গণবার্তা

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড ভুয়া: দাবী গোলাম পরওয়ারের

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড ভুয়া: দাবী গোলাম পরওয়ারের

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, তথাকথিত ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড আরেকটি প্রতারণার ফাঁদ। তিনি দাবি করেন, এসব কার্ড সম্পূর্ণ ভুয়া এবং বাস্তবে কোনো সুফল দেবে না।

তিনি অভিযোগ করেন, কার্ডের কথা বলে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। কেউ বলছে ৪ হাজার টাকা দেওয়া হবে, কেউ বলছে ২০-২১ হাজার টাকা, আবার কেউ চাল-গম, তেল বা রেশনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে কী দেওয়া হবে—তা কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। তার ভাষায়, দেশে যেখানে মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি, সেখানে ৫০ কোটি কার্ড দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং মিথ্যার ওপর মিথ্যা।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শলুয়া বাজার, গজেন্দ্রপুর, রামকৃষ্ণপুর, চুকনগর বাজার, আন্দুলিয়া ও কৃষ্ণনগরে পৃথক গণসংযোগ, নির্বাচনি জনসভা ও মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা ডুমুরিয়ায় চাঁদাবাজি ও ভাঙচুর চালিয়েছে, তারাই এখন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর কাছে গিয়ে নিরাপত্তা দেওয়ার অজুহাতে ভোট চাইছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাস্তার পাশে বাদাম বিক্রি করা কিংবা ছোট দোকান চালানো মানুষের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর ডুমুরিয়ায় প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি হয়েছে। প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল না, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। তাহলে দোকান ভাঙচুর ও চাঁদাবাজি কারা করেছে—এই প্রশ্ন তোলা কি অন্যায়?

গোলাম পরওয়ার বলেন, চাঁদা, কার্ড আর মিথ্যার রাজনীতি দিয়ে আর বাংলার মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।

এ সময় তিনি জানান, বিএনপি নেতাকর্মীদের কার্ড বিতরণের ভিডিও নির্বাচন কমিশনার ও কমিশন সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি জানতে চেয়েছেন, এটি নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন কি না। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আচরণবিধিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে—নির্বাচনের আগে কোনো দল বা প্রার্থী জনগণকে অনুদান বা লোভনীয় প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬


ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড ভুয়া: দাবী গোলাম পরওয়ারের

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, তথাকথিত ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড আরেকটি প্রতারণার ফাঁদ। তিনি দাবি করেন, এসব কার্ড সম্পূর্ণ ভুয়া এবং বাস্তবে কোনো সুফল দেবে না।তিনি অভিযোগ করেন, কার্ডের কথা বলে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। কেউ বলছে ৪ হাজার টাকা দেওয়া হবে, কেউ বলছে ২০-২১ হাজার টাকা, আবার কেউ চাল-গম, তেল বা রেশনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে কী দেওয়া হবে—তা কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। তার ভাষায়, দেশে যেখানে মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি, সেখানে ৫০ কোটি কার্ড দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং মিথ্যার ওপর মিথ্যা।রোববার (২৫ জানুয়ারি) খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শলুয়া বাজার, গজেন্দ্রপুর, রামকৃষ্ণপুর, চুকনগর বাজার, আন্দুলিয়া ও কৃষ্ণনগরে পৃথক গণসংযোগ, নির্বাচনি জনসভা ও মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।গোলাম পরওয়ার বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা ডুমুরিয়ায় চাঁদাবাজি ও ভাঙচুর চালিয়েছে, তারাই এখন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর কাছে গিয়ে নিরাপত্তা দেওয়ার অজুহাতে ভোট চাইছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাস্তার পাশে বাদাম বিক্রি করা কিংবা ছোট দোকান চালানো মানুষের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর ডুমুরিয়ায় প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি হয়েছে। প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল না, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। তাহলে দোকান ভাঙচুর ও চাঁদাবাজি কারা করেছে—এই প্রশ্ন তোলা কি অন্যায়?গোলাম পরওয়ার বলেন, চাঁদা, কার্ড আর মিথ্যার রাজনীতি দিয়ে আর বাংলার মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। এ সময় তিনি জানান, বিএনপি নেতাকর্মীদের কার্ড বিতরণের ভিডিও নির্বাচন কমিশনার ও কমিশন সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি জানতে চেয়েছেন, এটি নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন কি না। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আচরণবিধিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে—নির্বাচনের আগে কোনো দল বা প্রার্থী জনগণকে অনুদান বা লোভনীয় প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ 
প্রকাশকঃ ফিরোজ আল-মামুন 

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা