নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার নরসিংপুর এলাকায় মাথা থেঁতলে ও গলা কেটে শিশু সৈকত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ধর্ষণের (বলাৎকার) ঘটনায় ধর্ষককে চিনে ফেলায় বা বাড়ির কাছে বলে দিতে পারে এই ভয়েই শিশুটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
এ ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সদর থানার উত্তর ধানগড়া এলাকায়। সে পরিবারের সঙ্গে নরসিংপুর সামছুলের মোড়ের একটি বাসায় ভাড়া থাকত।
পুলিশ সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত কিশোর জানিয়েছে, শিশু সৈকতকে ধর্ষণের (বলাৎকার) পর হত্যা করা হয়। পরে লাশ গোপন করতে পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলে রাখা হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আব্দুল মান্নান বলেন, ঘটনাস্থলে শিশুটির শরীরে নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, নির্যাতনের বিষয়টি গোপন রাখতেই তাকে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল বিকালে শিশু সৈকতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে ৫ এপ্রিল দুপুর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। নিহত সৈকত গাইবান্ধা জেলার বাসিন্দা আঞ্জুর ছেলে এবং স্থানীয় মাহমুদিয়া মাদরাসার ছাত্র ছিল।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন