ঢাকা    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

শাহেদ-১৩৬-এর নকশা কপি করে মার্কিন ড্রোন ‘লুকাস’: আইআরজিসির দাবি

শাহেদ-১৩৬-এর নকশা কপি করে মার্কিন ড্রোন ‘লুকাস’: আইআরজিসির দাবি

ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের নকশা অনুসরণ করে যুক্তরাষ্ট্র ‘লুকাস’ নামে নতুন একটি ড্রোন তৈরি করে নিজেদের সামরিক বাহিনীতে যুক্ত করেছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মুসাবি শনিবার খোররামাবাদ শহরে এক অনুষ্ঠানে এ দাবি করেন। ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশটির কাছে এখন বিভিন্ন ধরনের শাহেদ ড্রোন রয়েছে। এগুলোর কিছু সরাসরি হামলায় এবং অন্যগুলো নজরদারির কাজে ব্যবহার করা হয়।

মুসাবি বলেন, তরুণ গবেষকদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও কঠোর পরিশ্রমের কারণেই ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরান উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ‘লুকাস’ ড্রোনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের শাহেদ-১৩৬-এর প্রযুক্তি ও নকশা অনুসরণ করেই ড্রোনটি তৈরি করেছে। পরে সেটি মার্কিন অস্ত্রভান্ডারে যুক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আইআরজিসির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরানের ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-১’-এ দেশটির তৈরি বিপুলসংখ্যক ড্রোন সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এই দাবি আন্তর্জাতিক সামরিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শাহেদ-১৩৬ ড্রোন ইরানের অন্যতম সফল সামরিক প্রযুক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। মার্কিন ‘লুকাস’ ড্রোন নিয়ে ইরানের এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তবে সামরিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি দ্রুত অগ্রগতি করেছে এবং অনেক দেশ এখন ইরানের ড্রোন নকশা অনুসরণ করে নিজস্ব ড্রোন তৈরি করছে। এই ঘটনা ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতারই পরিচয় বহন করে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


শাহেদ-১৩৬-এর নকশা কপি করে মার্কিন ড্রোন ‘লুকাস’: আইআরজিসির দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের নকশা অনুসরণ করে যুক্তরাষ্ট্র ‘লুকাস’ নামে নতুন একটি ড্রোন তৈরি করে নিজেদের সামরিক বাহিনীতে যুক্ত করেছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মুসাবি শনিবার খোররামাবাদ শহরে এক অনুষ্ঠানে এ দাবি করেন। ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশটির কাছে এখন বিভিন্ন ধরনের শাহেদ ড্রোন রয়েছে। এগুলোর কিছু সরাসরি হামলায় এবং অন্যগুলো নজরদারির কাজে ব্যবহার করা হয়।মুসাবি বলেন, তরুণ গবেষকদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও কঠোর পরিশ্রমের কারণেই ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরান উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ‘লুকাস’ ড্রোনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের শাহেদ-১৩৬-এর প্রযুক্তি ও নকশা অনুসরণ করেই ড্রোনটি তৈরি করেছে। পরে সেটি মার্কিন অস্ত্রভান্ডারে যুক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।আইআরজিসির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরানের ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-১’-এ দেশটির তৈরি বিপুলসংখ্যক ড্রোন সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল।বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এই দাবি আন্তর্জাতিক সামরিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শাহেদ-১৩৬ ড্রোন ইরানের অন্যতম সফল সামরিক প্রযুক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। মার্কিন ‘লুকাস’ ড্রোন নিয়ে ইরানের এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তবে সামরিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি দ্রুত অগ্রগতি করেছে এবং অনেক দেশ এখন ইরানের ড্রোন নকশা অনুসরণ করে নিজস্ব ড্রোন তৈরি করছে। এই ঘটনা ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতারই পরিচয় বহন করে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা