ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
গণবার্তা

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর পুলিশি তদন্ত ও নথি যাচাইয়ের নির্দেশ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর পুলিশি তদন্ত ও নথি যাচাইয়ের নির্দেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ ও নথিপত্র যাচাইয়ের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। রোববার (১০ মে) অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (নিয়োগ) আইরিন পারভীন স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চূড়ান্ত নিয়োগের আগে নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশি তদন্তের (পুলিশ ভেরিফিকেশন) মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

কী যাচাই করা হবে

এই প্রক্রিয়ায় মূলত দুটি বিষয় নিশ্চিত করা হবে। প্রথমত, প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ বা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা আছে কি না। দ্বিতীয়ত, নিয়োগের সময় প্রার্থীর জমা দেওয়া সকল সনদ ও নথিপত্রের সত্যতা যাচাই।

নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সাধারণত পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং ডকুমেন্ট যাচাই শেষে সব তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে তবেই প্রার্থীদের চূড়ান্ত নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়।

স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে উদ্যোগ

উল্লেখ্য, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অধিদপ্তর। এই যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাদের পেশাগত জীবন শুরু করতে পারবেন।

বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী, দ্রুতই এই তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিষয় : সহকারী শিক্ষক নিয়োগ

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর পুলিশি তদন্ত ও নথি যাচাইয়ের নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ ও নথিপত্র যাচাইয়ের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। রোববার (১০ মে) অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (নিয়োগ) আইরিন পারভীন স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চূড়ান্ত নিয়োগের আগে নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশি তদন্তের (পুলিশ ভেরিফিকেশন) মধ্য দিয়ে যেতে হবে।কী যাচাই করা হবেএই প্রক্রিয়ায় মূলত দুটি বিষয় নিশ্চিত করা হবে। প্রথমত, প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ বা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা আছে কি না। দ্বিতীয়ত, নিয়োগের সময় প্রার্থীর জমা দেওয়া সকল সনদ ও নথিপত্রের সত্যতা যাচাই।নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সাধারণত পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং ডকুমেন্ট যাচাই শেষে সব তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে তবেই প্রার্থীদের চূড়ান্ত নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়।স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে উদ্যোগউল্লেখ্য, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অধিদপ্তর। এই যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাদের পেশাগত জীবন শুরু করতে পারবেন।বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী, দ্রুতই এই তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা