ঢাকা    সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

ঢাকা: বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব বিচ্ছিন্নভাবে না এনে এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ নীতিমালার আওতায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ করবে, সেগুলো পরবর্তীতে জাতীয়করণের আওতায় আসবে।

গত ১ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব আসছিল। এভাবে একের পর এক প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব আসার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিতে আসে। পরে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীকে এ বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরির নির্দেশ দেন।

জাতীয়করণের ক্ষেত্রে কোন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে, কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে এবং কোন কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে—নীতিমালায় এসব বিষয় স্পষ্ট করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা।

তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা হলে ভবিষ্যতে ইচ্ছেমতো বা বিচ্ছিন্নভাবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সুযোগ থাকবে না। বরং নীতিমালায় নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণের জন্য বিবেচিত হবে। এতে প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয়করণের প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করাও সহজ হবে।

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে মোট বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ৯২ হাজার ৩৯২টি। এরমধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৬ হাজার ৫৮০টি ও নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান ৬৬ হাজার ২৮৭টি।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
ঢাকা: বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব বিচ্ছিন্নভাবে না এনে এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ নীতিমালার আওতায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ করবে, সেগুলো পরবর্তীতে জাতীয়করণের আওতায় আসবে।গত ১ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব আসছিল। এভাবে একের পর এক প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব আসার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিতে আসে। পরে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীকে এ বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরির নির্দেশ দেন।জাতীয়করণের ক্ষেত্রে কোন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে, কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে এবং কোন কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে—নীতিমালায় এসব বিষয় স্পষ্ট করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা।তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা হলে ভবিষ্যতে ইচ্ছেমতো বা বিচ্ছিন্নভাবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সুযোগ থাকবে না। বরং নীতিমালায় নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণের জন্য বিবেচিত হবে। এতে প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয়করণের প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করাও সহজ হবে।বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে মোট বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ৯২ হাজার ৩৯২টি। এরমধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৬ হাজার ৫৮০টি ও নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান ৬৬ হাজার ২৮৭টি।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা