ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

আল আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের প্রবেশ, উত্তেজনা

আল আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের প্রবেশ, উত্তেজনা

জেরুজালেমের ঐতিহাসিক আল আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে এক হাজার ৩০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী প্রবেশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আল আকসা প্রাঙ্গণে অমুসলিমদের ইবাদত নিষিদ্ধ থাকার দীর্ঘদিনের নিয়ম ভেঙে এই প্রবেশের ঘটনা ঘটে বলে জেরুজালেম গভর্নরেটের বরাতে জানা গেছে।

জেরুজালেম গভর্নরেট জানায় যে ইসরায়েলি পুলিশ প্রায় ১৫০ জনের আলাদা দল তৈরি করে বসতি স্থাপনকারীদের প্রাঙ্গণে ঢোকার অনুমতি দেয়। সেখানে তারা তালমুদিক রীতিনীতি পালন, গান গাওয়া ও উচ্চস্বরে প্রার্থনার পাশাপাশি পূর্ব অংশের চত্বরে সাষ্টাঙ্গে প্রণিপাত বা 'এপিক প্রোস্ট্রেশন' সম্পন্ন করে।

একই সময়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আল আকসার প্রবেশপথ ও পুরোনো শহরজুড়ে কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে। ভোরের প্রার্থনায় কেবল অল্প কিছু ফিলিস্তিনি যোগ দিতে পেরেছিলেন এবং পরবর্তীতে ইসরায়েলি পুলিশ বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি মুসল্লির ওপর হামলা চালায় বলে গভর্নরেট উল্লেখ করেছে।

ঐতিহাসিক চুক্তি অনুযায়ী মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল আকসায় কেবল মুসলিমদেরই প্রার্থনার অধিকার রয়েছে, যা ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রতীক। তবে ইহুদি ধর্মেও অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত এই চত্বরে খ্রিষ্টপূর্ব ৭০ অব্দে রোমানদের হাতে প্রাচীন মন্দির ধ্বংসের স্মৃতিতে টিশা বি'আব পালন করা হয়।

আল আকসা মসজিদ কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দখলদার বাহিনীর এই কর্মকাণ্ড বন্ধে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বায়ত্তশাসন কর্তৃপক্ষও এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে 'উসকানিমূলক ও বিপজ্জনক' বলে আখ্যা দিয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

বিষয় : আল-আকসা ফিলিস্তিন দখলদার ইসরায়েল

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬


আল আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের প্রবেশ, উত্তেজনা

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬

featured Image
জেরুজালেমের ঐতিহাসিক আল আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে এক হাজার ৩০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী প্রবেশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আল আকসা প্রাঙ্গণে অমুসলিমদের ইবাদত নিষিদ্ধ থাকার দীর্ঘদিনের নিয়ম ভেঙে এই প্রবেশের ঘটনা ঘটে বলে জেরুজালেম গভর্নরেটের বরাতে জানা গেছে।জেরুজালেম গভর্নরেট জানায় যে ইসরায়েলি পুলিশ প্রায় ১৫০ জনের আলাদা দল তৈরি করে বসতি স্থাপনকারীদের প্রাঙ্গণে ঢোকার অনুমতি দেয়। সেখানে তারা তালমুদিক রীতিনীতি পালন, গান গাওয়া ও উচ্চস্বরে প্রার্থনার পাশাপাশি পূর্ব অংশের চত্বরে সাষ্টাঙ্গে প্রণিপাত বা 'এপিক প্রোস্ট্রেশন' সম্পন্ন করে।একই সময়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আল আকসার প্রবেশপথ ও পুরোনো শহরজুড়ে কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে। ভোরের প্রার্থনায় কেবল অল্প কিছু ফিলিস্তিনি যোগ দিতে পেরেছিলেন এবং পরবর্তীতে ইসরায়েলি পুলিশ বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি মুসল্লির ওপর হামলা চালায় বলে গভর্নরেট উল্লেখ করেছে।ঐতিহাসিক চুক্তি অনুযায়ী মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল আকসায় কেবল মুসলিমদেরই প্রার্থনার অধিকার রয়েছে, যা ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রতীক। তবে ইহুদি ধর্মেও অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত এই চত্বরে খ্রিষ্টপূর্ব ৭০ অব্দে রোমানদের হাতে প্রাচীন মন্দির ধ্বংসের স্মৃতিতে টিশা বি'আব পালন করা হয়।আল আকসা মসজিদ কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দখলদার বাহিনীর এই কর্মকাণ্ড বন্ধে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বায়ত্তশাসন কর্তৃপক্ষও এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে 'উসকানিমূলক ও বিপজ্জনক' বলে আখ্যা দিয়েছে।সূত্র: আল জাজিরা

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা