ঢাকা    রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে আপনাকে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের এই তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। তিনি বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনার বাস্তবমুখী নেতৃত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী দশকগুলোতে আরও মহিমান্বিত অগ্রযাত্রার পথে এগিয়ে যাবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন দেশজুড়ে এই গৌরবময় উপলক্ষ উদযাপন করছে, তখন ‘আমেরিকা ২৫০’ উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে মানুষকে ‘আমেরিকান ড্রিম’, ত্যাগ, স্বাধীনতা, মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, আদর্শ এবং বিশ্বের প্রতি আমেরিকার অবদান থেকে অনুপ্রেরণা লাভের সুযোগ করে দিচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নযাত্রায় এক বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত পাঁচ দশকে দুই দেশের সম্পর্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং জনগণের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ও বহুমুখী অংশীদারত্বে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে আমাদের সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছি। বিশেষ করে চলতি বছরের শুরু থেকেই বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন ও উদারতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাকে আশ্বস্ত করছি, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে আমাদের অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় ও গভীর করার লক্ষ্যে আমার সরকার আপনার প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে যাবে। চিঠিতে ট্রাম্পের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের জন্য দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখ কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছা বার্তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে। রোহিঙ্গা সংকটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে বলে আশা করা যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ ধরনের শুভেচ্ছা বার্তা ঐতিহ্যগত। তবে এবারের বার্তাটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস। প্রধানমন্ত্রী তার চিঠিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই চিঠি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার একটি দৃষ্টান্ত। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যে আরও সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়। প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছা বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও মজবুত করবে। এটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুই দেশের সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায়ে আরও উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি আসবে বলে প্রত্যাশা করা যায়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর হবে বলে সবাই আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রীর এই চিঠি সেই আশাবাদকে আরও উজ্জীবিত করেছে। চিঠিতে উল্লেখিত বিভিন্ন বিষয় আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার ভিত্তি তৈরি করবে। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অপরিহার্য। প্রধানমন্ত্রী তার চিঠিতে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা কামনা করেছেন। এই চিঠি বাংলাদেশের জন্য একটি কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম ও মর্যাদা বাড়াবে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল। তারা আশা করেন, এই চিঠি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ভবিষ্যতে আরও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন তারা। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়নে এই চিঠি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি দুই দেশের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াবে। আগামী দিনগুলোতে এই সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে সবাই আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রীর এই চিঠি সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬


স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে আপনাকে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের এই তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। তিনি বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনার বাস্তবমুখী নেতৃত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী দশকগুলোতে আরও মহিমান্বিত অগ্রযাত্রার পথে এগিয়ে যাবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন দেশজুড়ে এই গৌরবময় উপলক্ষ উদযাপন করছে, তখন ‘আমেরিকা ২৫০’ উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে মানুষকে ‘আমেরিকান ড্রিম’, ত্যাগ, স্বাধীনতা, মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, আদর্শ এবং বিশ্বের প্রতি আমেরিকার অবদান থেকে অনুপ্রেরণা লাভের সুযোগ করে দিচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নযাত্রায় এক বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে।তিনি আরও বলেন, গত পাঁচ দশকে দুই দেশের সম্পর্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং জনগণের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ও বহুমুখী অংশীদারত্বে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে আমাদের সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছি। বিশেষ করে চলতি বছরের শুরু থেকেই বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন ও উদারতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাকে আশ্বস্ত করছি, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে আমাদের অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় ও গভীর করার লক্ষ্যে আমার সরকার আপনার প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে যাবে। চিঠিতে ট্রাম্পের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের জন্য দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখ কামনা করেন।প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছা বার্তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে। রোহিঙ্গা সংকটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে বলে আশা করা যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ ধরনের শুভেচ্ছা বার্তা ঐতিহ্যগত। তবে এবারের বার্তাটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস। প্রধানমন্ত্রী তার চিঠিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই চিঠি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার একটি দৃষ্টান্ত। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যে আরও সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়। প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছা বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও মজবুত করবে। এটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুই দেশের সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায়ে আরও উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি আসবে বলে প্রত্যাশা করা যায়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর হবে বলে সবাই আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রীর এই চিঠি সেই আশাবাদকে আরও উজ্জীবিত করেছে। চিঠিতে উল্লেখিত বিভিন্ন বিষয় আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার ভিত্তি তৈরি করবে। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অপরিহার্য। প্রধানমন্ত্রী তার চিঠিতে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা কামনা করেছেন। এই চিঠি বাংলাদেশের জন্য একটি কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম ও মর্যাদা বাড়াবে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল। তারা আশা করেন, এই চিঠি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ভবিষ্যতে আরও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন তারা। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়নে এই চিঠি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি দুই দেশের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াবে। আগামী দিনগুলোতে এই সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে সবাই আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রীর এই চিঠি সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা