ঢাকা    সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
গণবার্তা

যাত্রীসেবা ও ভাড়া নিয়ন্ত্রণে বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশ জারি

যাত্রীসেবা ও ভাড়া নিয়ন্ত্রণে বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশ জারি

দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, টিকিটিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং বিমান ভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ–২০২৬ জারি করেছে সরকার।

বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০১৭ সালের বিদ্যমান আইনে ব্যাপক সংশোধনের মাধ্যমে এই অধ্যাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। নতুন আইনে প্রথমবারের মতো যাত্রীসেবাকে আইনটির মূল উদ্দেশ্যের অংশ হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, ফলে যাত্রীদের নিরাপত্তা, সুবিধা ও তথ্য সুরক্ষা এখন কর্তৃপক্ষের বাধ্যতামূলক দায়িত্বের আওতায় পড়ছে।

সংশোধিত অধ্যাদেশে বিমান খাতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে ‘গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সার্ভিস প্রোভাইডার’, ‘ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল’ এবং ‘সাধারণ বিক্রয় প্রতিনিধি (জিএসএ)’—এই তিনটি বিষয়ের সংজ্ঞা ও কার্যপরিধি নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা খাতে শৃঙ্খলা আনার পথে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিমান ভাড়া ও অন্যান্য চার্জ নির্ধারণে স্বচ্ছতা আনতে একটি উচ্চপর্যায়ের উপদেষ্টা পর্ষদ গঠনের সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার। এই পর্ষদ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এয়ার অপারেটর এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠানের ফি, চার্জ, রয়্যালটি ও ভাড়ার হার নির্ধারণে সরকারের কাছে সুপারিশ করবে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সব এয়ার অপারেটরকে তাদের প্রতিটি রুটের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ভাড়ার তালিকা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। কোনো রুটে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অস্বাভাবিকভাবে ভাড়া বাড়ানোর অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই অধ্যাদেশ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশের বিমান চলাচল খাতে যাত্রীস্বার্থ রক্ষা এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি হবে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬


যাত্রীসেবা ও ভাড়া নিয়ন্ত্রণে বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশ জারি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, টিকিটিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং বিমান ভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ–২০২৬ জারি করেছে সরকার।বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০১৭ সালের বিদ্যমান আইনে ব্যাপক সংশোধনের মাধ্যমে এই অধ্যাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। নতুন আইনে প্রথমবারের মতো যাত্রীসেবাকে আইনটির মূল উদ্দেশ্যের অংশ হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, ফলে যাত্রীদের নিরাপত্তা, সুবিধা ও তথ্য সুরক্ষা এখন কর্তৃপক্ষের বাধ্যতামূলক দায়িত্বের আওতায় পড়ছে।সংশোধিত অধ্যাদেশে বিমান খাতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে ‘গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সার্ভিস প্রোভাইডার’, ‘ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল’ এবং ‘সাধারণ বিক্রয় প্রতিনিধি (জিএসএ)’—এই তিনটি বিষয়ের সংজ্ঞা ও কার্যপরিধি নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা খাতে শৃঙ্খলা আনার পথে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বিমান ভাড়া ও অন্যান্য চার্জ নির্ধারণে স্বচ্ছতা আনতে একটি উচ্চপর্যায়ের উপদেষ্টা পর্ষদ গঠনের সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার। এই পর্ষদ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এয়ার অপারেটর এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠানের ফি, চার্জ, রয়্যালটি ও ভাড়ার হার নির্ধারণে সরকারের কাছে সুপারিশ করবে।অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সব এয়ার অপারেটরকে তাদের প্রতিটি রুটের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ভাড়ার তালিকা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। কোনো রুটে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অস্বাভাবিকভাবে ভাড়া বাড়ানোর অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবেন। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই অধ্যাদেশ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশের বিমান চলাচল খাতে যাত্রীস্বার্থ রক্ষা এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি হবে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ 
প্রকাশকঃ ফিরোজ আল-মামুন 

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা