ঢাকা    সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
ঢাকা    সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
গণবার্তা

খুলনায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, পরিচালক পলাতক

খুলনায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, পরিচালক পলাতক

খুলনা নগরীর মোল্লাবাড়ি এলাকায় 'নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র' নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক শাহীন ও তার সহযোগী পঙ্কজ শিকদার পলাতক রয়েছেন।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ জানান, ধর্ষণের শিকার ওই নারী এক কন্যা সন্তানের জননী। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বন্ধু সায়মনের সঙ্গে তিনি নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে বন্ধুর কাছে পাওনা ৪ হাজার টাকা দাবি করেন। বন্ধুর কথিত চাচা পঙ্কজ শিকদারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেবেন বলে ওই বন্ধু ভবনের চিলেকোঠায় নিয়ে যান তাঁকে। পরে ভিকটিমকে সেখানে রেখে সায়মন নিচে চলে যান।

এরপর রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শাহীন ও বন্ধুর কথিত চাচা পঙ্কজ শিকদার ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

অনিমেষ আরও জানান, ধর্ষণ শেষে ওই নারীকে গেটের ভেতরে তালাবদ্ধ রেখে ওই দুজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। নারীর কাছে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে স্বামীকে বিষয়টি জানালে তিনি থানায় এসে পুলিশকে জানান।

পুলিশ খবর পেয়ে সোনাডাঙ্গা থানাধীন মোল্লাবাড়ির সামনে নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের সামনে যায়। প্রতিষ্ঠানের মূল ফটক তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরে তাঁকে স্বামীর হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, "এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলায় তিনজনকে আসামি করা হবে। তাঁদের কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।"

সোমবার রাতে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন অফিস সহায়ক ছাড়া ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা অফিসে উপস্থিত ছিলেন না।

খুলনা বিভাগীয় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সিনিয়র উপ-পরিচালক মলয় ভূষণ চক্রবর্তীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনা সম্পর্কে জানতে ওই নিরাময় কেন্দ্রে উপস্থিত হন। তবে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা না থাকায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬


খুলনায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, পরিচালক পলাতক

প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬

featured Image
খুলনা নগরীর মোল্লাবাড়ি এলাকায় 'নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র' নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক শাহীন ও তার সহযোগী পঙ্কজ শিকদার পলাতক রয়েছেন।সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ জানান, ধর্ষণের শিকার ওই নারী এক কন্যা সন্তানের জননী। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বন্ধু সায়মনের সঙ্গে তিনি নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে বন্ধুর কাছে পাওনা ৪ হাজার টাকা দাবি করেন। বন্ধুর কথিত চাচা পঙ্কজ শিকদারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেবেন বলে ওই বন্ধু ভবনের চিলেকোঠায় নিয়ে যান তাঁকে। পরে ভিকটিমকে সেখানে রেখে সায়মন নিচে চলে যান।এরপর রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শাহীন ও বন্ধুর কথিত চাচা পঙ্কজ শিকদার ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।অনিমেষ আরও জানান, ধর্ষণ শেষে ওই নারীকে গেটের ভেতরে তালাবদ্ধ রেখে ওই দুজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। নারীর কাছে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে স্বামীকে বিষয়টি জানালে তিনি থানায় এসে পুলিশকে জানান।পুলিশ খবর পেয়ে সোনাডাঙ্গা থানাধীন মোল্লাবাড়ির সামনে নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের সামনে যায়। প্রতিষ্ঠানের মূল ফটক তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে।ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরে তাঁকে স্বামীর হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, "এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলায় তিনজনকে আসামি করা হবে। তাঁদের কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।"সোমবার রাতে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন অফিস সহায়ক ছাড়া ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা অফিসে উপস্থিত ছিলেন না।খুলনা বিভাগীয় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সিনিয়র উপ-পরিচালক মলয় ভূষণ চক্রবর্তীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনা সম্পর্কে জানতে ওই নিরাময় কেন্দ্রে উপস্থিত হন। তবে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা না থাকায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা