ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
গণবার্তা

এআই ক্যামেরাতে আটক হন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

এআই ক্যামেরাতে আটক হন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

দুবাই থেকে গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের দীর্ঘদিনের পলাতক জীবন, দেশত্যাগ এবং তার বিরুদ্ধে থাকা বহুমাত্রিক অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, শেষ পর্যন্ত আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) নজরদারি প্রযুক্তির কাছেই ধরা পড়তে হয়েছে এক সময়ের প্রভাবশালী এই পুলিশ কর্মকর্তাকে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তিই বেনজীর আহমেদকে শনাক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। লন্ডন থেকে সিঙ্গাপুর বা থাইল্যান্ডগামী একটি ফ্লাইটে যাত্রার সময় দুবাইয়ের ট্রানজিট এলাকায় নামলে বিমানবন্দরের এআইচালিত ক্যামেরা তার মুখমণ্ডল স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান করে।

পরে ওই তথ্য আন্তর্জাতিক অপরাধী ডেটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হলে সতর্কতা সংকেত জারি হয়। এরপর দুবাই পুলিশের ইন্টারপোল সমন্বয় ইউনিট বিষয়টি যাচাই করে এবং প্রাথমিক নিশ্চিতকরণের পর তাকে হেফাজতে নেয়। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে পরবর্তীতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, দুবাই বিমানবন্দরের নজরদারি ব্যবস্থায় থাকা এআইচালিত ক্যামেরা প্রতিনিয়ত যাত্রীদের মুখাবয়ব স্ক্যান করে আন্তর্জাতিক অপরাধী ডেটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সম্ভাব্য মিল শনাক্ত করার সক্ষমতা থাকায় এ ধরনের প্রযুক্তি বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধী শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

দুদকের মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে। মামলাগুলোতে প্রায় ৭৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। পরবর্তীতে পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়।

বিপুল সম্পদ জব্দ

২০২৪ সালের এপ্রিলে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের অনুসন্ধানে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয় দুদক। অনুসন্ধান শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই পরিবার নিয়ে দেশ ছাড়েন তিনি।

দুদকের অনুসন্ধানে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য উঠে আসে। আদালতের আদেশে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা শত শত বিঘা জমি, ফ্ল্যাট, ব্যাংক হিসাব, শেয়ার এবং অন্যান্য সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়।

২০২৪ সালের ১২ জুন আদালত তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা আটটি ফ্ল্যাট এবং ২৫ একর ২৭ কাঠা জমি জব্দের নির্দেশ দেন। এসব ফ্ল্যাট ঢাকার বাড্ডা ও আদাবর এলাকায় এবং জমি নারায়ণগঞ্জ, বান্দরবান ও উত্তরায় অবস্থিত।

এ ছাড়া গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে ৬২১ বিঘা জমি, ১৯টি কোম্পানির শেয়ার, গুলশানের চারটি ফ্ল্যাট, ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৩৩টি ব্যাংক হিসাব এবং তিনটি বিও হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

র‌্যাবের মহাপরিচালক থাকাকালে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে বেনজীর আহমেদ দেশ-বিদেশে সমালোচনার মুখে পড়েন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিভিন্ন সময়ে র‌্যাবের অভিযানে নিখোঁজ ও নিহত হওয়ার ঘটনাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

পরবর্তীতে ২০২১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

যেভাবে দেশ ছাড়েন বেনজীর

দুদকের অনুসন্ধান শুরুর মাত্র দুই সপ্তাহ পর, ২০২৪ সালের ৪ মে দেশ ছাড়েন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। দুবাইয়ে তার গ্রেফতারের খবর প্রকাশের পর আবারও আলোচনায় এসেছে সেই বহুল আলোচিত দেশত্যাগের ঘটনা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সহায়তায় তিনি বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। রাত ১১টা ৪০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।

ফুটেজে দেখা যায়, নিরাপত্তা তল্লাশি এলাকায় প্রবেশের সময় তার সামনে ছিলেন ইউনিফর্ম পরা এক পুলিশ সদস্য ও সাদা পোশাকের এক নারী পুলিশ সদস্য। পেছনেও ছিলেন আরেক ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্য।

দেশ ছাড়ার সময় তার সঙ্গে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। সোনালি রঙের হাফশার্ট, গাঢ় রঙের প্যান্ট ও কালো জুতা পরা অবস্থায় তিনি বিমানবন্দরের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করেন।

সবচেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি হয় শেষ নিরাপত্তা তল্লাশি চৌকিতে। ফুটেজে দেখা যায়, সেখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্যের শারীরিক তল্লাশি ছাড়াই তিনি চেকপয়েন্ট অতিক্রম করেন। অথচ সাধারণ যাত্রীদের ক্ষেত্রে এই তল্লাশি বাধ্যতামূলক। এছাড়া ইমিগ্রেশন ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিকতাও দ্রুত সম্পন্ন করা হয় বলে ফুটেজে দেখা যায়।

দেশ ছাড়ার আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত কয়েকজন পুলিশ সদস্যের দিকে হাত নেড়ে বিদায় জানাতেও দেখা যায় তাকে।

দুদকের অনুসন্ধান শুরু হওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় তার এই দেশত্যাগ পরবর্তীকালে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা, সম্পদ জব্দ এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলেও তিনি আর দেশে ফেরেননি।

দীর্ঘ সময় পলাতক থাকার পর অবশেষে দুবাইয়ে গ্রেফতার হওয়ার মধ্য দিয়ে সাবেক এই পুলিশ প্রধানকে ঘিরে আলোচিত অধ্যায়ের নতুন মোড় তৈরি হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ এবং বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


এআই ক্যামেরাতে আটক হন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image
দুবাই থেকে গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের দীর্ঘদিনের পলাতক জীবন, দেশত্যাগ এবং তার বিরুদ্ধে থাকা বহুমাত্রিক অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, শেষ পর্যন্ত আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) নজরদারি প্রযুক্তির কাছেই ধরা পড়তে হয়েছে এক সময়ের প্রভাবশালী এই পুলিশ কর্মকর্তাকে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তিই বেনজীর আহমেদকে শনাক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। লন্ডন থেকে সিঙ্গাপুর বা থাইল্যান্ডগামী একটি ফ্লাইটে যাত্রার সময় দুবাইয়ের ট্রানজিট এলাকায় নামলে বিমানবন্দরের এআইচালিত ক্যামেরা তার মুখমণ্ডল স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান করে।পরে ওই তথ্য আন্তর্জাতিক অপরাধী ডেটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হলে সতর্কতা সংকেত জারি হয়। এরপর দুবাই পুলিশের ইন্টারপোল সমন্বয় ইউনিট বিষয়টি যাচাই করে এবং প্রাথমিক নিশ্চিতকরণের পর তাকে হেফাজতে নেয়। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে পরবর্তীতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, দুবাই বিমানবন্দরের নজরদারি ব্যবস্থায় থাকা এআইচালিত ক্যামেরা প্রতিনিয়ত যাত্রীদের মুখাবয়ব স্ক্যান করে আন্তর্জাতিক অপরাধী ডেটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সম্ভাব্য মিল শনাক্ত করার সক্ষমতা থাকায় এ ধরনের প্রযুক্তি বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধী শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।দুদকের মামলায় অভিযুক্ত বেনজীরদুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে। মামলাগুলোতে প্রায় ৭৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। পরবর্তীতে পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়।বিপুল সম্পদ জব্দ২০২৪ সালের এপ্রিলে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের অনুসন্ধানে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয় দুদক। অনুসন্ধান শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই পরিবার নিয়ে দেশ ছাড়েন তিনি।দুদকের অনুসন্ধানে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য উঠে আসে। আদালতের আদেশে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা শত শত বিঘা জমি, ফ্ল্যাট, ব্যাংক হিসাব, শেয়ার এবং অন্যান্য সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়।২০২৪ সালের ১২ জুন আদালত তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা আটটি ফ্ল্যাট এবং ২৫ একর ২৭ কাঠা জমি জব্দের নির্দেশ দেন। এসব ফ্ল্যাট ঢাকার বাড্ডা ও আদাবর এলাকায় এবং জমি নারায়ণগঞ্জ, বান্দরবান ও উত্তরায় অবস্থিত।এ ছাড়া গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে ৬২১ বিঘা জমি, ১৯টি কোম্পানির শেয়ার, গুলশানের চারটি ফ্ল্যাট, ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৩৩টি ব্যাংক হিসাব এবং তিনটি বিও হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার‌্যাবের মহাপরিচালক থাকাকালে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে বেনজীর আহমেদ দেশ-বিদেশে সমালোচনার মুখে পড়েন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিভিন্ন সময়ে র‌্যাবের অভিযানে নিখোঁজ ও নিহত হওয়ার ঘটনাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলে।পরবর্তীতে ২০২১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।যেভাবে দেশ ছাড়েন বেনজীরদুদকের অনুসন্ধান শুরুর মাত্র দুই সপ্তাহ পর, ২০২৪ সালের ৪ মে দেশ ছাড়েন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। দুবাইয়ে তার গ্রেফতারের খবর প্রকাশের পর আবারও আলোচনায় এসেছে সেই বহুল আলোচিত দেশত্যাগের ঘটনা।হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সহায়তায় তিনি বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। রাত ১১টা ৪০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।ফুটেজে দেখা যায়, নিরাপত্তা তল্লাশি এলাকায় প্রবেশের সময় তার সামনে ছিলেন ইউনিফর্ম পরা এক পুলিশ সদস্য ও সাদা পোশাকের এক নারী পুলিশ সদস্য। পেছনেও ছিলেন আরেক ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্য।দেশ ছাড়ার সময় তার সঙ্গে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। সোনালি রঙের হাফশার্ট, গাঢ় রঙের প্যান্ট ও কালো জুতা পরা অবস্থায় তিনি বিমানবন্দরের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করেন।সবচেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি হয় শেষ নিরাপত্তা তল্লাশি চৌকিতে। ফুটেজে দেখা যায়, সেখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্যের শারীরিক তল্লাশি ছাড়াই তিনি চেকপয়েন্ট অতিক্রম করেন। অথচ সাধারণ যাত্রীদের ক্ষেত্রে এই তল্লাশি বাধ্যতামূলক। এছাড়া ইমিগ্রেশন ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিকতাও দ্রুত সম্পন্ন করা হয় বলে ফুটেজে দেখা যায়।দেশ ছাড়ার আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত কয়েকজন পুলিশ সদস্যের দিকে হাত নেড়ে বিদায় জানাতেও দেখা যায় তাকে।দুদকের অনুসন্ধান শুরু হওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় তার এই দেশত্যাগ পরবর্তীকালে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা, সম্পদ জব্দ এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলেও তিনি আর দেশে ফেরেননি।দীর্ঘ সময় পলাতক থাকার পর অবশেষে দুবাইয়ে গ্রেফতার হওয়ার মধ্য দিয়ে সাবেক এই পুলিশ প্রধানকে ঘিরে আলোচিত অধ্যায়ের নতুন মোড় তৈরি হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ এবং বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা