ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলকে কটাক্ষ মোদির

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলকে কটাক্ষ মোদির
ছবিঃ সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি প্রচারণায় নেমে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুর্নীতি, অনুপ্রবেশ, নারী নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি শাসক দলকে আক্রমণ করেন।

রোববার (৫ এপ্রিল) কোচবিহার জেলার রাস ময়দানে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‘বাংলার ওপর একের পর এক গ্রহণ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় উন্নয়ন, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সংস্কৃতির দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গ দেশের শীর্ষে ছিল। কিন্তু কংগ্রেস, বামফ্রন্ট এবং বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে সেই অগ্রগতি থেমে গেছে। তার ভাষায়, ‘বাংলার ওপর একের পর এক গ্রহণ নেমে এসেছে, যার ফলে উন্নয়ন থমকে গেছে।’

আইনশৃঙ্খলা ও বিচারপতির নিরাপত্তা

মালদা জেলার মোথাবাড়িতে বিচারকদের গাড়িতে হামলার ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাজ্যে ‘মহা অরাজকতা’ চলছে। ‘যেখানে বিচারপতিরাই নিরাপদ নন, সেখানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত হবে’—প্রশ্ন তোলেন তিনি।

অনুপ্রবেশ ও জনসংখ্যার ভারসাম্য

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে জনসংখ্যার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা শাসক দলের প্রশ্রয় পাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এর ফলে রাজ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন মোদি।

তোষণের রাজনীতি ও হিন্দুদের ওপর অভিযোগ

তোষণের রাজনীতি নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এতে বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরিচয় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ একই সঙ্গে রাজ্যে হিন্দুদের বসবাস কঠিন করে তোলার অভিযোগও করেন তিনি।

‘ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠন করুন’

রাজ্যবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। বিজেপিকে ভোট দিয়ে ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠন করলে উত্তরবঙ্গসহ পুরো রাজ্যের উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

নারী সংরক্ষণ প্রসঙ্গ

নারীদের জন্য সংসদে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আইন করেছে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই এর সুফল পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলকে কটাক্ষ মোদির

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি প্রচারণায় নেমে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুর্নীতি, অনুপ্রবেশ, নারী নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি শাসক দলকে আক্রমণ করেন।রোববার (৫ এপ্রিল) কোচবিহার জেলার রাস ময়দানে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।‘বাংলার ওপর একের পর এক গ্রহণ’প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় উন্নয়ন, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সংস্কৃতির দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গ দেশের শীর্ষে ছিল। কিন্তু কংগ্রেস, বামফ্রন্ট এবং বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে সেই অগ্রগতি থেমে গেছে। তার ভাষায়, ‘বাংলার ওপর একের পর এক গ্রহণ নেমে এসেছে, যার ফলে উন্নয়ন থমকে গেছে।’আইনশৃঙ্খলা ও বিচারপতির নিরাপত্তামালদা জেলার মোথাবাড়িতে বিচারকদের গাড়িতে হামলার ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাজ্যে ‘মহা অরাজকতা’ চলছে। ‘যেখানে বিচারপতিরাই নিরাপদ নন, সেখানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত হবে’—প্রশ্ন তোলেন তিনি।অনুপ্রবেশ ও জনসংখ্যার ভারসাম্যঅনুপ্রবেশ ইস্যুতে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে জনসংখ্যার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা শাসক দলের প্রশ্রয় পাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এর ফলে রাজ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন মোদি।তোষণের রাজনীতি ও হিন্দুদের ওপর অভিযোগতোষণের রাজনীতি নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এতে বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরিচয় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ একই সঙ্গে রাজ্যে হিন্দুদের বসবাস কঠিন করে তোলার অভিযোগও করেন তিনি।‘ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠন করুন’রাজ্যবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। বিজেপিকে ভোট দিয়ে ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠন করলে উত্তরবঙ্গসহ পুরো রাজ্যের উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’নারী সংরক্ষণ প্রসঙ্গনারীদের জন্য সংসদে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আইন করেছে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই এর সুফল পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা