গণবার্তা

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। কেন্দ্রটির ১ নম্বর ইউনিটের বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে এ ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়। এর আগে থেকেই বাকি দুটি ইউনিট অচল থাকায় বর্তমানে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে কোনো বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে না।

রোববার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক। তিনি জানান, ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিটের বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদন বন্ধ করতে হয়। বয়লারের তাপমাত্রা প্রায় এক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ায় এটি পুরোপুরি ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত মেরামত কাজ শুরু করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, বয়লার ঠাণ্ডা হওয়ার পর মেরামত কাজ শুরু হবে। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় চালু হতে ন্যূনতম এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ১ নম্বর ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রটির উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হলো। কারণ, ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকেই অচল অবস্থায় আছে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। কেন্দ্রটির ১ নম্বর ইউনিটের বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে এ ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়। এর আগে থেকেই বাকি দুটি ইউনিট অচল থাকায় বর্তমানে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে কোনো বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে না।রোববার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক। তিনি জানান, ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিটের বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদন বন্ধ করতে হয়। বয়লারের তাপমাত্রা প্রায় এক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ায় এটি পুরোপুরি ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত মেরামত কাজ শুরু করা সম্ভব নয়।তিনি আরও বলেন, বয়লার ঠাণ্ডা হওয়ার পর মেরামত কাজ শুরু হবে। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় চালু হতে ন্যূনতম এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ১ নম্বর ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রটির উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হলো। কারণ, ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকেই অচল অবস্থায় আছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ 
প্রকাশকঃ ফিরোজ আল-মামুন 

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা