ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

বিয়ের আশ্বাস দিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম কারাগারে

বিয়ের আশ্বাস দিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম কারাগারে

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ইমাম হুমায়ুন আহমেদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। জামিন শুনানির সময় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে পুলিশ তাকে বিশ্বম্ভরপুর জোনের আমলগ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এমদাদ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় জবানবন্দি দেন।

অভিযুক্ত হুমায়ুন আহমেদ (৩০) বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের মধুরকান্দি গ্রামের ইছব আলীর ছেলে। ইমাম হুমায়ুন আহমেদের জামিন না মঞ্জুর হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের জেনারেল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (জিআরও) এএসআই ফরিদ আহমেদ। জামিন শুনানিতে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী অংশগ্রহণ করেননি বলে জানান তিনি।

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হুমায়ুন আহমেদ উপজেলার একটি জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ওই সময় এলাকার একাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তিনি ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন এবং বিষয়টি কাউকে না বলতে ছুরির ভয় দেখান। পরে আরও কয়েকবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত তা অস্বীকার করেন এবং ভয়ভীতি দেখান।

এই ঘটনায় গত ২৬ জুলাই ভুক্তভোগীর বাবা সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিশ্বম্ভরপুর থানাকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাঘবের বাজার এলাকা থেকে হুমায়ুন আহমেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

অন্যদিকে, গ্রেপ্তার ইমামের স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা মামলাটি মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে তার মুক্তি দাবি করেছেন। তারা বলছেন, হুমায়ুন আহমেদ এলাকায় সম্মানিত ব্যক্তি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর জবানবন্দি ও প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


বিয়ের আশ্বাস দিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম কারাগারে

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ইমাম হুমায়ুন আহমেদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। জামিন শুনানির সময় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে পুলিশ তাকে বিশ্বম্ভরপুর জোনের আমলগ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এমদাদ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় জবানবন্দি দেন।অভিযুক্ত হুমায়ুন আহমেদ (৩০) বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের মধুরকান্দি গ্রামের ইছব আলীর ছেলে। ইমাম হুমায়ুন আহমেদের জামিন না মঞ্জুর হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের জেনারেল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (জিআরও) এএসআই ফরিদ আহমেদ। জামিন শুনানিতে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী অংশগ্রহণ করেননি বলে জানান তিনি।মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হুমায়ুন আহমেদ উপজেলার একটি জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ওই সময় এলাকার একাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তিনি ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন এবং বিষয়টি কাউকে না বলতে ছুরির ভয় দেখান। পরে আরও কয়েকবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত তা অস্বীকার করেন এবং ভয়ভীতি দেখান।এই ঘটনায় গত ২৬ জুলাই ভুক্তভোগীর বাবা সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিশ্বম্ভরপুর থানাকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাঘবের বাজার এলাকা থেকে হুমায়ুন আহমেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।অন্যদিকে, গ্রেপ্তার ইমামের স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা মামলাটি মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে তার মুক্তি দাবি করেছেন। তারা বলছেন, হুমায়ুন আহমেদ এলাকায় সম্মানিত ব্যক্তি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর জবানবন্দি ও প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা