ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
গণবার্তা

পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিতের বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিল; হরমুজে চুক্তির অপেক্ষায় আটকে আছে ১৬০০ জাহাজ

শেষ হতে যাচ্ছে ইরান যুদ্ধ, চূড়ান্ত পর্যায়ে সমঝোতা

 শেষ হতে যাচ্ছে ইরান যুদ্ধ, চূড়ান্ত পর্যায়ে সমঝোতা
গণবার্তা । গ্রাফিক্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা ভয়াবহ যুদ্ধের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তির বিষয়ে তারা শেষ ধাপে পৌঁছেছেন। তিনি আশা করছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই এটি চূড়ান্ত হতে পারে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক পথে হাঁটতে ইরানের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন, তবে দেশটির জনগণের অধিকার রক্ষায় কোনো আপস নয় বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের পক্ষ থেকে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, যুদ্ধবিরতির ভিত্তি তৈরি করতে দুই পক্ষ মাত্র এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা স্মারকে সইয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। হোয়াইট হাউস মনে করছে, এই দলিলটি ভবিষ্যতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার একটি রূপরেখা হিসেবে কাজ করবে। খসড়া স্মারকে ইরান তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে সম্মত হবে বলে জানা গেছে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে, আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেবে এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নিতে রাজি হয়েছে।

ট্রাম্প নিজেও বিষয়টিকে ‘সতর্ক আশাবাদ’ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকটা হ্রাস পেয়েছে এবং তারা এখন আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা ওড়ানোর কাছাকাছি চলে এসেছে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, ইরান যদি প্রস্তাবিত চুক্তি মেনে নিতে ব্যর্থ হয়, তবে আগের চেয়ে ভয়াবহ ও তীব্র বোমা হামলা শুরু হবে। এ প্রসঙ্গে ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইবরাহিম রেজায়ি বলেছেন, মার্কিন প্রস্তাব প্রায় একতরফা দাবির তালিকা। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগের পেছনে কাজ করছে পাকিস্তান। দেশটির এক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধের প্রক্রিয়া এখন খুব কাছাকাছি চলে এসেছে এবং খুব দ্রুতই এর সমাপ্তি টানা যাবে। তবে ইরানের জনমনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি গভীর অবিশ্বাস রয়ে গেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁর সঙ্গে ফোনালাপে অভিযোগ করেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলাকালেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে দুবার হামলা চালিয়েছে, যা পেছন থেকে ছুরি মারার মতো।

এই কূটনৈতিক অগ্রগতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালির কাছে এখনো প্রায় ১৬০০টি জাহাজ আটকে আছে। মাস দুয়েকের বেশি সময় ধরে এই জলপথ ছাড়ার সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে জাহাজ চলাচল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যয়বহুল ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। ট্রাম্প হরমুজে আটকে পড়া জাহাজগুলোর নিরাপত্তা দিয়ে প্রণালি পার করতে সহায়তা করতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি অভিযান শুরু করেছিলেন। অবশ্য এ অভিযান মাত্র ৪৮ ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল এবং এর আওতায় মাত্র দুটি জাহাজ হরমুজ পার হয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য ঘোষণা দিয়েছেন, শান্তি চুক্তির কথা মাথায় রেখে প্রজেক্ট ফ্রিডম স্থগিত থাকবে, কিন্তু ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ পুরোপুরি বহাল থাকবে।

চুক্তির অন্যতম বড় বাধা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখার সময়সীমা নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি সীমাবদ্ধতা চাইছে, অন্যদিকে ইরান তুলনামূলক স্বল্পমেয়াদি প্রস্তাব দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত এই সময় দশ বছরের বেশি হতে পারে। পাশাপাশি, ইরানের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে, যা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দাবি।

এদিকে ইসরায়েল এই সম্ভাব্য চুক্তি মেনে নিতে নারাজ। ইসরায়েলি পাবলিক ব্রডকাস্টিং করপোরেশন জানিয়েছে, তেল আবিব ইরানের সঙ্গে যেকোনো আলোচনাকে শুধু সময়ের অপচয় বলে মনে করে। ইরানের মূল ভূখণ্ডে আবারও হামলা চালানোর জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা দিয়েছে। জানা গেছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকর্তারা ইরানের বেশিরভাগ অপরিশোধিত তেল শোধনাগার ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার একটি নতুন তালিকা তৈরি করেছেন।

উভয় দেশ যখন কূটনৈতিক সমাধানের দ্বারপ্রান্তে, তখন বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে। শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে হরমুজের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে বলে বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়ার মতো দেশগুলোও ইরানকে কূটনৈতিক সমর্থন দিতে এগিয়ে এসেছে। বেইজিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও ‘অবৈধ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। আরাগচি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ইরান শুধু একটি ‘ন্যায্য ও পূর্ণাঙ্গ’ চুক্তিই গ্রহণ করবে।

বর্তমানে সবকিছু নির্ভর করছে তেহরানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দাবির জবাব দিতে হচ্ছে ইরানকে। ট্রাম্প এরই মধ্যে আভাস দিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। কিন্তু ইরানের জনগণ ও নীতিনির্ধারকরা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কতটা আস্থা রাখবেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


শেষ হতে যাচ্ছে ইরান যুদ্ধ, চূড়ান্ত পর্যায়ে সমঝোতা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা ভয়াবহ যুদ্ধের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তির বিষয়ে তারা শেষ ধাপে পৌঁছেছেন। তিনি আশা করছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই এটি চূড়ান্ত হতে পারে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক পথে হাঁটতে ইরানের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন, তবে দেশটির জনগণের অধিকার রক্ষায় কোনো আপস নয় বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন।ওয়াশিংটন ও তেহরানের পক্ষ থেকে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, যুদ্ধবিরতির ভিত্তি তৈরি করতে দুই পক্ষ মাত্র এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা স্মারকে সইয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। হোয়াইট হাউস মনে করছে, এই দলিলটি ভবিষ্যতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার একটি রূপরেখা হিসেবে কাজ করবে। খসড়া স্মারকে ইরান তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে সম্মত হবে বলে জানা গেছে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে, আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেবে এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নিতে রাজি হয়েছে।ট্রাম্প নিজেও বিষয়টিকে ‘সতর্ক আশাবাদ’ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকটা হ্রাস পেয়েছে এবং তারা এখন আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা ওড়ানোর কাছাকাছি চলে এসেছে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, ইরান যদি প্রস্তাবিত চুক্তি মেনে নিতে ব্যর্থ হয়, তবে আগের চেয়ে ভয়াবহ ও তীব্র বোমা হামলা শুরু হবে। এ প্রসঙ্গে ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইবরাহিম রেজায়ি বলেছেন, মার্কিন প্রস্তাব প্রায় একতরফা দাবির তালিকা। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না।যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগের পেছনে কাজ করছে পাকিস্তান। দেশটির এক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধের প্রক্রিয়া এখন খুব কাছাকাছি চলে এসেছে এবং খুব দ্রুতই এর সমাপ্তি টানা যাবে। তবে ইরানের জনমনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি গভীর অবিশ্বাস রয়ে গেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁর সঙ্গে ফোনালাপে অভিযোগ করেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলাকালেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে দুবার হামলা চালিয়েছে, যা পেছন থেকে ছুরি মারার মতো।এই কূটনৈতিক অগ্রগতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালির কাছে এখনো প্রায় ১৬০০টি জাহাজ আটকে আছে। মাস দুয়েকের বেশি সময় ধরে এই জলপথ ছাড়ার সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে জাহাজ চলাচল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যয়বহুল ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। ট্রাম্প হরমুজে আটকে পড়া জাহাজগুলোর নিরাপত্তা দিয়ে প্রণালি পার করতে সহায়তা করতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি অভিযান শুরু করেছিলেন। অবশ্য এ অভিযান মাত্র ৪৮ ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল এবং এর আওতায় মাত্র দুটি জাহাজ হরমুজ পার হয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য ঘোষণা দিয়েছেন, শান্তি চুক্তির কথা মাথায় রেখে প্রজেক্ট ফ্রিডম স্থগিত থাকবে, কিন্তু ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ পুরোপুরি বহাল থাকবে।চুক্তির অন্যতম বড় বাধা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখার সময়সীমা নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি সীমাবদ্ধতা চাইছে, অন্যদিকে ইরান তুলনামূলক স্বল্পমেয়াদি প্রস্তাব দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত এই সময় দশ বছরের বেশি হতে পারে। পাশাপাশি, ইরানের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে, যা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দাবি।এদিকে ইসরায়েল এই সম্ভাব্য চুক্তি মেনে নিতে নারাজ। ইসরায়েলি পাবলিক ব্রডকাস্টিং করপোরেশন জানিয়েছে, তেল আবিব ইরানের সঙ্গে যেকোনো আলোচনাকে শুধু সময়ের অপচয় বলে মনে করে। ইরানের মূল ভূখণ্ডে আবারও হামলা চালানোর জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা দিয়েছে। জানা গেছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকর্তারা ইরানের বেশিরভাগ অপরিশোধিত তেল শোধনাগার ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার একটি নতুন তালিকা তৈরি করেছেন।উভয় দেশ যখন কূটনৈতিক সমাধানের দ্বারপ্রান্তে, তখন বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে। শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে হরমুজের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে বলে বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়ার মতো দেশগুলোও ইরানকে কূটনৈতিক সমর্থন দিতে এগিয়ে এসেছে। বেইজিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও ‘অবৈধ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। আরাগচি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ইরান শুধু একটি ‘ন্যায্য ও পূর্ণাঙ্গ’ চুক্তিই গ্রহণ করবে।বর্তমানে সবকিছু নির্ভর করছে তেহরানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দাবির জবাব দিতে হচ্ছে ইরানকে। ট্রাম্প এরই মধ্যে আভাস দিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। কিন্তু ইরানের জনগণ ও নীতিনির্ধারকরা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কতটা আস্থা রাখবেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা