গণবার্তা

চট্টগ্রামকে উড়িয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

চট্টগ্রামকে উড়িয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালে জমেনি প্রত্যাশিত লড়াই। একপেশে ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। শুক্রবার মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য দেখায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম। তবে ব্যাট হাতে দারুণ সূচনা করে রাজশাহী। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা সংগ্রহ করে ১৭৪ রান। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রামের ইনিংস।

এই জয়ে বিপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতল রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজি। এর আগে ২০১৯–২০ মৌসুমে ‘রাজশাহী রয়্যালস’ নামে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল দলটি। বিপিএলের ইতিহাসে সর্বাধিক চারবার শিরোপা জয়ের কীর্তি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। ঢাকা তিনবার, বরিশাল ও রাজশাহী দুবার করে এবং রংপুর রাইডার্স একবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

ফাইনালে রাজশাহীর ইনিংসের মূল নায়ক ছিলেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তিনি ৬২ বল খেলে ঠিক ১০০ রান করেন। এবারের বিপিএলে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি। পাশাপাশি বিপিএল ফাইনালে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে শতকের কীর্তি গড়লেন তানজিদ। এর আগে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।

তানজিদের সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে সাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে আসে ৮৩ রান। ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন। এরপর কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে ৪৭ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। উইলিয়ামসন ১৫ বলে ২৪ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে বিদায় নেন। চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে তারা ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২১ রান করেন পাকিস্তানি ব্যাটার আসিফ আলী।

রাজশাহীর বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন বাঁহাতি লঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। তিনি ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচায় নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া হাসান মুরাদ ৩টি, জিমি নিশাম ২টি এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১টি উইকেট নেন।

সব মিলিয়ে ব্যাটে-বলে দাপুটে পারফরম্যান্সে শিরোপা উৎসব করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


চট্টগ্রামকে উড়িয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালে জমেনি প্রত্যাশিত লড়াই। একপেশে ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। শুক্রবার মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য দেখায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল।টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম। তবে ব্যাট হাতে দারুণ সূচনা করে রাজশাহী। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা সংগ্রহ করে ১৭৪ রান। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রামের ইনিংস।এই জয়ে বিপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতল রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজি। এর আগে ২০১৯–২০ মৌসুমে ‘রাজশাহী রয়্যালস’ নামে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল দলটি। বিপিএলের ইতিহাসে সর্বাধিক চারবার শিরোপা জয়ের কীর্তি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। ঢাকা তিনবার, বরিশাল ও রাজশাহী দুবার করে এবং রংপুর রাইডার্স একবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।ফাইনালে রাজশাহীর ইনিংসের মূল নায়ক ছিলেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তিনি ৬২ বল খেলে ঠিক ১০০ রান করেন। এবারের বিপিএলে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি। পাশাপাশি বিপিএল ফাইনালে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে শতকের কীর্তি গড়লেন তানজিদ। এর আগে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।তানজিদের সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে সাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে আসে ৮৩ রান। ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন। এরপর কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে ৪৭ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। উইলিয়ামসন ১৫ বলে ২৪ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে বিদায় নেন। চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন।রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে তারা ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২১ রান করেন পাকিস্তানি ব্যাটার আসিফ আলী।রাজশাহীর বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন বাঁহাতি লঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। তিনি ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচায় নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া হাসান মুরাদ ৩টি, জিমি নিশাম ২টি এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১টি উইকেট নেন। সব মিলিয়ে ব্যাটে-বলে দাপুটে পারফরম্যান্সে শিরোপা উৎসব করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ 
প্রকাশকঃ ফিরোজ আল-মামুন 

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা