ঢাকা    শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

ইমাম রেজার মাজারে দাফন হলেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি

ইমাম রেজার মাজারে দাফন হলেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি

ছয় দিনের জানাজা মিছিলের পর ইমাম রেজার মাজারে শায়িত হলেন ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বৃহস্পতিবার তাকে দাফন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা অনলাইন।

বৃহস্পতিবার মাশহাদের জনাকীর্ণ রাস্তা দিয়ে ট্রাকে করে ধীরে ধীরে খামেনির মরদেহ ইমাম রেজার মাজারের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কালো পোশাক পরা শোকাহতরা ইরানের পতাকা, প্রয়াত নেতার ছবি এবং বিপ্লবী স্লোগান লেখা লাল প্ল্যাকার্ড নাড়াচ্ছিল।

২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিহত হন খামেনি। যুদ্ধাবস্থার কারণে ওই সময় খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়নি। সর্বোচ্চ এই নেতার জন্য ইরান সপ্তাহব্যাপী গণ জানাজা মিছিলের আয়োজন করে। তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নিহতদের প্রথম জানাজা হয়। এরপর ইরানের বিভিন্ন প্রদেশ ঘুরিয়ে খামেনির মরদেহ আনা হয় মাশহাদে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার দাফন উপলক্ষে মাশহাদে লক্ষাধিক মানুষ সমবেত হয়েছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে শোকসভার আয়োজন করা হয়েছে। খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্বে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তবে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংবিধান অনুযায়ীই পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে খামেনির দাফনকে কেন্দ্র করে ইরানজুড়ে তীব্র শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন দেশের নেতারা ইরানের জনগণ ও সরকারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তবে ইরানের শত্রু দেশগুলোয় খামেনির মৃত্যুতে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। খামেনির স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন, তা নিয়ে এখন ইরানের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।

বিষয় : ইরান আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬


ইমাম রেজার মাজারে দাফন হলেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬

featured Image
ছয় দিনের জানাজা মিছিলের পর ইমাম রেজার মাজারে শায়িত হলেন ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বৃহস্পতিবার তাকে দাফন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা অনলাইন।বৃহস্পতিবার মাশহাদের জনাকীর্ণ রাস্তা দিয়ে ট্রাকে করে ধীরে ধীরে খামেনির মরদেহ ইমাম রেজার মাজারের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কালো পোশাক পরা শোকাহতরা ইরানের পতাকা, প্রয়াত নেতার ছবি এবং বিপ্লবী স্লোগান লেখা লাল প্ল্যাকার্ড নাড়াচ্ছিল।২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিহত হন খামেনি। যুদ্ধাবস্থার কারণে ওই সময় খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়নি। সর্বোচ্চ এই নেতার জন্য ইরান সপ্তাহব্যাপী গণ জানাজা মিছিলের আয়োজন করে। তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নিহতদের প্রথম জানাজা হয়। এরপর ইরানের বিভিন্ন প্রদেশ ঘুরিয়ে খামেনির মরদেহ আনা হয় মাশহাদে।ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার দাফন উপলক্ষে মাশহাদে লক্ষাধিক মানুষ সমবেত হয়েছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে শোকসভার আয়োজন করা হয়েছে। খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্বে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তবে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংবিধান অনুযায়ীই পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এদিকে খামেনির দাফনকে কেন্দ্র করে ইরানজুড়ে তীব্র শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন দেশের নেতারা ইরানের জনগণ ও সরকারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তবে ইরানের শত্রু দেশগুলোয় খামেনির মৃত্যুতে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। খামেনির স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন, তা নিয়ে এখন ইরানের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা