাকাত হয় সেটা হলো ৬০০ বিলিয়ন ডলার প্রতি বছর। আমাদের দেশে সেই জাকাতের টাকা আনার কোনো যথাযথ পথ সেভাবে নাই। আমরা প্রস্তাব দিয়েছি যে যদি সেটাকে আনার ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে জাতীয় অর্থনীতিতে এটা ব্যাপক ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ।”তার মতে, সাময়িক কিছু টাকা-পয়সা দিয়ে কারও দারিদ্র্য আসলে দূর করা যায় না। দরকার তার দক্ষতা উন্নয়ন করে দেওয়া অথবা তাকে স্বাবলম্বী করার কোনো একটি প্রক্রিয়ায় যাওয়া, যা আস-সুন্নাহ থেকে করা হচ্ছে।সরকার সবার কাছ থেকে জাকাত সংগ্রহ করবে, এটি বাধ্যতামূলক সরকারকে দিতে হবে— ব্যাপারটি সেরকম নয় জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার প্রস্তাব ছিল- জাকাত বিভিন্ন সংস্থা নিচ্ছে, প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, এখন শুধু নীতিগত জায়গা থেকে সরকার কাজ করবে যে এর যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে কি না।”
১৬ ঘন্টা আগে

ঈদুল ফিতরে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সব ব্যাংকের এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সচল রাখতে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), ই-পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসসহ সব ধরনের সেবায় নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।সোমবার (৯ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।এটিএম বুথে কী নির্দেশনাপ্রজ্ঞাপনে ব্যাংকগুলোকে নিম্নলিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—এটিএম বুথগুলো সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবেকারিগরি ত্রুটি হলে দ্রুত সমাধান করতে হবেবুথে নিরাপত্তা জোরদার করতে পাহারাদারদের সতর্ক অবস্থানে রাখতে হবেগ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবেডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সচল রাখার নির্দেশনাগ্রাহকদের সুবিধার্থে পিওএস সেবাও নিরবচ্ছিন্ন রাখতে হবে। জালিয়াতি প্রতিরোধে মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের সচেতন করার জন্যও ব্যাংকগুলোকে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।এছাড়া ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে কার্ডভিত্তিক ‘কার্ড নট প্রেজেন্ট’ ও অ্যাকাউন্টভিত্তিক লেনদেনে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ ব্যবস্থা চালু রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসবিকাশ, রকেট, নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে যে কোনো অঙ্কের লেনদেনের তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানাতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শহরে আসা মানুষ এবং ছুটিতে বাড়ি ফেরা মানুষের মধ্যে নগদ লেনদেনের চাহিদা বেড়ে যায়। এই চাহিদা মেটাতে এবং ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সচল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
২০ ঘন্টা আগে
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন: ৩৭ হাজার নারীপ্রধান পরিবার পাচ্ছে মাসিক ভাতা

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন: ৩৭ হাজার নারীপ্রধান পরিবার পাচ্ছে মাসিক ভাতা

নিম্নআয়ের নারীপ্রধান পরিবারের জন্য সরকারের নতুন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি 'ফ্যামিলি কার্ড' উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড আজ স্বপ্ন নয়। ফ্যামিলি কার্ড আজ সবার দোরগোড়ায়। ফ্যামিলি কার্ড একটি ভরসার নাম, আস্থার নাম।"তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ নিম্নআয়ের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচির আওতায় সরকার মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে উপকারভোগী পরিবারগুলোকে ভাতা দেবে। ভাতা দেওয়া হবে উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে। তারা ঘরে বসেই এই ভাতা পাবেন।অনুষ্ঠানে রাজধানীর কড়াইল, সাততলা বস্তি ও ভাষাণটেকের ১৫ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।পরীক্ষামূলক পর্যায়ে 'ফ্যামিলি কার্ড' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলো হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাই করা হয়। এতে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক পাওয়া গেছে।তবে একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা নিচ্ছেন, সরকারি চাকরি করছেন বা পেনশনভোগী আছেন—এসব বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।কর্মসূচিটি পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন করে এর ফলাফল বিশ্লেষণ করে পরবর্তীতে দেশব্যাপী সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
১ ঘন্টা আগে
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন: ৩৭ হাজার নারীপ্রধান পরিবার পাচ্ছে মাসিক ভাতা

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন: ৩৭ হাজার নারীপ্রধান পরিবার পাচ্ছে মাসিক ভাতা

নিম্নআয়ের নারীপ্রধান পরিবারের জন্য সরকারের নতুন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি 'ফ্যামিলি কার্ড' উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড আজ স্বপ্ন নয়। ফ্যামিলি কার্ড আজ সবার দোরগোড়ায়। ফ্যামিলি কার্ড একটি ভরসার নাম, আস্থার নাম।"তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ নিম্নআয়ের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচির আওতায় সরকার মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে উপকারভোগী পরিবারগুলোকে ভাতা দেবে। ভাতা দেওয়া হবে উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে। তারা ঘরে বসেই এই ভাতা পাবেন।অনুষ্ঠানে রাজধানীর কড়াইল, সাততলা বস্তি ও ভাষাণটেকের ১৫ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।পরীক্ষামূলক পর্যায়ে 'ফ্যামিলি কার্ড' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলো হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাই করা হয়। এতে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক পাওয়া গেছে।তবে একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা নিচ্ছেন, সরকারি চাকরি করছেন বা পেনশনভোগী আছেন—এসব বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।কর্মসূচিটি পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন করে এর ফলাফল বিশ্লেষণ করে পরবর্তীতে দেশব্যাপী সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
১ ঘন্টা আগে
যুদ্ধ শেষ হবে আমাদের হাতেই, ট্রাম্পকে পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের

যুদ্ধ শেষ হবে আমাদের হাতেই, ট্রাম্পকে পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ কবে শেষ হবে, তা ইরানই নির্ধারণ করবে বলে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়ার পর মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে পাল্টা এই অবস্থান জানালো তেহরান।বিবৃতিতে রেভল্যুশনারি গার্ডস বলেছে, আমরাই এই যুদ্ধের সমাপ্তি নির্ধারণ করব। এই অঞ্চলের সমীকরণ এবং ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি এখন আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে; মার্কিন বাহিনী এই যুদ্ধ শেষ করতে পারবে না।ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত পৃথক এক বিবৃতিতে আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে এই অঞ্চল থেকে কোনও তেল রফতানি করতে দেওয়া হবে না। বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানান, ইরানের ওপর হামলা চললে এক লিটার তেলও রফতানি হতে দেবে না তেহরান।ইরানের এমন হুমকির বিপরীতে আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ বন্ধের কোনও চেষ্টা করা হলে ইরানকে ‘মৃত্যু, আগুন ও ক্রোধের’ মুখোমুখি হতে হবে। ট্রাম্প আরও হুমকি দেন যে, ইরান যদি তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায়, তবে তাদের ওপর আগের চেয়ে ‘২০ গুণ শক্তিশালী’ হামলা চালানো হবে।এদিকে রেভল্যুশনারি গার্ডস দাবি করেছে, তাদের বাহিনী ইতোমধ্যে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি উন্নত রাডার সিস্টেম এবং বেশ কিছু দামি ড্রোন ধ্বংস করেছে। ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে, ট্রাম্পের এমন দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা’ বলে আখ্যা দিয়েছে আইআরজিসি।একই সঙ্গে ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কমিয়ে দিয়েছে বলে যে গুঞ্জন রয়েছে, তাও প্রত্যাখ্যান করেছে বাহিনীটি। তারা জানিয়েছে, বর্তমানে ইরান আরও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করছে, যার একেকটি ওয়ারহেডের ওজন এক টনেরও বেশি।সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
৪৭ মিনিট আগে
৯ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৬ পিএম
বন্দি বিনিময় চুক্তিতে হাদি হত্যার আসামিদের ভারত থেকে ফিরিয়ে আনা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

বন্দি বিনিময় চুক্তিতে হাদি হত্যার আসামিদের ভারত থেকে ফিরিয়ে আনা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে, ৮০ হাজারই নারী: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে, ৮০ হাজারই নারী: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব ও সার্বজনীন করতে সরকার ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৮০ হাজার পদে নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত 'বাংলাদেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্যের পথে' শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, "তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। যাদের একটি বড় অংশ হবে নারী। আমরা নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি, কারণ তারা পরিবার ও সমাজে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।"এ সময় তিনি দেশে 'ই-হেলথ কার্ড' চালুর কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এর বাস্তবায়ন কাঠামো গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। দুর্নীতির অস্তিত্ব স্বীকারস্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির অস্তিত্ব স্বীকার করে নিয়ে ডা. এম এ মুহিত বলেন, "দুর্নীতি নিয়ে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে এবং প্রতিকারে কাজ করতে হবে। সঠিক তদারকি না থাকলে যেকোনো ভালো পরিকল্পনাও দুর্নীতির কবলে পড়ে হারিয়ে যেতে পারে। তাই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য শক্তিশালী তদারকি ব্যবস্থা বা পাইপলাইনিং গড়ে তোলা জরুরি।"হাসপাতালগুলোতে রোগীদের ভোগান্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, "দালালদের দৌরাত্ম্য এবং চিকিৎসকদের কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিত না থাকার কারণে সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকার এসব সমস্যা সমাধানে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।" বিশেষজ্ঞদের মতামতঅনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যখাতের বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তারা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বক্তারা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দেন।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তৃণমূল পর্যায়ে এত বিপুল সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং সাধারণ মানুষ সহজেই চিকিৎসাসেবা পাবে।যা থাকছে নতুন নিয়োগেসরকারের এই উদ্যোগের আওতায়— মোট নিয়োগ: ১ লাখনারী স্বাস্থ্যকর্মী: ৮০ হাজার (অগ্রাধিকার ভিত্তিতে)পুরুষ স্বাস্থ্যকর্মী: ২০ হাজারকর্মস্থল: তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালউদ্দেশ্য: প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনবান্ধব ও সার্বজনীন করা
০৭ মার্চ ২০২৬
ঈদুল ফিতরে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

ঈদুল ফিতরে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সব ব্যাংকের এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সচল রাখতে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), ই-পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসসহ সব ধরনের সেবায় নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।সোমবার (৯ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।এটিএম বুথে কী নির্দেশনাপ্রজ্ঞাপনে ব্যাংকগুলোকে নিম্নলিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—এটিএম বুথগুলো সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবেকারিগরি ত্রুটি হলে দ্রুত সমাধান করতে হবেবুথে নিরাপত্তা জোরদার করতে পাহারাদারদের সতর্ক অবস্থানে রাখতে হবেগ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবেডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সচল রাখার নির্দেশনাগ্রাহকদের সুবিধার্থে পিওএস সেবাও নিরবচ্ছিন্ন রাখতে হবে। জালিয়াতি প্রতিরোধে মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের সচেতন করার জন্যও ব্যাংকগুলোকে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।এছাড়া ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে কার্ডভিত্তিক ‘কার্ড নট প্রেজেন্ট’ ও অ্যাকাউন্টভিত্তিক লেনদেনে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ ব্যবস্থা চালু রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসবিকাশ, রকেট, নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে যে কোনো অঙ্কের লেনদেনের তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানাতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শহরে আসা মানুষ এবং ছুটিতে বাড়ি ফেরা মানুষের মধ্যে নগদ লেনদেনের চাহিদা বেড়ে যায়। এই চাহিদা মেটাতে এবং ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সচল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্য ব্যাগেজ সুবিধা: শুল্ক পরিশোধে টিভি, ফ্রিজ, এসিসহ ১১ পণ্য আনার সুযোগ

বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্য ব্যাগেজ সুবিধা: শুল্ক পরিশোধে টিভি, ফ্রিজ, এসিসহ ১১ পণ্য আনার সুযোগ

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কম দামে আইফোন আনল অ্যাপল, পাওয়া যাবে ১১ মার্চ থেকে

কম দামে আইফোন আনল অ্যাপল, পাওয়া যাবে ১১ মার্চ থেকে

জনপ্রিয় স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাপল অবশেষে বাজারে আনতে যাচ্ছে তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সাশ্রয়ী মূল্যের আইফোন। প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এটি হবে অ্যাপলের বর্তমান লাইনআপের সবচেয়ে সস্তা আইফোন মডেল। নতুন এই ফোনটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে ১১ মার্চ থেকে পাওয়া যাবে।অ্যাপল সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই মডেলটিতে থাকছে অত্যাধুনিক প্রসেসর ও উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম, যা দাম কম হলেও গুণগত মানে কোনো আপস করেনি প্রতিষ্ঠানটি। দাম কমানোর জন্য ফোনটির ডিজাইন ও কিছু ফিচারে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তবে অ্যাপলের সিগনেচার কোয়ালিটি ও সফটওয়্যার সাপোর্ট অটুট রাখা হয়েছে।বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, অ্যাপলের এই সিদ্ধান্ত মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য একটি বড় সুযোগ এনে দেবে। দীর্ঘদিন ধরেই অ্যাপলের উচ্চ মূল্যের কারণে অনেক ক্রেতা আইফোন কেনা থেকে বিরত থাকতেন। নতুন এই সাশ্রয়ী মূল্যের মডেল তাদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।বাংলাদেশে আইফোনের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। তরুণ প্রজন্ম ও পেশাজীবীদের মধ্যে আইফোন ব্যবহারের প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে উচ্চ মূল্যের কারণে অনেকেই আইফোন কেনার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন না। নতুন এই সাশ্রয়ী মডেল বাংলাদেশের বাজারে আইফোনের বিক্রিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।রাজধানীর একটি মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জানান, "অ্যাপলের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য খুবই ভালো খবর। আমরা ইতিমধ্যে অনেক ক্রেতার কাছ থেকে নতুন মডেলটি নিয়ে আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি। আশা করছি, ১১ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক বিক্রি শুরু হলে ব্যাপক সাড়া পড়বে।"প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাপল মূলত বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতেই এই সাশ্রয়ী মূল্যের আইফোন আনছে। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে এবং নতুন ক্রেতা তৈরি করতেই এই উদ্যোগ। তবে দাম কমিয়ে অ্যাপল তার প্রিমিয়াম ইমেজে কোনো আপস করেনি বলেও তারা মনে করছেন।নতুন এই আইফোন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ও দাম জানতে আগ্রহী ক্রেতারা অ্যাপলের বাংলাদেশের অথরাইজড রিসেলার ও নিজ নিজ অপারেটরের শোরুমে যোগাযোগ করতে পারেন। ১১ মার্চ থেকে শুরু হবে এই ফোনের আনুষ্ঠানিক বিক্রি।
০৯ মার্চ ২০২৬
 নারীদের জন্য বিশেষ বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, চালক-সহকারী সবাই নারী

নারীদের জন্য বিশেষ বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, চালক-সহকারী সবাই নারী

দেশে নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী এক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 'মহিলা বাস সার্ভিস' চালুর এই উদ্যোগে বাসের চালক, কন্ডাক্টর ও হেলপার সবাই হবেন নারী। বৃহস্পতিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি) নারীদের জন্য বিশেষ এই বাস সার্ভিস চালুর প্রস্তুতি শুরু করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নারীদের যাতায়াতকে আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে 'মহিলা বাস সার্ভিস' চালু করা হচ্ছে। এই সার্ভিসটি সম্পূর্ণভাবে নারীদের দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। এতে বাসের স্টিয়ারিং ধরবেন দক্ষ নারী চালক। পাশাপাশি বাসে দায়িত্ব পালন করবেন নারী কন্ডাক্টর ও নারী হেলপার। সব মিলিয়ে পুরো সার্ভিসটিই নারীদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।বিশ্লেষকরা বলছেন, গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে অফিসগামী নারী, শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের কর্মজীবী নারীরা প্রায়ই গণপরিবহনে নানা ধরনের নির্যাতন ও অস্বস্তির শিকার হন। এই বিশেষ বাস সার্ভিস চালু হলে নারীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াতের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।বিআরটিসি সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ রুটে এই বাস সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে অন্যান্য বিভাগীয় শহরেও এই সেবা সম্প্রসারণ করা হবে। নারী চালক ও কর্মী নিয়োগের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নারী অধিকার কর্মী ও সাধারণ নাগরিকরা। মহিলা পরিষদের সভাপতি জানান, 'এটি একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ। এটি শুধু নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করবে না, বরং নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।''মহিলা বাস সার্ভিস' চালুর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। নারীদের দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত এই বাস সার্ভিস নারী যাত্রীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে নারী চালক, কন্ডাক্টর ও হেলপারদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নারীদের গণপরিবহন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আমূল বদলে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হযরত ওসমান (রাঃ) এর দান আজও বহমান

হযরত ওসমান (রাঃ) এর দান আজও বহমান

মহানবী (সাঃ) নবুওয়াত প্রাপ্তির ১৩তম বছর। মুসলমানরা মাত্র মক্কা ছেড়ে মদিনায় এসেছেন। অচেনা পরিবেশে দেখা দেয় সুপেয় পানির তীব্র সংকট।মদিনায় ‘বিরে রুমা’ বা রুমার কূপ নামে ইহুদিদের একটি কূপ ছিল। ইহুদিরা এ সুযোগে কূপের পানি মুসলমানদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করতে শুরু করলেন। সাহাবারা রাসূলকে (স) এ বিষয়ে অবগত করলে তিনি বললেন—“তোমাদের মধ্যে কে আছ যে, এই কূপ মুসলমানদের জন্য ক্রয় করে দেবে। মুসলমানদের এই কূপ যে খরিদ করে দেবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে ঝর্ণা দান করবেন।”রাসূলের (স) কথায় হজরত ওসমান (র) ইহুদির কাছে এই কূপ ক্রয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। ইহুদি তার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে তিনি বললেন, পুরো কূপ বিক্রি না করলে অর্ধেক বিক্রি করুন। এতে একদিন কূপের মালিক হবেন তিনি আর আরেক দিন ইহুদি। ওসমান (র) অর্ধেক কূপ ক্রয় করে বিনামূল্যে পানি বিতরণ করতে লাগলেন। লোকজন ওসমানের (র) ক্রয় করা নির্ধারিত দিনে পানি সংগ্রহ করত এবং পরের দিনের জন্যও পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত করে রাখত।ইহুদির দিনে কেউ পানি সংগ্রহ করতে যেত না। ফলে তার পানির ব্যবসা মন্দা হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সে নিজেই পুরো কূপ বিক্রির জন্য ওসমানের (র) কাছে প্রস্তাব পেশ করে। ওসমান (র) ৩৫ হাজার রৌপ্য মুদ্রায় কূপটি কিনে মুসলমানদের জন্য ওয়াকফ করে দেন।এক ধনী লোক দ্বিগুণ দামে কূপটি কিনতে চাইলে তিনি বলেন—“আমার চাহিদা এর চেয়ে আরও অনেক বেশি।” লোকটি মূল্য বাড়াতে থাকলে ওসমান (র) বলেন—“আমার আল্লাহ আমাকে প্রতি নেকিতে ১০ গুণ বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন।”হজরত ওসমানের (র) শাসনামলে এই কূপের চারপাশে খেজুর বাগান তৈরি হয়। সময়ের চাকা ঘুরে বহু উত্থান-পতনের পর সৌদি রাজপরিবার ক্ষমতায় আসার সময়ে বাগানে খেজুরগাছের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫৫০টিতে। সরকার বাগানের চারদিকে দেয়াল তৈরি করে দেয়। এই ভূসম্পত্তি ওসমানের (র) নামে দলিল করে দেয় এবং তার নামে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়।বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, সৌদি আরবে এখনো তৃতীয় খলিফা হজরত ওসমানের (র) নামে দলিল করা প্রপার্টি রয়েছে। রয়েছে ব্যাংক অ্যাকাউন্টও। আরও মজার বিষয় হলো— মাস ফুরালে এখনো তার নামেই আসে গ্যাস ও বিদ্যুতের বিল।সৌদির কৃষি মন্ত্রণালয় এই বাগানের খেজুর বিক্রি করে অর্জিত অর্থ ওসমানের (র) অ্যাকাউন্টে জমা রাখে। সঞ্চিত অর্থ দিয়ে মদিনায় একটি বড় প্রপার্টি ক্রয় করা হয়। সেখানে নির্মিত হয় “হোটেল ওসমান বিন আফফান” নামে একটি আবাসিক হোটেল।হোটেলটির নির্মাণকাজ ২০১৪-১৫ সালে সমাপ্ত হয় এবং বর্তমানে এটি চালু রয়েছে। হোটেলের নেমপ্লেটে লেখা আছে—“মালিক সাইয়্যিদুনা উসমান (র)।” যেহেতু তার ওয়াকফকৃত সম্পত্তি থেকে অর্জিত অর্থে এটি নির্মিত, তাই মালিক হিসেবে তার নামই উল্লেখ করা হয়েছে।এই হোটেল থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫০ মিলিয়ন রিয়াল আয় হবে বলে আশা করছে সৌদি সরকার। হোটেলের আয়ও ওসমানের (র) অন্য সম্পদের মতো একভাগ এতিম-মিসকিনদের দান করা হয় এবং আরেক ভাগ তার নামে পরিচালিত অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়। অর্থের অর্ধেক অসহায়-দুস্থদের মানবতার সেবায় ব্যয় করা হয়, আর অর্ধেক হজরত ওসমানের (র) ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। সুবহান আল্লাহ। হজরত ওসমান (র) এর দান আল্লাহ এমনভাবে গ্রহণ করেছেন যে, কেয়ামত পর্যন্ত তা চালু থাকবে। তার আখেরাতের অ্যাকাউন্টে তো সওয়াব জমা হচ্ছেই, দুনিয়ার অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্সও ফুরাবার নয়।
অনলাইন ডেস্ক