ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা স্বীকৃতি দিয়ে নিতে চায় মায়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা স্বীকৃতি দিয়ে নিতে চায় মায়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ৩০ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের দেওয়া ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জন বাস্তুচ্যুত মানুষকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে । তবে তালিকার ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং ৪ হাজার ২৪১ জনকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে ।

নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয় । তাছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সশস্ত্র সংঘাতের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে পড়েছে ।

২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে । বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তবে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে ।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যকর হবে না । উল্লেখ্য, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ইস্যুটি দীর্ঘদিনের জটিল একটি বিষয়। মিয়ানমারের ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের জন্য প্রজন্মগত ও নথিপত্রের শর্ত পূরণ করতে হয়, যা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় ।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা স্বীকৃতি দিয়ে নিতে চায় মায়ানমার

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ।সোমবার (১৭ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ৩০ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের দেওয়া ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জন বাস্তুচ্যুত মানুষকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে । তবে তালিকার ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং ৪ হাজার ২৪১ জনকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে ।নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয় । তাছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সশস্ত্র সংঘাতের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে পড়েছে ।২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে । বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তবে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে ।মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যকর হবে না । উল্লেখ্য, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ইস্যুটি দীর্ঘদিনের জটিল একটি বিষয়। মিয়ানমারের ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের জন্য প্রজন্মগত ও নথিপত্রের শর্ত পূরণ করতে হয়, যা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় ।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা