১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের তিক্ত স্মৃতির পুনরাবৃত্তি হতে দিল না ইংল্যান্ড। স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৩-২ গোলের জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্সরা। সোমবার আজতেকা স্টেডিয়ামে আবহাওয়ার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হয় ম্যাচটি। তবে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধেই জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্সরা। মাঝমাঠে দাপটের সঙ্গে দ্রুতগতির আক্রমণে বারবার বিপাকে পড়ে মেক্সিকোর রক্ষণভাগ।
দ্বিতীয়ার্ধে নতুন উদ্যমে খেলতে নেমে ব্যবধান কমায় মেক্সিকো। এতে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরে এলেও ইংল্যান্ড পাল্টা আক্রমণে আরেকটি গোল করে জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলে। শেষ মুহূর্তে স্বাগতিকরা আরও একবার জালের দেখা পেলেও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি। ৩-২ গোলের এই জয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দল।
অন্যদিকে, ঘরের মাঠে সমর্থকদের উচ্ছ্বসিত সমর্থন পেয়েও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়ে গেল মেক্সিকোর। শেষ বাঁশি পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও ইংল্যান্ডের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ভেদ করে সমতায় ফেরার মতো সুযোগ আর তৈরি করতে পারেনি স্বাগতিকরা। জুড বেলিংহামের অসাধারণ নৈপুণ্য, ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত ফুটবল এবং আক্রমণভাগের কার্যকারিতাই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। এই জয়ে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তভাবে জানান দিল গ্যারেথ সাউথগেটের দল।
ম্যাচের শুরুতে বৃষ্টির কারণে এক ঘণ্টা বিলম্ব হলেও দর্শকদের ধৈর্য সার্থক হয়েছে। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের আক্রমণ ছিল দুর্দান্ত। ২৭তম মিনিটে প্রথম গোলটি আসে। ডান প্রান্ত থেকে ফিল ফোডেনের বাড়ানো ক্রসে ডি-বক্সে দারুণ টাইমিংয়ে লাফিয়ে হেড করেন বেলিংহাম, বল জালে জড়ায়। ৪১তম মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি আরও চমৎকার ছিল। বুকারিও সাকার পাস থেকে ডি-বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোড়ালো শটে গোল করেন বেলিংহাম।
দ্বিতীয়ার্ধে মেক্সিকো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ৬২তম মিনিটে লিরা গোল করে ব্যবধান কমান। ৭০তম মিনিটে আবারও মেক্সিকোর চাপ বাড়ে। কিন্তু ইংল্যান্ডের জবাব আসে ৭৮তম মিনিটে। হ্যারি কেনের অসাধারণ পাস থেকে সাকার গোল করে ব্যবধান ৩-১ করে। ৮৮তম মিনিটে মেক্সিকো আরও একটি গোল পেলেও সমতা ফেরাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হয়।
ম্যাচ শেষে জুড বেলিংহাম বলেন, ‘এটি একটি দুর্দান্ত সন্ধ্যা। আমরা জানতাম মেক্সিকো শক্তিশালী, বিশেষ করে ঘরের মাঠে। কিন্তু আমাদের পরিকল্পনা ছিল সঠিক। দল হিসেবে আমরা দারুণ খেলেছি।’ কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল বা নরওয়ের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। সাউথগেট বলেন, ‘আমরা যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্য প্রস্তুত। এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।’ মেক্সিকোর কোচ বলেন, ‘আমরা লড়াই করেছি, কিন্তু ইংল্যান্ড আজ ছিল দারুণ। বেলিংহামের পারফরম্যান্স অসাধারণ ছিল।’ ইংল্যান্ড এখন স্বপ্ন দেখছে ১৯৬৬ সালের পর আবার বিশ্বকাপ জেতার। তাদের পারফরম্যান্স সেটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফুটবল বিশ্ব এখন ইংল্যান্ডের দিকে তাকিয়ে। তারা কি পারে? এই প্রশ্নের উত্তর মাঠেই মিলবে। আগামী ম্যাচগুলো হবে আরও কঠিন। কিন্তু ইংল্যান্ডের এই ফর্ম ধরে রাখতে পারলে তারা শিরোপার দাবিদার। এখন সবাই অপেক্ষায় রয়েছে তাদের পরবর্তী ম্যাচের জন্য। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আগামী দিনগুলো থাকবে উত্তেজনায় ভরপুর। ইংল্যান্ডের এই জয় তাদের জন্য একটি বড় প্রেরণা। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে শিরোপার। মেক্সিকোর বিদায় হলেও তারা লড়াই করে সম্মান ধরে রেখেছে। ইংল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, তারা প্রস্তুত। এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করেছে। ফুটবল বিশ্ব এই দলের প্রতি নজর রাখবে। ইংল্যান্ড কি ইতিহাস গড়তে পারে? সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার অপেক্ষা। আগামী ম্যাচগুলোতে তারা কেমন খেলে, সেটাই দেখার বিষয়। ইংল্যান্ডের সমর্থকরা স্বপ্ন দেখছেন। তারা চান তাদের দল শিরোপা জিতুক। এই জয় তাদের স্বপ্নকে আরও বাস্তব করে তুলেছে। এখন সময় বলবে, ইংল্যান্ড কতদূর এগোতে পারে। তবে এই মুহূর্তে তারা তাদের সাফল্য উপভোগ করছে। ইংল্যান্ড জয়ী হয়েছে, এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জয়। তারা এখন কোয়ার্টার ফাইনালে। সেখানে তারা আরও ভালো খেলতে চাইবে। ফুটবল বিশ্ব এই দলের প্রতি নজর রাখবে। ইংল্যান্ডের এই জয় তাদের সমর্থকদের জন্য একটি বড় উপহার। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা তাদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। তারা প্রমাণ করেছে, তারা শিরোপা জিততে পারে। আগামী ম্যাচগুলোতে তাদের পারফরম্যান্স আরও ভালো হবে বলে আশা করা যায়। ইংল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, তারা লড়াই করবে। এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আগামী দিনগুলো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। ইংল্যান্ডের এই জয় তাদের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে আরও বড় কিছু করার। ইংল্যান্ডের এই জয় তাদের সমর্থকদের জন্য একটি বড় আনন্দের সংবাদ। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে শিরোপা জয়ের। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা তাদের সেরাটা দিয়েছে। তারা প্রমাণ করেছে, তারা বিশ্বসেরা হতে পারে। এখন অপেক্ষা পরবর্তী ম্যাচের। সেখানে তারা কী করে, সেটাই দেখার বিষয়। তবে এই মুহূর্তে তারা তাদের বিজয় উদযাপন করছে। ইংল্যান্ড জয়ী হয়েছে, এবং এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই জয় তাদের জন্য একটি বড় অর্জন। তারা এখন কোয়ার্টার ফাইনালে। সেখানে তারা আরও ভালো খেলতে চাইবে। ফুটবল বিশ্ব এই দলের প্রতি নজর রাখবে। ইংল্যান্ডের এই জয় তাদের সমর্থকদের জন্য একটি বড় উপহার। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা তাদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। তারা প্রমাণ করেছে, তারা শিরোপা জিততে পারে। আগামী ম্যাচগুলোতে তাদের পারফরম্যান্স আরও ভালো হবে বলে আশা করা যায়। ইংল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, তারা লড়াই করবে। এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আগামী দিনগুলো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। ইংল্যান্ডের এই জয় তাদের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে পারে আরও বড় কিছু করার।
বিষয় : ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন