ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

গণভোটের রায় মানতেই হবে, অন্যথায় সংসদ অচল: বিরোধীদলিও নেতা শফিকুর রহমান

গণভোটের রায় মানতেই হবে, অন্যথায় সংসদ অচল: বিরোধীদলিও নেতা  শফিকুর রহমান

বিরোধীদলীয় নেতার দাবি, সরকার গঠনের ভোটকে যদি বৈধ মানতেই হয়, তাহলে গণভোটের জনরায়কে বাতিল করার কোনো যুক্তি নেই। সোমবার রাতে সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুর রহমানের কথায়, জনগণের রায়ই হচ্ছে চূড়ান্ত কথা। তাঁর দাবি, যে পথে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে, সেই পথেই গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাজেই একটি মানলে অন্যটি বাতিল করা যায় না।

সংখ্যার চিত্রও টেনে আনেন এই জামায়াত নেতা। তাঁর মতে, সরকার গঠনে ৫১ শতাংশ ভোটকে যদি বৈধ ধরা হয়, তবে গণভোটে ৬৮ শতাংশের বেশি ‘হ্যাঁ’ ভোটকে কেন গুরুত্ব দেয়া হবে না? এটা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত নয়।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার যে অঙ্গীকার করেছিল, তা ভঙ্গ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ শফিকুরের। তিনি জানান, নির্বাচনের পর দুই ধরনের শপথ নেওয়ার কথা ছিল—একটি সংসদ সদস্য হিসেবে, অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। বিরোধী দলের সবাই দুই শপথ নিয়েছে, কিন্তু সরকারি দল শুধু প্রথমটি নিয়েছে।

আন্দোলনের পথে হাঁটারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই নেতা। ১৯৯৪ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলনের কথা তুলে তিনি বলেন, জনগণ যখন রাস্তায় নামে, তখন কোনো সরকার টিকতে পারে না।

শেষে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বসে বসে সব সহ্য করবে—এমন বিরোধী দল নয় তারা। জনস্বার্থের প্রশ্নে তারা রুখে দাঁড়াবে। আর আজকের ওয়াকআউট তারই নিদর্শন।

এনসিপি নেতা আখতার হোসেনও একই সুরে কথা বলেন। তাঁর দাবি, সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বদলে একটি কমিটি করেছে। এই কমিটিকে তারা মেনে নিতে পারেন না বলেই সংসদ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন বিরোধীরা।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬


গণভোটের রায় মানতেই হবে, অন্যথায় সংসদ অচল: বিরোধীদলিও নেতা শফিকুর রহমান

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image
বিরোধীদলীয় নেতার দাবি, সরকার গঠনের ভোটকে যদি বৈধ মানতেই হয়, তাহলে গণভোটের জনরায়কে বাতিল করার কোনো যুক্তি নেই। সোমবার রাতে সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।শফিকুর রহমানের কথায়, জনগণের রায়ই হচ্ছে চূড়ান্ত কথা। তাঁর দাবি, যে পথে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে, সেই পথেই গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাজেই একটি মানলে অন্যটি বাতিল করা যায় না।সংখ্যার চিত্রও টেনে আনেন এই জামায়াত নেতা। তাঁর মতে, সরকার গঠনে ৫১ শতাংশ ভোটকে যদি বৈধ ধরা হয়, তবে গণভোটে ৬৮ শতাংশের বেশি ‘হ্যাঁ’ ভোটকে কেন গুরুত্ব দেয়া হবে না? এটা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত নয়।গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার যে অঙ্গীকার করেছিল, তা ভঙ্গ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ শফিকুরের। তিনি জানান, নির্বাচনের পর দুই ধরনের শপথ নেওয়ার কথা ছিল—একটি সংসদ সদস্য হিসেবে, অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। বিরোধী দলের সবাই দুই শপথ নিয়েছে, কিন্তু সরকারি দল শুধু প্রথমটি নিয়েছে।আন্দোলনের পথে হাঁটারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই নেতা। ১৯৯৪ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলনের কথা তুলে তিনি বলেন, জনগণ যখন রাস্তায় নামে, তখন কোনো সরকার টিকতে পারে না।শেষে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বসে বসে সব সহ্য করবে—এমন বিরোধী দল নয় তারা। জনস্বার্থের প্রশ্নে তারা রুখে দাঁড়াবে। আর আজকের ওয়াকআউট তারই নিদর্শন।এনসিপি নেতা আখতার হোসেনও একই সুরে কথা বলেন। তাঁর দাবি, সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বদলে একটি কমিটি করেছে। এই কমিটিকে তারা মেনে নিতে পারেন না বলেই সংসদ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন বিরোধীরা।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা