পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে পলিথিন ও প্লাস্টিকের বেআইনি ব্যবহার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ক এক পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশের ওপর পলিথিন ও প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব দিনদিন বাড়ছে। এগুলো ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় পরিবেশবান্ধব ব্লক ইটের ব্যবহার বাড়ানো, বায়ু, পানি, মাটি ও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নসহ পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির জানান, সভায় পরিবেশ দূষণ রোধে গৃহীত উদ্যোগগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় এবং আগামী দিনে করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার রোধে বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় পরিবেশের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পলিথিন ও প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহারে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে এবং প্রয়োজনে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিতে হবে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন