গণবার্তা

সকাল-সন্ধ্যার আমল

সকাল-সন্ধ্যার আমল

সকালের আমল

দিনের শুরুতে আল্লাহর স্মরণে সময় কাটানো ইসলামী জীবনের অন্যতম সৌন্দর্য। ফজরের নামাজ আদায়ের পর কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও জিকিরে সময় কাটানোকে নবী করীম (সা.) বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন।

  • ফজরের পর সূর্য ওঠা পর্যন্ত তাসবিহ, তাহমিদ ও তাকবির পাঠ করা।
  • আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করা।
  • “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম”—এই জিকির বারবার পাঠ করলে গুনাহ মাফ হয় এবং জান্নাতের বাগান রোপিত হয়।
  • সকালবেলায় “আযকারুস সাবাহ” অর্থাৎ সকালবেলার দোয়া পাঠ করা, যা মানুষকে সারা দিনের বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করে।

দিনের শেষে মাগরিব ও এশার নামাজের পর আমলগুলোও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

  • মাগরিবের পর থেকে রাত পর্যন্ত “আযকারুল মাসা” অর্থাৎ সন্ধ্যার দোয়া পাঠ করা।
  • সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করলে রিজিকের বরকত হয় বলে হাদিসে উল্লেখ আছে।
  • এশার নামাজের পর ইস্তিগফার করা এবং “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বেশি বেশি পাঠ করা।
  • রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করে শরীরের ওপর হাত বুলিয়ে নেয়া।
  • ঘুমানোর আগে “বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমুতু ওয়া আহইয়া” দোয়া পাঠ করা।

সকাল-সন্ধ্যার আমল শুধু দোয়া বা জিকির নয়, বরং এটি মানুষের অন্তরে প্রশান্তি আনে। দিনের শুরুতে আল্লাহর স্মরণ মানুষকে শক্তি ও আশাবাদ দেয়, আর দিনের শেষে আমল মানুষকে নিরাপত্তা ও শান্তি দেয়।

যারা নিয়মিত সকাল-সন্ধ্যার আমল করেন, তারা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচকতা অনুভব করেন। পরিবারে শান্তি, কর্মক্ষেত্রে মনোযোগ এবং সমাজে নৈতিকতা বজায় রাখতে এই আমলগুলো সহায়ক ভূমিকা রাখে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬


সকাল-সন্ধ্যার আমল

প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
সকালের আমল দিনের শুরুতে আল্লাহর স্মরণে সময় কাটানো ইসলামী জীবনের অন্যতম সৌন্দর্য। ফজরের নামাজ আদায়ের পর কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও জিকিরে সময় কাটানোকে নবী করীম (সা.) বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। ফজরের পর সূর্য ওঠা পর্যন্ত তাসবিহ, তাহমিদ ও তাকবির পাঠ করা। আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করা। “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম”—এই জিকির বারবার পাঠ করলে গুনাহ মাফ হয় এবং জান্নাতের বাগান রোপিত হয়। সকালবেলায় “আযকারুস সাবাহ” অর্থাৎ সকালবেলার দোয়া পাঠ করা, যা মানুষকে সারা দিনের বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করে। দিনের শেষে মাগরিব ও এশার নামাজের পর আমলগুলোও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মাগরিবের পর থেকে রাত পর্যন্ত “আযকারুল মাসা” অর্থাৎ সন্ধ্যার দোয়া পাঠ করা। সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করলে রিজিকের বরকত হয় বলে হাদিসে উল্লেখ আছে। এশার নামাজের পর ইস্তিগফার করা এবং “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বেশি বেশি পাঠ করা। রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করে শরীরের ওপর হাত বুলিয়ে নেয়া। ঘুমানোর আগে “বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমুতু ওয়া আহইয়া” দোয়া পাঠ করা। সকাল-সন্ধ্যার আমল শুধু দোয়া বা জিকির নয়, বরং এটি মানুষের অন্তরে প্রশান্তি আনে। দিনের শুরুতে আল্লাহর স্মরণ মানুষকে শক্তি ও আশাবাদ দেয়, আর দিনের শেষে আমল মানুষকে নিরাপত্তা ও শান্তি দেয়। যারা নিয়মিত সকাল-সন্ধ্যার আমল করেন, তারা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচকতা অনুভব করেন। পরিবারে শান্তি, কর্মক্ষেত্রে মনোযোগ এবং সমাজে নৈতিকতা বজায় রাখতে এই আমলগুলো সহায়ক ভূমিকা রাখে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ 
প্রকাশকঃ ফিরোজ আল-মামুন 

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা