ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার পর ইরান কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
এএফপি জানিয়েছে, বাহরাইন, দোহা ও সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, আবুধাবির একটি আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়ে একজন নিহত হয়েছেন।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিবিসি আরবি জানিয়েছে, তেহরানে তার কার্যালয় ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদের কাছেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইসরায়েল বলেছে, ইরানের হামলা ছিল পূর্ব-নির্ধারিত আক্রমণ। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দেশজুড়ে বিশেষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, আত্মরক্ষার অধিকারের আওতায় দেশটি সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করবে। তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তাদের ভূখণ্ডকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তেহরান থেকে আসা ভিডিওতে দেখা গেছে আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ব্যস্ত সড়কে গাড়ি চলাচল ধীর হয়ে যায়, মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। কেউ কেউ বলছে, “তারা তীব্র আঘাত করেছে… খামেনির বাড়ির কাছে।”
সামগ্রিকভাবে, হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন