নেত্রকোনা সীমান্ত দিয়ে সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইন’ প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে। এ কারণে সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছেন বাহিনীর সদস্যরা। সরেজমিন দেখা যায়, কলমাকান্দা সীমান্তের চন্দ্রডিঙা এলাকায় বিজিবি সদস্যরা অস্ত্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে টহল দিচ্ছেন। সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন কিংবা চোরাচালানের ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হচ্ছে।
বিজিবি মূলত বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত একটি আধাসামরিক বাহিনী। সীমান্তের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিজিবি সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং সীমান্ত নিরাপত্তায় কোনো ধরনের শিথিলতার সুযোগ নেই। সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত বিজিবিকে জানাতে হবে। দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কঠোর নজরদারি ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে নেত্রকোনা ৩১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী বলেন, সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইন’ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্তে শান্তি, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বিজিবির বাড়তি নজরদারিতে পুশইনের আশঙ্কা কমেছে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে বিজিবির এ কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন