ঢাকা    সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
গণবার্তা

পাকিস্তান সরকারের ছাড়পত্র

এ মাসেই শুরু হতে পারে বিমানের ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট

এ মাসেই শুরু হতে পারে বিমানের ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট
ছবিঃ গণবার্তা গ্রাফিক্স

দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের ছাড়পত্র পাওয়ার পর পাকিস্তানের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (সিএএ) আনুষ্ঠানিকভাবে এ অনুমতি দেয়।

পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজ জানায়, ফেডারেল সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে সিএএর মহাপরিচালক বিমান বাংলাদেশকে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতিপত্র প্রদান করেছেন। প্রাথমিকভাবে এই অনুমোদনের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত।

এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ঢাকায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে জানান, জানুয়ারির মধ্যেই ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যেই সেই ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দুই দেশের মধ্যে পুনরায় সরাসরি আকাশপথ চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অনুমোদনের অংশ হিসেবে বিমান বাংলাদেশকে পাকিস্তানের আকাশসীমার নির্ধারিত রুট ব্যবহারের সুযোগও দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি জানিয়েছে, আকাশসীমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিমান বাংলাদেশকে নির্ধারিত ফ্লাইট পথ অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি ঢাকা থেকে ফ্লাইট ছাড়ার আগেই করাচি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে পূর্ণাঙ্গ ফ্লাইট বিবরণ জমা দেয়ার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।

সিএএর কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, চলতি মাসের শেষ দিকেই ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হতে পারে।

এর আগে পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ইকবাল হুসেইন খান জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে তিনটি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বর্তমানে ঢাকা থেকে করাচি যেতে যাত্রীদের মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ট্রানজিট নিতে হয়। সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে গড়ে এক লাখ টাকার বেশি, যেখানে ২০১৯ সালে একই রুটে যাতায়াত ব্যয় ছিল প্রায় ৫০–৫৫ হাজার টাকা। সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে সময় ও খরচ—উভয় ক্ষেত্রেই যাত্রীদের বড় ধরনের স্বস্তি মিলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬


এ মাসেই শুরু হতে পারে বিমানের ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের ছাড়পত্র পাওয়ার পর পাকিস্তানের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (সিএএ) আনুষ্ঠানিকভাবে এ অনুমতি দেয়।পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজ জানায়, ফেডারেল সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে সিএএর মহাপরিচালক বিমান বাংলাদেশকে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতিপত্র প্রদান করেছেন। প্রাথমিকভাবে এই অনুমোদনের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত।এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ঢাকায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে জানান, জানুয়ারির মধ্যেই ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যেই সেই ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল।সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দুই দেশের মধ্যে পুনরায় সরাসরি আকাশপথ চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অনুমোদনের অংশ হিসেবে বিমান বাংলাদেশকে পাকিস্তানের আকাশসীমার নির্ধারিত রুট ব্যবহারের সুযোগও দেওয়া হয়েছে।পাকিস্তানের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি জানিয়েছে, আকাশসীমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিমান বাংলাদেশকে নির্ধারিত ফ্লাইট পথ অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি ঢাকা থেকে ফ্লাইট ছাড়ার আগেই করাচি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে পূর্ণাঙ্গ ফ্লাইট বিবরণ জমা দেয়ার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।সিএএর কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, চলতি মাসের শেষ দিকেই ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হতে পারে।এর আগে পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ইকবাল হুসেইন খান জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে তিনটি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।বর্তমানে ঢাকা থেকে করাচি যেতে যাত্রীদের মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ট্রানজিট নিতে হয়। সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে গড়ে এক লাখ টাকার বেশি, যেখানে ২০১৯ সালে একই রুটে যাতায়াত ব্যয় ছিল প্রায় ৫০–৫৫ হাজার টাকা। সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে সময় ও খরচ—উভয় ক্ষেত্রেই যাত্রীদের বড় ধরনের স্বস্তি মিলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ 
প্রকাশকঃ ফিরোজ আল-মামুন 

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা